ঢাকা, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে সাদপন্থিদের ইজতেমা বন্ধের দাবি শীর্ষ আলেমদের

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৪:৩৪:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১১ বার পড়া হয়েছে

ঐতিহ্যবাহী কহরদরিয়া তুরাগ নদের তীরে টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে সাদপন্থিদের ইজতেমা বন্ধের দাবি শীর্ষ আলেমদের। শনিবার টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী।

এছাড়া, বিশ্ব ইজতেমা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নির্বিঘ্নে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে টঙ্গীর ইজতেমা ময়দান সাদপন্থিদের ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার দাবি জানিয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমরা। শনিবার (২৪ অক্টোবর) হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরীর আহ্বানে টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে এক পরামর্শ সভায় এ দাবি জানানো হয়। এতে দেশের ৬৪ জেলার শীর্ষ আলেমরা অংশ নেন।

সভা-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মহল থেকে হেফাজত আমিরের সঙ্গে যোগাযোগ করে সাদপন্থিদের এবারের ইজতেমার জন্য তিন দিন টঙ্গী ময়দান ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে তার মতামত জানতে চাওয়া হয়। তিনি দেশের শীর্ষ আলেমদের সঙ্গে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত জানানোর কথা বলেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এ পরামর্শ সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় উপস্থিত আলেম-ওলামা ও মুরুব্বিদের মতামতের ভিত্তিতে সরকারের কাছে দুটি দাবি জানানো হয়। দাবি দুটি হলো- এক, ২০২৫ সালের পর সাদপন্থিদের টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা ময়দান ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার বিষয়ে সরকারের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত বহাল রাখতে হবে। দুই, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে টঙ্গীতে সংঘটিত ঘটনায় দায়ের করা দুটি হত্যা মামলার তদন্ত দ্রুত সম্পন্ন করে অভিযোগপত্র দাখিলের ব্যবস্থা নিতে হবে।

সভায় জানানো হয়, মামলাগুলো বর্তমানে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্তাধীন রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এ বিষয়ে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হলে কিংবা কোনো ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে ঢাকার কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত পাওয়ার পর নিজ নিজ জেলায় কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, মাওলানা নুরুল ইসলাম ওলিপুরী, মাওলানা সাজিদুর রহমান, মাওলানা আব্দুল হামিদ (পীর সাহেব মধুপুর), মাওলানা মাহফুজুল হক, মুফতি খিজিরুল্লাহ হাটহাজারী, মাওলানা ইকরাম হোসাইন ওয়াদুদী, মাওলানা সালাহ উদ্দিন, মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, মাওলানা হিফজুর রহমান, মুফতি আরশাদ রহমানী, মুফতি দেলাওয়ার হোসাইন, মাওলানা রশিদুর রহমান ফারুক, মাওলানা আব্দুল আউয়াল, মুফতি মুবারকুল্লাহ, মাওলানা শফিকুর আহমেদ রশীদ, মাওলানা মুশতাক আহমেদ, মুফতি জাফর আহমদ, মাওলানা মহিউদ্দিন রব্বানী, মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, মাওলানা বাহাউদ্দিন জাকারিয়া, মাওলানা নাজমুল হাসান কাসেমী, মাওলানা আলাওয়ালুল করীম, মাওলানা ফজলুল্লাহ মাদানীনগরী, মাওলানা নিয়ামতুল্লাহ আল ফারুকী, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মাওলানা যুবায়ের বিন তৈয়ব, মাওলানা আনাস, মাওলানা মনির হুসাইন কাসেমী, মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন রাজী, মুফতি মুহাম্মদ আলী আকাতাবনগরী, মাওলানা আফজালুর রহমান, মাওলানা নিয়ামুদ্দিন, মুফতি আতাউল্লাহ জিন্নাহ, মাওলানা লোকমান মাযহারী, মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী, মাওলানা মাহফুজুর রহমান মাহমুদ, মুফতি ফিকহিয়ারুল্লাহ আহমদী ও মাওলানা আনিসুর রহমান প্রমুখ।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে সাদপন্থিদের ইজতেমা বন্ধের দাবি শীর্ষ আলেমদের

আপডেট সময়ঃ ০৪:৩৪:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

ঐতিহ্যবাহী কহরদরিয়া তুরাগ নদের তীরে টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে সাদপন্থিদের ইজতেমা বন্ধের দাবি শীর্ষ আলেমদের। শনিবার টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী।

এছাড়া, বিশ্ব ইজতেমা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নির্বিঘ্নে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে টঙ্গীর ইজতেমা ময়দান সাদপন্থিদের ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার দাবি জানিয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমরা। শনিবার (২৪ অক্টোবর) হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরীর আহ্বানে টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে এক পরামর্শ সভায় এ দাবি জানানো হয়। এতে দেশের ৬৪ জেলার শীর্ষ আলেমরা অংশ নেন।

সভা-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মহল থেকে হেফাজত আমিরের সঙ্গে যোগাযোগ করে সাদপন্থিদের এবারের ইজতেমার জন্য তিন দিন টঙ্গী ময়দান ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে তার মতামত জানতে চাওয়া হয়। তিনি দেশের শীর্ষ আলেমদের সঙ্গে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত জানানোর কথা বলেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এ পরামর্শ সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় উপস্থিত আলেম-ওলামা ও মুরুব্বিদের মতামতের ভিত্তিতে সরকারের কাছে দুটি দাবি জানানো হয়। দাবি দুটি হলো- এক, ২০২৫ সালের পর সাদপন্থিদের টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা ময়দান ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার বিষয়ে সরকারের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত বহাল রাখতে হবে। দুই, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে টঙ্গীতে সংঘটিত ঘটনায় দায়ের করা দুটি হত্যা মামলার তদন্ত দ্রুত সম্পন্ন করে অভিযোগপত্র দাখিলের ব্যবস্থা নিতে হবে।

সভায় জানানো হয়, মামলাগুলো বর্তমানে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্তাধীন রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এ বিষয়ে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হলে কিংবা কোনো ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে ঢাকার কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত পাওয়ার পর নিজ নিজ জেলায় কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, মাওলানা নুরুল ইসলাম ওলিপুরী, মাওলানা সাজিদুর রহমান, মাওলানা আব্দুল হামিদ (পীর সাহেব মধুপুর), মাওলানা মাহফুজুল হক, মুফতি খিজিরুল্লাহ হাটহাজারী, মাওলানা ইকরাম হোসাইন ওয়াদুদী, মাওলানা সালাহ উদ্দিন, মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, মাওলানা হিফজুর রহমান, মুফতি আরশাদ রহমানী, মুফতি দেলাওয়ার হোসাইন, মাওলানা রশিদুর রহমান ফারুক, মাওলানা আব্দুল আউয়াল, মুফতি মুবারকুল্লাহ, মাওলানা শফিকুর আহমেদ রশীদ, মাওলানা মুশতাক আহমেদ, মুফতি জাফর আহমদ, মাওলানা মহিউদ্দিন রব্বানী, মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, মাওলানা বাহাউদ্দিন জাকারিয়া, মাওলানা নাজমুল হাসান কাসেমী, মাওলানা আলাওয়ালুল করীম, মাওলানা ফজলুল্লাহ মাদানীনগরী, মাওলানা নিয়ামতুল্লাহ আল ফারুকী, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মাওলানা যুবায়ের বিন তৈয়ব, মাওলানা আনাস, মাওলানা মনির হুসাইন কাসেমী, মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন রাজী, মুফতি মুহাম্মদ আলী আকাতাবনগরী, মাওলানা আফজালুর রহমান, মাওলানা নিয়ামুদ্দিন, মুফতি আতাউল্লাহ জিন্নাহ, মাওলানা লোকমান মাযহারী, মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী, মাওলানা মাহফুজুর রহমান মাহমুদ, মুফতি ফিকহিয়ারুল্লাহ আহমদী ও মাওলানা আনিসুর রহমান প্রমুখ।