ঢাকা, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

নির্বাচনের আগেই কমিশনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে: সারজিস

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৭:৫৩:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ২৮১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
নির্বাচনের আগেই নির্বাচন কমিশনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন তাদের শাপলা প্রতীক দেবে না এর কারণও ব্যাখ্যা করবে না। নিশ্চয়ই তারা কোনো চাপে এই শাপলা প্রতীক দিচ্ছে।

আজ শনিবার দুপুরে পঞ্চগড় জেলা শহরের মকবুলার রহমান সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। সারজিস বলেন, নির্বাচন কমিশন শাপলা প্রতীক না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং এর কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যাও দিতে পারেনি। অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে যদি নির্বাচন কমিশনের মতো একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান প্রতীক দেওয়া নিয়ে চাপে পরাজিত হয়, তাহলে নির্বাচন শুরু হওয়ার আগেই এর স্বচ্ছতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যায়।

আমরা আইনগতভাবে বৈধভাবে আবেদন করেছি। যেহেতু কোনো আইনগত বাধা নেই, আমরা আশা করছি এনসিপি শাপলা প্রতীক পাবে। আওয়ামী লীগের বর্তমান অবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের চ্যাপ্টার ক্লোজ হয়ে গেছে। তারা পাচার করা টাকা দেশে পাঠিয়ে মাঝে মাঝে টোকাই মিছিল বের করছে। এগুলো প্রকৃত আওয়ামী লীগের মিছিল না। অনেকে বলে আওয়ামী লীগের ৩০ বা ৫০ শতাংশ সমর্থন আছে- আসলে তারা কখনোই এত জনসমর্থন পায়নি। তাদের প্রোগ্রামে যেসব লোক দেখানো হয়, সেগুলো ভাড়াটে লোক।

যদি সত্যি তাদের এত সমর্থন থাকতো, তাহলে জুলাইয়ের অভ্যুত্থানে তারা মাঠে থাকতো। সারজিস গণঅধিকার পরিষদ ও এনসিপি একিভূত করা সম্পর্কে বলেন, আমরা যেহেতু সমমনা ও কাছাকাছি আদর্শের, কাছাকাছি বয়সের তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক দল আমরা সবার সঙ্গে কথা বলছিলাম কীভাবে নির্বাচনে একসঙ্গে লড়াই করা যায়।

বাংলাদেশের মানুষ এই তরুণ প্রজন্মকে একসঙ্গে ইউনাইটেড দেখতে চায়। আমরা রাজনৈতিক দলের পর্যায়ে যদি ইউনাইটেড হতে পারি মাঠপর্যায়ের মানুষও ইউনাইটেড হয়ে যাবে। এ বিষয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা চলছে। এটি পজেটিভভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা আশা করি নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা অংশ নিয়ে মানুষের সমর্থন নিয়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করবো।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

​জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের-এর বাসভবনে কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্র সমাজ’ ​ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি-এর রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে একদল দুষ্কৃতকারী কর্তৃক হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। ​ কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হীন ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর এক চরম আঘাত। এটি স্পষ্টতই রাজনীতিকে সহিংস করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ​জাতীয় ছাত্র সমাজ স্পষ্টভাবে জানাতে চান, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যাবে না। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জিএম কাদের-এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক সাক্ষাৎকারে ​দাবি ও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন : ১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ​যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে জাতীয় ছাত্র সমাজ দেশের ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

৬

নির্বাচনের আগেই কমিশনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে: সারজিস

আপডেট সময়ঃ ০৭:৫৩:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক :
নির্বাচনের আগেই নির্বাচন কমিশনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন তাদের শাপলা প্রতীক দেবে না এর কারণও ব্যাখ্যা করবে না। নিশ্চয়ই তারা কোনো চাপে এই শাপলা প্রতীক দিচ্ছে।

আজ শনিবার দুপুরে পঞ্চগড় জেলা শহরের মকবুলার রহমান সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। সারজিস বলেন, নির্বাচন কমিশন শাপলা প্রতীক না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং এর কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যাও দিতে পারেনি। অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে যদি নির্বাচন কমিশনের মতো একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান প্রতীক দেওয়া নিয়ে চাপে পরাজিত হয়, তাহলে নির্বাচন শুরু হওয়ার আগেই এর স্বচ্ছতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যায়।

আমরা আইনগতভাবে বৈধভাবে আবেদন করেছি। যেহেতু কোনো আইনগত বাধা নেই, আমরা আশা করছি এনসিপি শাপলা প্রতীক পাবে। আওয়ামী লীগের বর্তমান অবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের চ্যাপ্টার ক্লোজ হয়ে গেছে। তারা পাচার করা টাকা দেশে পাঠিয়ে মাঝে মাঝে টোকাই মিছিল বের করছে। এগুলো প্রকৃত আওয়ামী লীগের মিছিল না। অনেকে বলে আওয়ামী লীগের ৩০ বা ৫০ শতাংশ সমর্থন আছে- আসলে তারা কখনোই এত জনসমর্থন পায়নি। তাদের প্রোগ্রামে যেসব লোক দেখানো হয়, সেগুলো ভাড়াটে লোক।

যদি সত্যি তাদের এত সমর্থন থাকতো, তাহলে জুলাইয়ের অভ্যুত্থানে তারা মাঠে থাকতো। সারজিস গণঅধিকার পরিষদ ও এনসিপি একিভূত করা সম্পর্কে বলেন, আমরা যেহেতু সমমনা ও কাছাকাছি আদর্শের, কাছাকাছি বয়সের তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক দল আমরা সবার সঙ্গে কথা বলছিলাম কীভাবে নির্বাচনে একসঙ্গে লড়াই করা যায়।

বাংলাদেশের মানুষ এই তরুণ প্রজন্মকে একসঙ্গে ইউনাইটেড দেখতে চায়। আমরা রাজনৈতিক দলের পর্যায়ে যদি ইউনাইটেড হতে পারি মাঠপর্যায়ের মানুষও ইউনাইটেড হয়ে যাবে। এ বিষয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা চলছে। এটি পজেটিভভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা আশা করি নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা অংশ নিয়ে মানুষের সমর্থন নিয়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করবো।