ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

পুলিশের লাঠিচার্জে খুলে গেল জুলাই যোদ্ধার কৃত্রিম হাত

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময়ঃ ০৪:৪৫:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫
  • / ২৬২ বার পড়া হয়েছে

জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ প্লাজায় অবস্থান করা জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ সময় পুলিশের কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। একইসঙ্গে এক জুলাই যোদ্ধার কৃত্রিম হাত রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে সংসদ ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

আন্দোলনরত জুলাই যোদ্ধাদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের সময় একজন জুলাই যোদ্ধার শরীরে লাগানো একটি কৃত্রিম হাত খুলে পড়ে যায় রাস্তায়। লাঠিচার্জ সহ্য করতে না পারায় হাত রেখেই পালিয়ে যান সেই অবস্থানকারী।

এর আগে, তিন দফা দাবিতে সংসদ ভবনের সামনে অবস্থান নেন জুলাই আহতরা। তারা সেখানে অবস্থান নিয়ে তাদের দাবির পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছিলেন। হঠাৎ করেই তারা সংসদ ভবনের গেট ভেঙে ভেতরে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

এসময় পুলিশ ও এপিবিএন সদস্যরা বাধা দিলে সংঘর্ষ লেগে যায়। এক পর্যায়ে লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। লাঠিচার্জে বেশ কয়েকজন আহত হন। আহতদের মধ্যে জুলাইয়ে পা হারানো এবং হাত হারানো বেশ কয়েকজনকেও দেখা যায়।

জুলাই আহতরা লাঠিচার্জের শিকার হয়ে কিছুদূর যেতেই আবার পুলিশের উদ্দেশ্যে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন। পুলিশ তখন বেশ কয়েক রাউন্ড সাউন্ড গ্রেনেড এবং টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। জুলাই আন্দোলনে আহতরা ছত্রভঙ্গ হয়ে সংসদ ভবনের চারদিকে ছোটাছুটি করতে থাকেন। তাদের একটি অংশ জুলাই সনদ অনুষ্ঠানের জন্য নির্মিত রাস্তার একটি বুথে আগুন ধরিয়ে দেয়।

পরে পুলিশ আবারও তাদের ওপর সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে এবং ধাওয়া দেয়। আজ দুপুর ২টার দিকে আসাদগেটের দিকে জুলাই যোদ্ধাদের এবং মোড়ে পুলিশকে অবস্থান নিয়ে থাকতে দেখা যায়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

​জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের-এর বাসভবনে কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্র সমাজ’ ​ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি-এর রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে একদল দুষ্কৃতকারী কর্তৃক হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। ​ কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হীন ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর এক চরম আঘাত। এটি স্পষ্টতই রাজনীতিকে সহিংস করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ​জাতীয় ছাত্র সমাজ স্পষ্টভাবে জানাতে চান, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যাবে না। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জিএম কাদের-এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক সাক্ষাৎকারে ​দাবি ও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন : ১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ​যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে জাতীয় ছাত্র সমাজ দেশের ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

৬

পুলিশের লাঠিচার্জে খুলে গেল জুলাই যোদ্ধার কৃত্রিম হাত

আপডেট সময়ঃ ০৪:৪৫:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ প্লাজায় অবস্থান করা জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ সময় পুলিশের কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। একইসঙ্গে এক জুলাই যোদ্ধার কৃত্রিম হাত রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে সংসদ ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

আন্দোলনরত জুলাই যোদ্ধাদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের সময় একজন জুলাই যোদ্ধার শরীরে লাগানো একটি কৃত্রিম হাত খুলে পড়ে যায় রাস্তায়। লাঠিচার্জ সহ্য করতে না পারায় হাত রেখেই পালিয়ে যান সেই অবস্থানকারী।

এর আগে, তিন দফা দাবিতে সংসদ ভবনের সামনে অবস্থান নেন জুলাই আহতরা। তারা সেখানে অবস্থান নিয়ে তাদের দাবির পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছিলেন। হঠাৎ করেই তারা সংসদ ভবনের গেট ভেঙে ভেতরে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

এসময় পুলিশ ও এপিবিএন সদস্যরা বাধা দিলে সংঘর্ষ লেগে যায়। এক পর্যায়ে লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। লাঠিচার্জে বেশ কয়েকজন আহত হন। আহতদের মধ্যে জুলাইয়ে পা হারানো এবং হাত হারানো বেশ কয়েকজনকেও দেখা যায়।

জুলাই আহতরা লাঠিচার্জের শিকার হয়ে কিছুদূর যেতেই আবার পুলিশের উদ্দেশ্যে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন। পুলিশ তখন বেশ কয়েক রাউন্ড সাউন্ড গ্রেনেড এবং টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। জুলাই আন্দোলনে আহতরা ছত্রভঙ্গ হয়ে সংসদ ভবনের চারদিকে ছোটাছুটি করতে থাকেন। তাদের একটি অংশ জুলাই সনদ অনুষ্ঠানের জন্য নির্মিত রাস্তার একটি বুথে আগুন ধরিয়ে দেয়।

পরে পুলিশ আবারও তাদের ওপর সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে এবং ধাওয়া দেয়। আজ দুপুর ২টার দিকে আসাদগেটের দিকে জুলাই যোদ্ধাদের এবং মোড়ে পুলিশকে অবস্থান নিয়ে থাকতে দেখা যায়।