ঢাকা, সোমবার, ১১ মে ২০২৬ | ই-পেপার

হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, ঢাকায় ৩

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৬:১১:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
  • / ২৫ বার পড়া হয়েছে

দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাম ও হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৪৫৯ শিশুর।

সোমবার (১১ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত প্রাপ্ত উপাত্তের ভিত্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১৩৪১। নিশ্চিত হাম শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১১৮। আর একই সময়ে হাসপাতাল ভর্তি হয়েছেন ১০৭১ জন এবং ছাড়া পাওয়া রোগীর সংখ্যা ১১৩০।

গত ১৫ মার্চের পর থেকে এখন পর্যন্ত হামে ৬৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ৩৫০। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ঢাকায়।

১৫ মার্চের পর থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৯৩৭ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের হয়ে হাসপাতালে মোট ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৩৫ হাজার ৯৮০ জন। এবং সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৩১ হাজার ৯৯২ জন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, ঢাকায় ৩

আপডেট সময়ঃ ০৬:১১:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাম ও হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৪৫৯ শিশুর।

সোমবার (১১ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত প্রাপ্ত উপাত্তের ভিত্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১৩৪১। নিশ্চিত হাম শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১১৮। আর একই সময়ে হাসপাতাল ভর্তি হয়েছেন ১০৭১ জন এবং ছাড়া পাওয়া রোগীর সংখ্যা ১১৩০।

গত ১৫ মার্চের পর থেকে এখন পর্যন্ত হামে ৬৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ৩৫০। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ঢাকায়।

১৫ মার্চের পর থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৯৩৭ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের হয়ে হাসপাতালে মোট ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৩৫ হাজার ৯৮০ জন। এবং সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৩১ হাজার ৯৯২ জন।