ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

আইনে মেনে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনে ইউএনওদের নির্দেশ সিইসি’র

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময়ঃ ০৫:৪৫:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫
  • / ২১০ বার পড়া হয়েছে

আইনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে নিজেদের দায়িত্ব পালনের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের (ইউএনও) নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। তিনি বলেছেন, কোনো ধরনের চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে আইন অনুযায়ী নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকতে হবে।

বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ইউএনওদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিইসি এই আহ্বান জানান।

সিইসি বলেন, আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নই। যে জাতি আইনের প্রতি যতটা শ্রদ্ধাশীল, সেই জাতি তত সভ্য বলে আমরা মনে করি। আমাদেরকে এই কালচারটা কাল্টিভেট করতে হবে। আমরা ‘রুল অব ল’ চাই, ‘নট রুল বাই ল’ শাসন করার জন্য বানানো আইন চাই না। নির্বাচনকালীন যে ধরনের কাজের দায়িত্বই পড়ুক না কেন, তা ন্যায়ানুগভাবে, আইনসম্মতভাবে, নিউট্রালি এবং প্রফেশনালি পালন করতে হবে।

উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য করে সিইসি নির্বাচনের সময় সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, নির্বাচনের মধ্যে সমন্বয়টা একটা বড় জিনিস। আপনারা যেহেতু উপজেলা পর্যায়ে নিয়োজিত আছেন এবং সমন্বয়ের দায়িত্বটা মূলত আপনাদের উপরে নির্ভর করে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়, আমাদের প্রিজাইডিং অফিসারের সঙ্গে সমন্বয়, পুলিং অফিসারের সঙ্গে সমন্বয়… এ সার্বিক সমন্বয়টা আপনাদেরকে খুব সিরিয়াসলি করতে হবে।

চাপমুক্ত থেকে কাজ করার বিষয়ে সিইসি দৃঢ় বার্তা দেন। তিনি বলেন, আপনারাও কোনো প্রেশারের কাছে নত স্বীকার করবেন না, কোনো চাপের কাছে নত স্বীকার করবেন না এবং সম্পূর্ণভাবে নিজের সিদ্ধান্তে আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্তে অটল থাকবেন। নির্বাচন কমিশনও কারো কোনো অন্যায় চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না এবং কমিশনও কর্মকর্তাদের কোনো অন্যায় আদেশ বা হুকুম দেবে না। প্রচলিত আইন অনুযায়ীই নির্দেশনা যাবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

কোনো ক্রাইসিস বা সংকট দেখা দিলে তা শুরুতেই মোকাবিলা করার জন্য তিনি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। সিইসি বলেন, যেকোনো ক্রাইসিস হলে প্লিজ ট্রাই টু অ্যাড্রেস ক্রাইসিস অ্যান্ড মিট ইন দা বার্ড। শুরুতেই যাতে এটা ট্যাকেল করা যায় সেই চেষ্টা আপনারা নেবেন। ঘটনার পর নয়, বরং যথাসময়ে উপস্থিত থেকে দায়িত্ব পালনের গুরুত্ব দেন তিনি।

প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে সিইসি বলেন, ট্রেনিংটা কিন্তু একদম পুরা ক্যারিয়ারব্যাপী চলে, মানুষের শেখার কিন্তু শেষ নাই। এই প্রশিক্ষণকে গুরুত্ব সহকারে নিয়ে এখান থেকে অর্জিত জ্ঞান অন্যদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।

আরপিও সংশোধনের পর ম্যানুয়াল আপডেট হলে প্রয়োজনীয় সংযোজন করা হবে বলেও জানান সিইসি। এছাড়াও, প্রশিক্ষণে কোনো গ্যাপ থাকলে বা কোনো টপিক বাদ পড়ে গেলে, অনলাইনে কানেক্ট করে সেই গ্যাপ পূরণ করে দেওয়া হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

​জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের-এর বাসভবনে কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্র সমাজ’ ​ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি-এর রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে একদল দুষ্কৃতকারী কর্তৃক হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। ​ কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হীন ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর এক চরম আঘাত। এটি স্পষ্টতই রাজনীতিকে সহিংস করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ​জাতীয় ছাত্র সমাজ স্পষ্টভাবে জানাতে চান, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যাবে না। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জিএম কাদের-এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক সাক্ষাৎকারে ​দাবি ও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন : ১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ​যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে জাতীয় ছাত্র সমাজ দেশের ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

৬

আইনে মেনে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনে ইউএনওদের নির্দেশ সিইসি’র

আপডেট সময়ঃ ০৫:৪৫:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

আইনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে নিজেদের দায়িত্ব পালনের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের (ইউএনও) নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। তিনি বলেছেন, কোনো ধরনের চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে আইন অনুযায়ী নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকতে হবে।

বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ইউএনওদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিইসি এই আহ্বান জানান।

সিইসি বলেন, আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নই। যে জাতি আইনের প্রতি যতটা শ্রদ্ধাশীল, সেই জাতি তত সভ্য বলে আমরা মনে করি। আমাদেরকে এই কালচারটা কাল্টিভেট করতে হবে। আমরা ‘রুল অব ল’ চাই, ‘নট রুল বাই ল’ শাসন করার জন্য বানানো আইন চাই না। নির্বাচনকালীন যে ধরনের কাজের দায়িত্বই পড়ুক না কেন, তা ন্যায়ানুগভাবে, আইনসম্মতভাবে, নিউট্রালি এবং প্রফেশনালি পালন করতে হবে।

উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য করে সিইসি নির্বাচনের সময় সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, নির্বাচনের মধ্যে সমন্বয়টা একটা বড় জিনিস। আপনারা যেহেতু উপজেলা পর্যায়ে নিয়োজিত আছেন এবং সমন্বয়ের দায়িত্বটা মূলত আপনাদের উপরে নির্ভর করে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়, আমাদের প্রিজাইডিং অফিসারের সঙ্গে সমন্বয়, পুলিং অফিসারের সঙ্গে সমন্বয়… এ সার্বিক সমন্বয়টা আপনাদেরকে খুব সিরিয়াসলি করতে হবে।

চাপমুক্ত থেকে কাজ করার বিষয়ে সিইসি দৃঢ় বার্তা দেন। তিনি বলেন, আপনারাও কোনো প্রেশারের কাছে নত স্বীকার করবেন না, কোনো চাপের কাছে নত স্বীকার করবেন না এবং সম্পূর্ণভাবে নিজের সিদ্ধান্তে আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্তে অটল থাকবেন। নির্বাচন কমিশনও কারো কোনো অন্যায় চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না এবং কমিশনও কর্মকর্তাদের কোনো অন্যায় আদেশ বা হুকুম দেবে না। প্রচলিত আইন অনুযায়ীই নির্দেশনা যাবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

কোনো ক্রাইসিস বা সংকট দেখা দিলে তা শুরুতেই মোকাবিলা করার জন্য তিনি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। সিইসি বলেন, যেকোনো ক্রাইসিস হলে প্লিজ ট্রাই টু অ্যাড্রেস ক্রাইসিস অ্যান্ড মিট ইন দা বার্ড। শুরুতেই যাতে এটা ট্যাকেল করা যায় সেই চেষ্টা আপনারা নেবেন। ঘটনার পর নয়, বরং যথাসময়ে উপস্থিত থেকে দায়িত্ব পালনের গুরুত্ব দেন তিনি।

প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে সিইসি বলেন, ট্রেনিংটা কিন্তু একদম পুরা ক্যারিয়ারব্যাপী চলে, মানুষের শেখার কিন্তু শেষ নাই। এই প্রশিক্ষণকে গুরুত্ব সহকারে নিয়ে এখান থেকে অর্জিত জ্ঞান অন্যদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।

আরপিও সংশোধনের পর ম্যানুয়াল আপডেট হলে প্রয়োজনীয় সংযোজন করা হবে বলেও জানান সিইসি। এছাড়াও, প্রশিক্ষণে কোনো গ্যাপ থাকলে বা কোনো টপিক বাদ পড়ে গেলে, অনলাইনে কানেক্ট করে সেই গ্যাপ পূরণ করে দেওয়া হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।