ঢাকা, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

টঙ্গীর অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ আরেক ফায়ারফাইটার নুরুল হুদার মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময়ঃ ০৪:১৪:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ২৭৭ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুরের টঙ্গীতে কেমিক্যাল গুদামের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ আরও এক ফায়ার ফাইটার নুরুল হুদা মারা গেছেন। এ নিয়ে দুজন ফায়ার ফাইটারের মৃত্যু হলো।

আজ বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তিনি মারা যান। তার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের গফরগাঁও। নুরুল হুদা ২০০৭ সালে চাকরিতে যোগ দেন।

চিকিৎসকরা জানান, শরীরের শতভাগ পুড়ে যাওয়ায় নুরুল হুদাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছিল। সেখানেই তিনি মারা গেছেন। এর আগে কেমিক্যাল কারখানার আগুনে দগ্ধ হয়ে তার শরীরের ১০০ শতাংশ পুড়ে যায়।

উল্লেখ্য, সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টঙ্গী বিসিক শিল্প নগরীর সাহারা মার্কেটে কেমিক্যাল গোডাউনে বিস্ফোরণের ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের চারজন দগ্ধ হন। দুজনের শরীরের ১০০ শতাংশ এবং একজনের ৪২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। এছাড়া, একজনের পাঁচ শতাংশ দগ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া যায়।

দুজন ফায়ার ফাইটারের মৃত্যুর পর আরও দুজন ফায়ার সার্ভিসকর্মী বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

​জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের-এর বাসভবনে কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্র সমাজ’ ​ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি-এর রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে একদল দুষ্কৃতকারী কর্তৃক হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। ​ কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হীন ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর এক চরম আঘাত। এটি স্পষ্টতই রাজনীতিকে সহিংস করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ​জাতীয় ছাত্র সমাজ স্পষ্টভাবে জানাতে চান, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যাবে না। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জিএম কাদের-এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক সাক্ষাৎকারে ​দাবি ও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন : ১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ​যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে জাতীয় ছাত্র সমাজ দেশের ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

৬

টঙ্গীর অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ আরেক ফায়ারফাইটার নুরুল হুদার মৃত্যু

আপডেট সময়ঃ ০৪:১৪:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

গাজীপুরের টঙ্গীতে কেমিক্যাল গুদামের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ আরও এক ফায়ার ফাইটার নুরুল হুদা মারা গেছেন। এ নিয়ে দুজন ফায়ার ফাইটারের মৃত্যু হলো।

আজ বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তিনি মারা যান। তার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের গফরগাঁও। নুরুল হুদা ২০০৭ সালে চাকরিতে যোগ দেন।

চিকিৎসকরা জানান, শরীরের শতভাগ পুড়ে যাওয়ায় নুরুল হুদাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছিল। সেখানেই তিনি মারা গেছেন। এর আগে কেমিক্যাল কারখানার আগুনে দগ্ধ হয়ে তার শরীরের ১০০ শতাংশ পুড়ে যায়।

উল্লেখ্য, সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টঙ্গী বিসিক শিল্প নগরীর সাহারা মার্কেটে কেমিক্যাল গোডাউনে বিস্ফোরণের ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের চারজন দগ্ধ হন। দুজনের শরীরের ১০০ শতাংশ এবং একজনের ৪২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। এছাড়া, একজনের পাঁচ শতাংশ দগ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া যায়।

দুজন ফায়ার ফাইটারের মৃত্যুর পর আরও দুজন ফায়ার সার্ভিসকর্মী বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।