ঢাকা, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

মন্ত্রী-এমপিদের প্লট দিতে গিয়ে রাজউক ক্ষতি করে ফেলেছে: পরিবেশ উপদেষ্টা

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৭:০৪:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ৪৫৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, মন্ত্রী-এমপিসহ তথাকথিত ক্ষমতাবানদের প্লট দিতে গিয়ে রাজউক ক্ষতি করে ফেলেছে। বন কেটে প্লট করা হয়েছে। যখন রাজউক ডিটেইল এরিয়া প্ল্যান করে, তখন ব্যবসায়ীরা তাদের স্বার্থে সেটির বিরোধিতা করেছে। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে বিশ্বব্যাংকের ‘একটি টেকসই জীবন: বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও অর্থনীতির ওপর তাপের প্রভাব’ শীর্ষক প্রতিবেদনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, বাড়তে থাকা তাপমাত্রা এখন আর কোনো তাত্ত্বিক বিষয় নয়, বরং বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের বাস্তব অভিজ্ঞতা। তাপমাত্রা বৃদ্ধি একটি বৈশ্বিক ঘটনা হলেও এর প্রভাব বাংলাদেশে অনেক বেশি তীব্র, যা আমাদের জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতিকে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। তিনি বলেন, কেবল গবেষণা প্রতিবেদনে সীমাবদ্ধ না থেকে সুপারিশগুলোকে সময়সীমাবদ্ধ কর্মপরিকল্পনায় রূপ দিতে হবে। প্রতিটি সংস্থাকে নিজ নিজ ভূমিকা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করতে হবে এবং জাতীয় পর্যায়ের অংশীদারদের দায়িত্ব নিতে হবে— যাতে সুপারিশগুলো কার্যকর পদক্ষেপে পরিণত হয়। নগর পরিকল্পনার চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, তাপদাহ মোকাবিলায় আমাদের নগর পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করতে হবে — কম কংক্রিট, বেশি সবুজায়ন, কার্যকর গণপরিবহন, ছাদ বাগান এবং ভূমি-ব্যবহার পরিকল্পনার কঠোর বাস্তবায়ন জরুরি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সিটি করপোরেশনগুলো ইতোমধ্যে ব্যাপক সবুজায়ন কার্যক্রম শুরু করেছে, তবে এ উদ্যোগকে আরও বিস্তৃত করা প্রয়োজন। সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জলবায়ু সহনশীলতার সঙ্গে সুশাসন ও নাগরিক আচরণের পরিবর্তনের সম্পর্কের দিকেও দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বলেন, গঠনমূলক সংস্কারের পাশাপাশি আমাদের সাংস্কৃতিক পরিবর্তনও দরকার। ছোট ছোট পদক্ষেপ, যেমন- অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ব্যবহার কমানো বড় প্রভাব ফেলতে পারে। সবুজ নগর মানেই সুস্থ জীবন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান; জাঁ পেসমে, ডিভিশনাল ডিরেক্টর, বাংলাদেশ ও ভুটান, বিশ্বব্যাংক এবং ড. ফেং ঝাও, প্র্যাকটিস ম্যানেজার, সাউথ এশিয়া হেলথ নিউট্রিশন অ্যান্ড পপুলেশন প্র্যাকটিস। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র অপারেশনস অফিসার ইফফাত মাহমুদ এবং সিনিয়র হেলথ স্পেশালিস্ট ওয়ামেক এ. রাজা।
ওজোনস্তর রক্ষায় রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অপরিহার্য: এদিকে, গতকাল মঙ্গলবার বিশ্ব ওজোন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিবেশ অধিদফতরে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ওজোনস্তর রক্ষায় রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অপরিহার্য। পরিবেশ উপদেষ্ট বলেন, ওজোনস্তর ক্ষয়ের ফলে মানবস্বাস্থ্য, কৃষি উৎপাদন ও প্রাণিজগৎ ঝুঁকির মুখে পড়েছে। তবে মন্ট্রিয়ল প্রটোকলের মতো কার্যকর আন্তর্জাতিক আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের কারণে পৃথিবী আজ ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছে। এটি একটি দৃষ্টান্ত যে, রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে আন্তর্জাতিক আইনও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা যায়। তিনি আরও বলেন, উন্নত দেশগুলো অর্থ ও প্রযুক্তিগত সহায়তার মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তা করায় ওজোনস্তর রক্ষায় বৈশ্বিক সাফল্য এসেছে। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায়ও একইভাবে উন্নত দেশগুলোর প্রতিশ্রুতি ও সহযোগিতা অপরিহার্য। আমরা চাই, সমালোচনাকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে নিয়ে কার্যকর পদক্ষেপে রূপান্তরিত করা হোক। ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক আচরণে পরিবর্তন আনলেই টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সম্ভব। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মো. কামরুজ্জামান। বক্তব্য রাখেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (জলবায়ু পরিবর্তন) মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ, পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক মো. জিয়াউল হক এবং ইউএনডিপির প্রতিনিধি প্রমুখ । মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক মহিউদ্দিন মানিক। অনুষ্ঠানে বিশ্ব ওজোন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

​জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের-এর বাসভবনে কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্র সমাজ’ ​ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি-এর রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে একদল দুষ্কৃতকারী কর্তৃক হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। ​ কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হীন ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর এক চরম আঘাত। এটি স্পষ্টতই রাজনীতিকে সহিংস করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ​জাতীয় ছাত্র সমাজ স্পষ্টভাবে জানাতে চান, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যাবে না। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জিএম কাদের-এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক সাক্ষাৎকারে ​দাবি ও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন : ১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ​যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে জাতীয় ছাত্র সমাজ দেশের ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

৬

মন্ত্রী-এমপিদের প্লট দিতে গিয়ে রাজউক ক্ষতি করে ফেলেছে: পরিবেশ উপদেষ্টা

আপডেট সময়ঃ ০৭:০৪:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক :
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, মন্ত্রী-এমপিসহ তথাকথিত ক্ষমতাবানদের প্লট দিতে গিয়ে রাজউক ক্ষতি করে ফেলেছে। বন কেটে প্লট করা হয়েছে। যখন রাজউক ডিটেইল এরিয়া প্ল্যান করে, তখন ব্যবসায়ীরা তাদের স্বার্থে সেটির বিরোধিতা করেছে। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে বিশ্বব্যাংকের ‘একটি টেকসই জীবন: বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও অর্থনীতির ওপর তাপের প্রভাব’ শীর্ষক প্রতিবেদনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, বাড়তে থাকা তাপমাত্রা এখন আর কোনো তাত্ত্বিক বিষয় নয়, বরং বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের বাস্তব অভিজ্ঞতা। তাপমাত্রা বৃদ্ধি একটি বৈশ্বিক ঘটনা হলেও এর প্রভাব বাংলাদেশে অনেক বেশি তীব্র, যা আমাদের জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতিকে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। তিনি বলেন, কেবল গবেষণা প্রতিবেদনে সীমাবদ্ধ না থেকে সুপারিশগুলোকে সময়সীমাবদ্ধ কর্মপরিকল্পনায় রূপ দিতে হবে। প্রতিটি সংস্থাকে নিজ নিজ ভূমিকা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করতে হবে এবং জাতীয় পর্যায়ের অংশীদারদের দায়িত্ব নিতে হবে— যাতে সুপারিশগুলো কার্যকর পদক্ষেপে পরিণত হয়। নগর পরিকল্পনার চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, তাপদাহ মোকাবিলায় আমাদের নগর পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করতে হবে — কম কংক্রিট, বেশি সবুজায়ন, কার্যকর গণপরিবহন, ছাদ বাগান এবং ভূমি-ব্যবহার পরিকল্পনার কঠোর বাস্তবায়ন জরুরি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সিটি করপোরেশনগুলো ইতোমধ্যে ব্যাপক সবুজায়ন কার্যক্রম শুরু করেছে, তবে এ উদ্যোগকে আরও বিস্তৃত করা প্রয়োজন। সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জলবায়ু সহনশীলতার সঙ্গে সুশাসন ও নাগরিক আচরণের পরিবর্তনের সম্পর্কের দিকেও দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বলেন, গঠনমূলক সংস্কারের পাশাপাশি আমাদের সাংস্কৃতিক পরিবর্তনও দরকার। ছোট ছোট পদক্ষেপ, যেমন- অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ব্যবহার কমানো বড় প্রভাব ফেলতে পারে। সবুজ নগর মানেই সুস্থ জীবন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান; জাঁ পেসমে, ডিভিশনাল ডিরেক্টর, বাংলাদেশ ও ভুটান, বিশ্বব্যাংক এবং ড. ফেং ঝাও, প্র্যাকটিস ম্যানেজার, সাউথ এশিয়া হেলথ নিউট্রিশন অ্যান্ড পপুলেশন প্র্যাকটিস। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র অপারেশনস অফিসার ইফফাত মাহমুদ এবং সিনিয়র হেলথ স্পেশালিস্ট ওয়ামেক এ. রাজা।
ওজোনস্তর রক্ষায় রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অপরিহার্য: এদিকে, গতকাল মঙ্গলবার বিশ্ব ওজোন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিবেশ অধিদফতরে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ওজোনস্তর রক্ষায় রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অপরিহার্য। পরিবেশ উপদেষ্ট বলেন, ওজোনস্তর ক্ষয়ের ফলে মানবস্বাস্থ্য, কৃষি উৎপাদন ও প্রাণিজগৎ ঝুঁকির মুখে পড়েছে। তবে মন্ট্রিয়ল প্রটোকলের মতো কার্যকর আন্তর্জাতিক আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের কারণে পৃথিবী আজ ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছে। এটি একটি দৃষ্টান্ত যে, রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে আন্তর্জাতিক আইনও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা যায়। তিনি আরও বলেন, উন্নত দেশগুলো অর্থ ও প্রযুক্তিগত সহায়তার মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তা করায় ওজোনস্তর রক্ষায় বৈশ্বিক সাফল্য এসেছে। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায়ও একইভাবে উন্নত দেশগুলোর প্রতিশ্রুতি ও সহযোগিতা অপরিহার্য। আমরা চাই, সমালোচনাকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে নিয়ে কার্যকর পদক্ষেপে রূপান্তরিত করা হোক। ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক আচরণে পরিবর্তন আনলেই টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সম্ভব। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মো. কামরুজ্জামান। বক্তব্য রাখেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (জলবায়ু পরিবর্তন) মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ, পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক মো. জিয়াউল হক এবং ইউএনডিপির প্রতিনিধি প্রমুখ । মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক মহিউদ্দিন মানিক। অনুষ্ঠানে বিশ্ব ওজোন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।