ঢাকা, শনিবার, ০২ মে ২০২৬ | ই-পেপার

খাগড়াছড়িতে বিয়ের দাওয়াতে এসে যুবলীগের ৩ নেতা গ্রেপ্তার

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৩:০৭:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬
  • / ১১ বার পড়া হয়েছে

খাগড়াছড়ির রামগড়ে বিয়ের দাওয়াতে এসে পরোয়ানাভূক্ত কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত তিন আওয়ামী যুবলীগ নেতাকে আটক করেছে রামগড় থানা পুলিশ। শুক্রবার (০১ মে) ভোরে রামগড়ের বল্টুরাম ও মুসলিমপাড়া নিজ নিজ বাড়ি থেকে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন, রামগড় পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম (৩৪), সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হোসেন আলী (৩১) ও সদস্য মো. মানিক (২৭)।

জানা যায়, রামগড় পৌরসভার বল্টুরামটিলা এলাকায় এক যুবলীগ নেতার মেয়ের বিয়ের দাওয়াতে এসেছিলেন ওই তিন নেতা। বৃহস্পতিবার রাতে কনের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে তারা নিজ নিজ বাসায় রাত্রিযাপন করছিলেন।

শুক্রবার দুপুরে বিয়ের মূল অনুষ্ঠানিকতায় তারা অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ভোরেই অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।

রামগড় থানার ওসি মোহাম্মদ নাজির আলম বলেন, গ্রেপ্তার তিন যুবলীগ নেতা দুটি মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিল। তারা দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। গোপন খবরের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

খাগড়াছড়িতে বিয়ের দাওয়াতে এসে যুবলীগের ৩ নেতা গ্রেপ্তার

আপডেট সময়ঃ ০৩:০৭:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

খাগড়াছড়ির রামগড়ে বিয়ের দাওয়াতে এসে পরোয়ানাভূক্ত কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত তিন আওয়ামী যুবলীগ নেতাকে আটক করেছে রামগড় থানা পুলিশ। শুক্রবার (০১ মে) ভোরে রামগড়ের বল্টুরাম ও মুসলিমপাড়া নিজ নিজ বাড়ি থেকে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন, রামগড় পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম (৩৪), সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হোসেন আলী (৩১) ও সদস্য মো. মানিক (২৭)।

জানা যায়, রামগড় পৌরসভার বল্টুরামটিলা এলাকায় এক যুবলীগ নেতার মেয়ের বিয়ের দাওয়াতে এসেছিলেন ওই তিন নেতা। বৃহস্পতিবার রাতে কনের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে তারা নিজ নিজ বাসায় রাত্রিযাপন করছিলেন।

শুক্রবার দুপুরে বিয়ের মূল অনুষ্ঠানিকতায় তারা অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ভোরেই অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।

রামগড় থানার ওসি মোহাম্মদ নাজির আলম বলেন, গ্রেপ্তার তিন যুবলীগ নেতা দুটি মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিল। তারা দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। গোপন খবরের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।