নবগঠিত বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রথম প্রশাসক হলেন এম আর ইসলাম স্বাধীন
- আপডেট সময়ঃ ০৫:৩১:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
- / ৪২৭ বার পড়া হয়েছে
জে এস সাহাদত হোসেন শাহীন: কল্পনার রাজ্যে থাকা দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করে অবশেষে সিটি করপোরেশন হিসেবে যাত্রা শুরু করেছে উত্তরবঙ্গের রাজধানী খ্যাত শহর বগুড়া। বগুড়াকে সিটি করপোরেশন ঘোষণা এবং প্রথম প্রশাসক নিয়োগের ঘটনায় শহরজুড়ে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে।
বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রথম পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন এম আর ইসলাম স্বাধীন। নিয়োগের পরদিনই ১৯ মে (মঙ্গলবার) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ।
১৮ মে (রোববার) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ (সিটি করপোরেশন-১ শাখা) থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশ, ২০২৪-এর ধারা ২৫ক-এর উপধারা (১) অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রণালয়ের উপসচিব রবিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বগুড়া শহরের মালতীনগর এলাকার বাসিন্দা এম আর ইসলাম স্বাধীনকে বগুড়া সিটি করপোরেশন গঠিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন জারির পর মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বরাবর লিখিত পত্রের মাধ্যমে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যভার গ্রহণ করেন। তিনি মেয়রের ক্ষমতা প্রয়োগ ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করবেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
গত ১৪মে (বৃহস্পতিবার) স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব শহীদুল হাসান স্বাক্ষরিত সরকারি গেজেটে বগুড়াকে সিটি করপোরেশন হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বর্তমান বগুড়া পৌরসভা ছাড়াও সদর ও শাজাহানপুর উপজেলার কয়েকটি সম্প্রসারিত এলাকা নিয়ে মোট ২১টি ওয়াডের সমন্বয়ে এই নতুন সিটি করপোরেশন গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ফুলবাড়ী, নিশিন্দারা, কাটনারপাড়া, সূত্রাপুর, মালগ্রাম, ঠনঠনিয়া, মালতীনগর, ফুলদিঘী ও বেতগাড়ী, ফাঁপোর এলাকা।
এম আর ইসলাম স্বাধীন দায়িত্ব গ্রহণের পর বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্থানীয় সরকার; পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। সবার সহযোগিতায় বগুড়া সিটি করপোরেশনকে একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।’
নবগঠিত এ সিটি করপোরেশনকে পূর্ণাঙ্গ কাঠামোতে দাঁড় করানো, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং নাগরিক সেবা সম্প্রসারণই হবে প্রশাসকের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।


















