• মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
অগ্নিকা- প্রতিরোধে পদক্ষেপ পর্যালোচনায় বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন হাইকোর্টের রমজানে পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সুযোগ নেই: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী ১০ মার্চের মধ্যে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল পাবে ৫০ লাখ পরিবার: খাদ্যমন্ত্রী বীজে অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ডিসিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী ধানম-ির টুইন পিক টাওয়ারের ১২ রেস্তোরাঁ সিলগালা বান্দরবানে সাংবাদিকদের ২ দিন ব্যাপী আলোকচিত্র ও ভিডিওগ্রাফি প্রশিক্ষণ মজুদদারির বিরুদ্ধে ডিসিদের কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিকে অভিযানে ডিসিদের সহায়তা চাইলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সংসদে অনির্বাচিত কেউ আসতে পারে না : স্পিকার ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্রে মাওলানা আব্দুলাহ আনোয়ার আটক

গণহত্যার স্বীকৃতি পেতে বাধা বিএনপির অপচেষ্টা: তথ্যমন্ত্রী

Reporter Name / ৬৭ Time View
Update : শুক্রবার, ২৫ মার্চ, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক :
যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষা করতে বিএনপির অপচেষ্টার কারণে একাত্তরের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। আজ শুক্রবার দুপুরে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম উত্তরজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। চট্টগ্রাম নগরীর ষোলশহরে এলজিইডি অডিটোরিয়ামে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। হাছান মাহমুদ বলেন, একাত্তরের ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে গণহত্যা শুরু হয়েছিল, এটার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্য আমরা দাবি জানিয়েছি। স্বীকৃতি আদায়ের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। এটির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি যৌক্তিক। খালেদা জিয়ার দিকে ইঙ্গিত করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, যখন একটি দলের নেত্রী, যিনি আবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন, তিনি বলেন- আসলে ৩০ লাখ মানুষ মারা যায়নি, তখন এ গণহত্যার স্বীকৃতির বিষয়ে আন্তর্জাতিক মহল প্রশ্ন করে বসে। বিএনপি এবং খালেদা জিয়ার এ ধরনের বক্তব্য এবং যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষা করার জন্য বিএনপির প্রচেষ্টা গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা। তা না হলে আমরা গণহত্যার স্বীকৃতি সহজে পেতাম। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের ৫০ বছর পরেও স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি এখনো আস্ফালন করে। এ অপশক্তি এখনো সক্রিয়, তারা দেশের উন্নয়ন অগ্রগতিতে খুশি না। অপশক্তির রক্ষাকবচ এবং প্রধান পৃষ্ঠপোষক হচ্ছে বিএনপি। তাদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে হবে। তারা নানা সময় দেশের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। করোনার সময় বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে, পদ্মা সেতু নির্মাণের সময় বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে, এখন তারা দেশের মানুষকে নিয়ে মশকরা শুরু করেছে। তথ্যমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণের পথে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ পৃথিবীর সামনে একটি মর্যাদাশীল রাষ্ট্র আজ। মানুষের মাথাপিছু আয় এখন দুই হাজার ৬০০ ডলারের কাছাকাছি, যেটি ভারতকেও ছাড়িয়ে গেছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে পৃথিবীর মাত্র ২০টি দেশে পজিটিভ জিডিপি গ্রোথ হয়েছিল, তার মধ্যে বাংলাদেশ একটি। আশপাশের সবদেশে নেগেটিভ জিডিপি গ্রোথ ছিল। আমাদের ওপরে মাত্র দুটি দেশ ছিল সাউথ সুদান ও গায়ানা। তাদের অর্থনীতি আমাদের চেয়ে অনেক ছোট, সেখানে জনসংখ্যাও অনেক কম। সেই বিবেচনায় ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ছিল পৃথিবীতে এক নম্বরে বলতে পারি। হাছান মাহমুদ বলেন, এতে দেশের মানুষ খুশি, সারা পৃথিবী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। জাতিসংঘের মহাসচিব, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট, প্রধান অর্থনীতিবিদ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ী প্রেসিডেন্টসহ পৃথিবীর সবাই প্রশংসা করে, ভারতের রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী এসে প্রশংসা করে গেছেন, ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানরা প্রশংসা করেন। কিন্তু একটি পক্ষ প্রশংসা করতে পারে না। সেটি হচ্ছে বিএনপি-জামায়াত এবং আর কিছুকিছু নামধারী বুদ্ধিজীবী। তারা এই উন্নয়ন অগ্রগতির প্রশংসা করতে পারেন না। তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় পাকিস্তানিরা পোড়ামাটিনীতি অনুসরণ করে যে বাংলাদেশকে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছে, গ্রামের পর গ্রাম জ¦ালিয়ে দিয়েছিল সেদেশকে ধ্বংসস্তুপ থেকে পুনর্গঠিত করে সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন বঙ্গবন্ধু। ঠিক তখনি তাকে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধুকে যদি হত্যা না করা হতো, তাহলে সাড়ে ৯ শতাংশের বেশি যে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বঙ্গবন্ধু অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন, সেই হারে যদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন হতে থাকতো, তাহলে স্বাধীনতার ১৫-২০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ হতো একটি উন্নত রাষ্ট্র। আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ সালামের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম-সম্পাদক দেবাশীষ পালিতের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উত্তর জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মো. আতাউর রহমান, সহ-সভাপতি অধ্যাপক মো. মঈন উদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ, এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম, আবুল কাশেম চিশতি, সদস্য ইফতেখার হোসেন বাবুল, বেদারুল আলম চৌধুরী বেদার, মো. সেলিম, উত্তরজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী দিলোয়ারা ইউসুফ, কৃষকলীগের সাধারন সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হোসেন তপু প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category