ঢাকা, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে আজ আবার আলোচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময়ঃ ১২:২৩:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ৩৮৭ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ঐকমত্য কমিশন জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পুনরায় আলোচনা শুরু করেছে। এ সংক্রান্ত ঐকমত্যে পৌঁছাতে না পারায় এই আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আলোচনার অংশ হিসেবে আজ বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সকাল সাড়ে ১১টায় এই বৈঠক শুরু হবে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানোর পর এটিই প্রথম বৈঠক।

এর আগে, সনদ বাস্তবায়নের উপায় নিয়ে দলগুলোর সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করে কমিশন। তবে একমত না হওয়ায় ১১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০টি দলের সঙ্গে তারা আবারও আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করে।

উল্লেখ্য, ছয়টি সংস্কার কমিশনের (দুই পর্বে সংবিধান, নির্বাচনব্যবস্থা, বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন কমিশন, পুলিশ ও জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন) প্রস্তাব নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দুই দফার আলোচনায় ইতোমধ্যে ৮৪টি বিষয়ে ঐকমত্য ও সিদ্ধান্ত হয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে জুলাই জাতীয় সনদ তৈরি করা হচ্ছে।

সনদের চূড়ান্ত খসড়া ইতোমধ্যে দলগুলোকে দেওয়া হয়েছে। বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে মতভিন্নতার কারণে সনদ আটকে আছে। তবে বাস্তবায়নের পদ্ধতি সনদের অংশ হবে না। এ বিষয়ে সরকারকে একটি সুপারিশ দেবে ঐকমত্য কমিশন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

​জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের-এর বাসভবনে কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্র সমাজ’ ​ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি-এর রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে একদল দুষ্কৃতকারী কর্তৃক হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। ​ কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হীন ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর এক চরম আঘাত। এটি স্পষ্টতই রাজনীতিকে সহিংস করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ​জাতীয় ছাত্র সমাজ স্পষ্টভাবে জানাতে চান, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যাবে না। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জিএম কাদের-এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক সাক্ষাৎকারে ​দাবি ও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন : ১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ​যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে জাতীয় ছাত্র সমাজ দেশের ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

৬

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে আজ আবার আলোচনা

আপডেট সময়ঃ ১২:২৩:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জাতীয় ঐকমত্য কমিশন জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পুনরায় আলোচনা শুরু করেছে। এ সংক্রান্ত ঐকমত্যে পৌঁছাতে না পারায় এই আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আলোচনার অংশ হিসেবে আজ বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সকাল সাড়ে ১১টায় এই বৈঠক শুরু হবে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানোর পর এটিই প্রথম বৈঠক।

এর আগে, সনদ বাস্তবায়নের উপায় নিয়ে দলগুলোর সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করে কমিশন। তবে একমত না হওয়ায় ১১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০টি দলের সঙ্গে তারা আবারও আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করে।

উল্লেখ্য, ছয়টি সংস্কার কমিশনের (দুই পর্বে সংবিধান, নির্বাচনব্যবস্থা, বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন কমিশন, পুলিশ ও জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন) প্রস্তাব নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দুই দফার আলোচনায় ইতোমধ্যে ৮৪টি বিষয়ে ঐকমত্য ও সিদ্ধান্ত হয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে জুলাই জাতীয় সনদ তৈরি করা হচ্ছে।

সনদের চূড়ান্ত খসড়া ইতোমধ্যে দলগুলোকে দেওয়া হয়েছে। বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে মতভিন্নতার কারণে সনদ আটকে আছে। তবে বাস্তবায়নের পদ্ধতি সনদের অংশ হবে না। এ বিষয়ে সরকারকে একটি সুপারিশ দেবে ঐকমত্য কমিশন।