• শুক্রবার, ০৩ মে ২০২৪, ০৩:৫৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
উপজেলা ভোটে দুর্গম এলাকা ছাড়া সব কেন্দ্রে ব্যালট যাবে সকালে থাইল্যান্ড সফর দ্বিপাক্ষিক সর্ম্পক উন্নয়নে এক মাইলফলক: প্রধানমন্ত্রী মেহনতি মানুষের ভাগ্যোন্নয়নই আ. লীগের মূল লক্ষ্য: কাদের সংসদ অধবিশেন চলবে ৯ মে র্পযন্ত মাদ্রাসার সভাপতি হতে স্বাক্ষর জালিয়াতি, ঘটনা তদন্তে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বান্দরবানে কেএনএফের আরো ১ নারী আটক: রিমান্ড ফেরত ১৪ জন আসামি কারাগারে অফিস সময়ে চিকিৎসকরা হাসপাতালের বাইরে গেলে ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ৪৬ কিলোমিটার বাড়ছে ঢাকা আউটার রিং রোডের দৈর্ঘ্য, ব্যয় বাড়ছে তিনগুণ বৃহস্পতিবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকছে: শিক্ষামন্ত্রী জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির

সংবাদে শিশুদের ছবি-পরিচয় প্রকাশ নয়: বিচারপতি ইনায়েতুর রহিম

Reporter Name / ২৬ Time View
Update : সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক :
শিশুদের সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে যথেষ্ট সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। যাতে পরিচয় প্রকাশ না করা হয়। আজ সোমবার সাইবার নিরাপত্তা আইন ও আদালত সাংবাদিকতা শীর্ষক এক আলোচনায় আপিল বিভাগের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এ মন্তব্য করেন। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ল’ রিপোর্টার্স ফোরাম। ফোরামের সভাপতি শামীমা আক্তারের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমানের পরিচালানায় আলোচনায় অংশ নেন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। কিশোর গ্যাংকে একটি সামাজিক সমস্যা উল্লেখ করে ‘সুপ্রিম কোর্ট স্পেশাল কমিটি ফর চাইল্ড রাইটস’ এর সভাপতি বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম বলেন, সাম্প্রতিককালে কিশোর গ্যাং গ্রেপ্তার হচ্ছে, আমাদের সমাজে কিশোর গ্যাং আসলেই একটা সমস্যা। কিশোর গ্যাং কেন হয়, কী কারণে হয়, সমাজ বিজ্ঞানীরা আছেন তারা ভালোভাবে দেখতে পারবেন কীভাবে প্রিভেন্ট করা যায়। কিন্তু আইন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টিকোণ থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মনে করছে এ ধরনের কিশোর গ্যাংদের গ্রেপ্তার করা প্রয়োজন। মানুষ কিন্তু কিছুকিছু জায়গায় ভীষণ অতিষ্ঠ। আমি যখন বিভিন্ন জায়গায় যাই আমাদের বলে এ কিশোর গ্যাং আসলে কেউ কিশোর না। হতে পারে সবাই কিশোর না, ১৫ থেকে ১৬ বছর বয়স। আমাদের শিশু আইনে ১৮ বছর। তিনি আরও বলেন, শিশু আইন ও হাইকোর্টের রায়ে বলা আছে, শিশুদের সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে যথেষ্ট সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। পরিচয় যাতে প্রকাশ না করা হয়। কিন্তু আমি কয়েকদিন ধরে দেখছি আইন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে প্রবণতা আছে কে কতটুকু কাজ করছে তা তুলে ধরার। তারা হয়তো ডাকলো, ডেকে মিডিয়ায় ব্রিফ করলো। প্রাথমিকভাবে ধরে নিতে হবে এরা কিশোর। কারো যদি বয়স কম বেশি হয় সে বিষয়ে প্রশ্ন এলে সেটা আদালত নির্ধারণ করবে। বিচারপতি ইনায়েতুর রহিম বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের গ্রেপ্তার হওয়া বা ধরা আইনগত বাধা নেই। এটা করতেই পারে। কিন্তু এদের ছবি দেওয়া মিডিয়ায়, পত্রিকায় সেভাবে পরিচয় প্রকাশ করা, এটা কিন্তু আইনে বারিত করছে। এখন আপনাকে (সাংবাদিকদের) ডেকে ব্রিফ করলো। করলেই কী আপনি ছবিসহ নাম প্রকাশ করে দেবেন? সেক্ষেত্রে আপনাকে সংযত হয়ে আইনটা মেনে সংবাদ পরিবেশন করবেন ছবি যাতে প্রকাশিত না হয়। আদালত সাংবাদিকতার বিষয়ে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম বলেন, যতটুকু সত্য ততটুকু আপনি (সাংবাদিক) করবেন। ধরেন, কোনো বিচারকের চারটি ফ্ল্যাট আছে। আপনি লিখে দিলেন চারটি ফ্ল্যাটের সন্ধান পাওয়া গেছে। তবে কিছুকিছু সূত্র জানিয়েছে, তার আরও ৩ থেকে ৪টি ফ্ল্যাট আছে। ততটুকু দেবেন যতটুকু আপনি প্রমাণ করতে পারবেন। যদি আপনার বিরুদ্ধে কোনো মামলা হয়, অবশ্যই ডিপেন্ড করবেন। আমি মনে করি এ ধরনের সাহসী সাংবাদিকতা অবশ্যই থাকা দরকার। কারণ আমরা কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়। বিচারক হই, যেই হই। আমাদের জবাবদিহিতা আছে জনগণের কাছে, আইনের কাছে, সংবিধানের কাছে। তবে সাবধানতার সঙ্গে করতে হবে, যাতে বিচারকের মানহানি না হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category