ঢাকা, বুধবার, ২০ মে ২০২৬ | ই-পেপার

নরসিংদী ট্রাইবুনালে ছদ্মনামে জামিন নিতে গিয়ে ১ মাস ৬ দিন জেল খাটার পর পুন:রায় গ্রেফতার হারুন

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৭:১৩:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
  • / ৩৭ বার পড়া হয়েছে

মোঃ মনসুর আলী শিকদার, নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি:
নরসিংদীতে হারুন নামের এক ব্যক্তি ছদ্মনাম সেলিম পরিচয় দিয়ে নরসিংদী মানব পাচার আদালতে জামিন নিতে গিয়ে কারাগারে।
১মাস ৬ দিন পরে প্রকৃত আসামি সেলিম আত্মসমর্পণ করার পর জামিন মিলল হারুনের। বিগত ১৮ মে ২৬ইং সোমবার মানব পাচার মামলার প্রকৃত আসামি সেলিম আত্মসমর্পণ করার পর আদালত জামিন দিলেন হারুনকে।

হারুনের প্রতারণার বিষয়টি আদালতের দৃষ্টিগোচর হলে সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ সহকারি গোলাম মাসুমকে বাদী হয়ে মামলা করার নির্দেশ দেন আদালত। সেই পরিপ্রেক্ষিতে বেঞ্চ সহকারী মাসুম রায়পুরা থানায় হারুন সহ অজ্ঞাত নামা কিছু সংখ্যক ব্যক্তির বিরুদ্ধে রায়পুরা থানায় একটি প্রতারণা মামলা দায়ের করেন।

যার ফলে, রায়পুরা থানা পুলিশ প্রকৃত হারুন নামের ব্যক্তি ছদ্মনাম নাম সেলিম পরিচয় দান কারী ব্যাক্তিকে ১৮ মে মংলবার সকালে জেল গেট থেকে গ্রেফতার করেন।
ঘটনার বিবরণে থেকে জানা যায় যে,গত ১২ এপ্রিল ২৬ ইং তারিখে মানব পাচার মামলা নং ১০/২৪ ইং -তে হারুন
পিতা সামসু মিয়া সাং মাহমুদ নগর থানা,রায়পুরা, জেলা নরসিংদী নামের এক ব্যক্তি প্রতারনা মূলক ভাবে ছদ্মনামে সেলিম পিতা জসিম উদ্দিন সাং মাহমুদনগর থানা রায়পুরা জেলা নরসিংদী পরিচয়ে সংশ্লিষ্ট আইনজীবের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মানব পাচার মামলার অপর সহ আসামি জামির ও ফাতেমার সাথে জামিন নিতে গেলে আদালত ছদ্ম নামের পরিচয়ধারী সেলিমের জামিনের আবেদন, মানব পাচার মামলার অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় জামিন নামঞ্জুর করে হারুন নামের ব্যক্তি সেলিম পরিচয়ধারী আসামি সহ অপর ২ আসামি কে জেল হাজতে প্রেরণ করেন ।

কারণ জামিনের শুনানির দিন ১২ এপ্রিল আদালত জানতেন না যে সেলিম পরিচয়ধারী আত্মসমর্পণকৃত আসামি প্রকৃত নাম হারুন না,
এ বিষয়টি বিজ্ঞ পিপি অ্যাডভোকেট শিরিন আক্তার শেলী,সহ আদালতের সন্দেহ হলে পরবর্তীতে জেল সুপারের অনুসন্ধানে ও তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে আদালত হারুনের ছদ্মনামধারী প্রতারণার বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ সহকারী গোলাম মাসুমকে নিয়মিত মামলা করার জন্য নির্দেশ দেন।
যার ফলে প্রতারক হারুন ছদ্মনাম সেলিম পরিচয় দানকারী ব্যক্তি মানব পাচার মামলায় ১মাস ৬ দিন জেল খাটার পর প্রতারক হারুন প্রতারণা মামলায় পুনরায় পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার হয়ে জেলখানায় আছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

নরসিংদী ট্রাইবুনালে ছদ্মনামে জামিন নিতে গিয়ে ১ মাস ৬ দিন জেল খাটার পর পুন:রায় গ্রেফতার হারুন

আপডেট সময়ঃ ০৭:১৩:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

মোঃ মনসুর আলী শিকদার, নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি:
নরসিংদীতে হারুন নামের এক ব্যক্তি ছদ্মনাম সেলিম পরিচয় দিয়ে নরসিংদী মানব পাচার আদালতে জামিন নিতে গিয়ে কারাগারে।
১মাস ৬ দিন পরে প্রকৃত আসামি সেলিম আত্মসমর্পণ করার পর জামিন মিলল হারুনের। বিগত ১৮ মে ২৬ইং সোমবার মানব পাচার মামলার প্রকৃত আসামি সেলিম আত্মসমর্পণ করার পর আদালত জামিন দিলেন হারুনকে।

হারুনের প্রতারণার বিষয়টি আদালতের দৃষ্টিগোচর হলে সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ সহকারি গোলাম মাসুমকে বাদী হয়ে মামলা করার নির্দেশ দেন আদালত। সেই পরিপ্রেক্ষিতে বেঞ্চ সহকারী মাসুম রায়পুরা থানায় হারুন সহ অজ্ঞাত নামা কিছু সংখ্যক ব্যক্তির বিরুদ্ধে রায়পুরা থানায় একটি প্রতারণা মামলা দায়ের করেন।

যার ফলে, রায়পুরা থানা পুলিশ প্রকৃত হারুন নামের ব্যক্তি ছদ্মনাম নাম সেলিম পরিচয় দান কারী ব্যাক্তিকে ১৮ মে মংলবার সকালে জেল গেট থেকে গ্রেফতার করেন।
ঘটনার বিবরণে থেকে জানা যায় যে,গত ১২ এপ্রিল ২৬ ইং তারিখে মানব পাচার মামলা নং ১০/২৪ ইং -তে হারুন
পিতা সামসু মিয়া সাং মাহমুদ নগর থানা,রায়পুরা, জেলা নরসিংদী নামের এক ব্যক্তি প্রতারনা মূলক ভাবে ছদ্মনামে সেলিম পিতা জসিম উদ্দিন সাং মাহমুদনগর থানা রায়পুরা জেলা নরসিংদী পরিচয়ে সংশ্লিষ্ট আইনজীবের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মানব পাচার মামলার অপর সহ আসামি জামির ও ফাতেমার সাথে জামিন নিতে গেলে আদালত ছদ্ম নামের পরিচয়ধারী সেলিমের জামিনের আবেদন, মানব পাচার মামলার অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় জামিন নামঞ্জুর করে হারুন নামের ব্যক্তি সেলিম পরিচয়ধারী আসামি সহ অপর ২ আসামি কে জেল হাজতে প্রেরণ করেন ।

কারণ জামিনের শুনানির দিন ১২ এপ্রিল আদালত জানতেন না যে সেলিম পরিচয়ধারী আত্মসমর্পণকৃত আসামি প্রকৃত নাম হারুন না,
এ বিষয়টি বিজ্ঞ পিপি অ্যাডভোকেট শিরিন আক্তার শেলী,সহ আদালতের সন্দেহ হলে পরবর্তীতে জেল সুপারের অনুসন্ধানে ও তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে আদালত হারুনের ছদ্মনামধারী প্রতারণার বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ সহকারী গোলাম মাসুমকে নিয়মিত মামলা করার জন্য নির্দেশ দেন।
যার ফলে প্রতারক হারুন ছদ্মনাম সেলিম পরিচয় দানকারী ব্যক্তি মানব পাচার মামলায় ১মাস ৬ দিন জেল খাটার পর প্রতারক হারুন প্রতারণা মামলায় পুনরায় পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার হয়ে জেলখানায় আছেন।