রেকর্ড গড়ে নিউজিল্যান্ডকে হারাল বাংলাদেশ
- আপডেট সময়ঃ ০৬:২০:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
- / ২৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশে লক্ষ্য ১৮৩ রান। ধীরগতির ব্যাটিংয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ওপেনিং জুটিতে সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম প্রত্যাশা অনুযায়ী রান তুলতে না পারায় ব্যাকফুটে চলে যায় দল। দলনেতা লিটন কুমার দাসও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ইনিংসের মাঝপথে সমর্থকদের মধ্যে হতাশা দেখা দিলেও পরবর্তী দুটি গুরুত্বপূর্ণ জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় স্বাগতিকরা।
শেষ পর্যন্ত তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ।
এই জয়ের মাধ্যমে নতুন রেকর্ড গড়েছে ফিল সিমন্সের শিষ্যরা। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের কীর্তি এটি। এর আগে কিউইদের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সফল রান তাড়া ছিল ১৩৫। তবে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ডটি রয়েছে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে—২০১৮ সালে ২১৫ রান তাড়া করে জয় পেয়েছিল টাইগাররা।
ম্যাচে ১৮৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেননি দুই ওপেনার। ৫.৩ ওভারে ৪১ রানে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। প্রথম উইকেটটি নেন নিউজিল্যান্ডের নাথান স্মিথ। সাইফ হাসান ১৬ বলে ১৭ রান করে আউট হন, আর তানজিদ হাসান তামিম করেন ২৫ বলে ২০ রান। দলনেতা লিটন দাস ১৫ বলে ২১ রান করে সাজঘরে ফেরেন।
১০.১ ওভারে ৭৭ রান তুলতে ৩ উইকেট হারিয়ে খানিকটা ব্যাকফুটেই পড়ে বাংলাদেশ দল। এমতাবস্থায় চতুর্থ উইকেটে দলের ভরসা জোগায় চতুর্থ উইকেট জুটি।
চট্টগ্রামে টস জিতে নিউজিল্যান্ডকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান বাংলাদেশের অধিনায়ক লিটন কুমার দাস। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় কিউইরা। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই রান আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার টিম রবিনসন।
তবে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে শুরুর চাপ সামলে নেন ওপেনার কেতেন ক্লার্ক ও ড্যান ক্লেভার। এসময় দুজন মিলে গড়েন ৮৮ রানের জুটি। আর এই দুই কিউই ব্যাটারই ফিফটির দেখা পেয়েছেন। মজার ব্যাপার আউট হওয়ার আগে দুজনই করেন ৫১ রান। ৩৭ বলে সাতটি চার ও একটি ছয়ে ৫১ রান করেন ক্লার্ক। আর মাত্র ২৮ বলে সাতটি চার ও একটি ছয়ে ৫১ রানে থামেন ক্লেভার।
এই দুই ব্যাটার সাজঘরে ফেরার পর খানিকটা চাপে পড়ে নিউজিল্যান্ড। দ্রুত কয়েক উইকেট হারানোর পর রানের গতিও কিছুটা কমে যায়। প্রথম ১০ ওভারে ১০০ রান করা নিউজিল্যান্ড পরের ৫ ওভারে করেছেন মাত্র ৩০ রান। এর মাঝেই বেভন জ্যাকবস ১ রানে ও ড্যান ফক্সক্রফট ৩ রানে আউট হন।
এরপর ফের একবার রানের চাকা সচল করেন অধিনায়ক নিক কেলি। কিন্তু ইনিংস শেষ করে ফিরতে পারেননি তিনি। শরিফুল ইসলামের করা বলে আউট হওয়ার আগে কিউই অধিনায়ক করেন ২৭ বলে ৩৯ রান। এছাড়া জশ ক্লার্কসন ৩০ ও নাথান স্মিথ ৪ রান করেন।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। এছাড়া একটি করে উইকেটের দেখা পেয়েছেন তিনজন বোলার।




















