ঢাকা, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬ | ই-পেপার

নরসিংদীর পলাশে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে নির্যাতন ঘরের ফার্নিচার ভাংচুর মালামাল লুটপাট

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৯:৫৪:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
  • / ৩৪ বার পড়া হয়েছে

নরসিংদী জেলা প্রতিনিধিঃ নরসিংদীর পলাশে চরসিন্দর গ্রামে ৫ লক্ষ টাকা যৌতুকের টাকার জন্য স্ত্রীকে মারপিট করে গুরুত্বর জখম করে ঘরের আসবাবপত্র ভাংচুৃৃর ও মালামাল লুট পাঠ করে নেয়ার অভিযোগ করেছেন স্বামী কর্তৃক নির্যাতিতা এক নারী। জানা গেেেছ, অনুমান ৬ বছর পূর্বে পলাশ থানার চরসিন্দুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে অন্তর মিয়া একই গ্রামের খোকন মিয়ার কন্যা মোসঃ রিনা বেগমকে বিবাহ করে। বিবাহের পর দাম্পত্যজীবনে অন্তরের ঔরষে রিনা বেগমের গর্ভে একটি কন্যা সন্তান জন্ম গ্রহন করে । বর্তমানে তাদের সন্তানের বয়স ৫ বছর বিদ্যমান আছে। বিবাহের পর থেকে যৌতুকের টাকার জন্য অন্তর তার মামা রিপন মিয়া ও মা নিলুফা বেগমের প্ররোচনায় অন্তর মিয়া তার স্ত্রীকে বিভিন্ন সময় শারিরীক ও মানুষিক নির্যাতন করিয়া আসতেছিল। ভবিষ্যত সুখ শান্তির জন্য রিনা বেগমরে মাতা পিতার মালিাকানাধীন জমিতে স্বামী অন্তর মিয়াকে নিয়া বসবাস করার জন্য এক তলা পাকা বাড়ী নির্মান করে দেন অভিযোগকারীনি রিনা বেগমের পিতা মাতা ।

রিনা বেগমের দেয়া বাড়ীতেই বসবাস করতেছিল অন্তর মিয়া ও তার স্ত্রী রিনা বেগমা এবং তার কোলের শিশু সন্তান। একতলা বাড়ী করে দেয়ার পর ও অন্তর মিয়া ও তার মা ও মামা রিপন মিয়াকে খুশি করতে পারে নাই রিনা বেগমের পিতা মাতা। সেই ধারাবাহিকতায় বিগত ০১/০৫/২০২৬ ইং তারিখে শক্রবার সন্ধা অনুমান ৭ টায় রিনা বেগমরে নিকট আসামী অন্তর ৫ লক্ষ) টাকা যৌতুক দাবী করে তখন রিনা বেগম যৌতুকের টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করিলে, অন্তর মিয়ার মামা রিপন মিয়া ও শাশুরী নিলুফা বেগমের প্রত্যক্ষ ও প্ররোক্ষ সহযোগীতায় রিনা বেগমের স্বামী অন্তর মিয়া রিনা বেগমকে শরীরে বিভিন্ন স্থানে মারপিট করিয়া বেদনা যুক্ত নিলাফলা জখম করে এবং রিপন মিয়া এবং নিলুফা বেগম রিনার বেগমের ঘরে রক্ষিত ষ্ট্রিলের আলমারী ভাংগিয়া নগদ ৫০ হাজার টাকা ,আড়াই ভড়ি স্বর্ণলংকার রিপন মিয়া এবং নিলুফা বেগম নিয়া যায় । অভিযোগকারীনির ঘরে রক্ষিত ঘরের ফ্রিজ , সুকেজ, টিভি ,ওয়ার ড্রপ, ড্রেসিং টেবিল , খাট , ৫ টি চেয়ার , চার্জার ফ্যান ৩ টি, মোবাইল ইনফিনিক্স. ষ্ট্রিলের আলমারী,ঘরের দরজা, জানালা ইত্যাদি ভাংচুর করিয়া আনুমানিক ৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি করে এবং আলামত নষ্ট করার জন্য এ মালামাল গুলো নিয়া যায় এবং ৫ লক্ষ টাকা যৌতুক না দিলে রিনা বেগমকে নিয়া সংসার করিবেনা । অন্তর মিয়া, তার মা ও মামা এ বিষয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করিলে রিনা বেগম ও তার পিতা মাতা ও স্বাক্ষীদের খুন করে ফেলবে মর্মে হুমকি দমকি দিয়া চলিয়া যায় ।

এঘটনার পরপর রিনা বেগমকে জখমী মুমুর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করিয়া চিকিৎসা করান তার আত্বীয় স্বজন । এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে অভিযোগকারীনি রিনা বেগম বিগত ৪/৫/২০২৬ ইং তারিখে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নরসিংদীতে নারী ও শিশু নির্যাতন আইন দমন আইন সহ প্রচলিত আইনের অভিযোগ এনে স্বামী অন্তর মিয়া শাশুরী নিলুফা বেগম এবং রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে পলাশ সি আর ২৭৬/২০২৬ মামলা করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়া অফিসাস ইনচার্জ পলাশ থানা কে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেন ।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

নরসিংদীর পলাশে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে নির্যাতন ঘরের ফার্নিচার ভাংচুর মালামাল লুটপাট

আপডেট সময়ঃ ০৯:৫৪:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

নরসিংদী জেলা প্রতিনিধিঃ নরসিংদীর পলাশে চরসিন্দর গ্রামে ৫ লক্ষ টাকা যৌতুকের টাকার জন্য স্ত্রীকে মারপিট করে গুরুত্বর জখম করে ঘরের আসবাবপত্র ভাংচুৃৃর ও মালামাল লুট পাঠ করে নেয়ার অভিযোগ করেছেন স্বামী কর্তৃক নির্যাতিতা এক নারী। জানা গেেেছ, অনুমান ৬ বছর পূর্বে পলাশ থানার চরসিন্দুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে অন্তর মিয়া একই গ্রামের খোকন মিয়ার কন্যা মোসঃ রিনা বেগমকে বিবাহ করে। বিবাহের পর দাম্পত্যজীবনে অন্তরের ঔরষে রিনা বেগমের গর্ভে একটি কন্যা সন্তান জন্ম গ্রহন করে । বর্তমানে তাদের সন্তানের বয়স ৫ বছর বিদ্যমান আছে। বিবাহের পর থেকে যৌতুকের টাকার জন্য অন্তর তার মামা রিপন মিয়া ও মা নিলুফা বেগমের প্ররোচনায় অন্তর মিয়া তার স্ত্রীকে বিভিন্ন সময় শারিরীক ও মানুষিক নির্যাতন করিয়া আসতেছিল। ভবিষ্যত সুখ শান্তির জন্য রিনা বেগমরে মাতা পিতার মালিাকানাধীন জমিতে স্বামী অন্তর মিয়াকে নিয়া বসবাস করার জন্য এক তলা পাকা বাড়ী নির্মান করে দেন অভিযোগকারীনি রিনা বেগমের পিতা মাতা ।

রিনা বেগমের দেয়া বাড়ীতেই বসবাস করতেছিল অন্তর মিয়া ও তার স্ত্রী রিনা বেগমা এবং তার কোলের শিশু সন্তান। একতলা বাড়ী করে দেয়ার পর ও অন্তর মিয়া ও তার মা ও মামা রিপন মিয়াকে খুশি করতে পারে নাই রিনা বেগমের পিতা মাতা। সেই ধারাবাহিকতায় বিগত ০১/০৫/২০২৬ ইং তারিখে শক্রবার সন্ধা অনুমান ৭ টায় রিনা বেগমরে নিকট আসামী অন্তর ৫ লক্ষ) টাকা যৌতুক দাবী করে তখন রিনা বেগম যৌতুকের টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করিলে, অন্তর মিয়ার মামা রিপন মিয়া ও শাশুরী নিলুফা বেগমের প্রত্যক্ষ ও প্ররোক্ষ সহযোগীতায় রিনা বেগমের স্বামী অন্তর মিয়া রিনা বেগমকে শরীরে বিভিন্ন স্থানে মারপিট করিয়া বেদনা যুক্ত নিলাফলা জখম করে এবং রিপন মিয়া এবং নিলুফা বেগম রিনার বেগমের ঘরে রক্ষিত ষ্ট্রিলের আলমারী ভাংগিয়া নগদ ৫০ হাজার টাকা ,আড়াই ভড়ি স্বর্ণলংকার রিপন মিয়া এবং নিলুফা বেগম নিয়া যায় । অভিযোগকারীনির ঘরে রক্ষিত ঘরের ফ্রিজ , সুকেজ, টিভি ,ওয়ার ড্রপ, ড্রেসিং টেবিল , খাট , ৫ টি চেয়ার , চার্জার ফ্যান ৩ টি, মোবাইল ইনফিনিক্স. ষ্ট্রিলের আলমারী,ঘরের দরজা, জানালা ইত্যাদি ভাংচুর করিয়া আনুমানিক ৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি করে এবং আলামত নষ্ট করার জন্য এ মালামাল গুলো নিয়া যায় এবং ৫ লক্ষ টাকা যৌতুক না দিলে রিনা বেগমকে নিয়া সংসার করিবেনা । অন্তর মিয়া, তার মা ও মামা এ বিষয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করিলে রিনা বেগম ও তার পিতা মাতা ও স্বাক্ষীদের খুন করে ফেলবে মর্মে হুমকি দমকি দিয়া চলিয়া যায় ।

এঘটনার পরপর রিনা বেগমকে জখমী মুমুর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করিয়া চিকিৎসা করান তার আত্বীয় স্বজন । এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে অভিযোগকারীনি রিনা বেগম বিগত ৪/৫/২০২৬ ইং তারিখে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নরসিংদীতে নারী ও শিশু নির্যাতন আইন দমন আইন সহ প্রচলিত আইনের অভিযোগ এনে স্বামী অন্তর মিয়া শাশুরী নিলুফা বেগম এবং রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে পলাশ সি আর ২৭৬/২০২৬ মামলা করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়া অফিসাস ইনচার্জ পলাশ থানা কে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেন ।