ঢাকা, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬ | ই-পেপার

গাইবান্ধা সদর উপজেলা উন্নয়নে উপজেলা প্রকৌশলী বাবলুর ভুমিকা অপরিসীম

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৮:০৬:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • / ১২৫ বার পড়া হয়েছে

নুরুল ইসলাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গ্রামীণ ও নাগরিক অবকাঠামো উন্নয়নে যুগান্তকারী অবদান রেখে চলেছেন গাইবান্ধা সদর উপজেলা এলজিইডি (স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর) প্রকৌশলী মোঃ বাবলু মিয়া। এ উপজেলায় যোগদানের পর থেকে তিনি সড়ক নির্মাণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও জলসম্পদ ব্যবস্থাপনার মতো বিভিন্ন খাতে আর্থ-সামাজিক অবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন ঘটিয়েছেন। এক স্বাক্ষাতকারে তিনি বলেন-এলজিইডি’র আওতায় উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের সঙ্গে জেলা সদরের সংযোগ স্থাপনে শত শত কিলোমিটার পাকা সড়ক, কালভার্ট ও ব্রিজ নির্মাণ এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে যাতায়াত সহজতর করা হয়েছে।

বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নতুন ভবন নির্মাণ, ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ এবং মেরামত কাজের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ ও আধুনিক শিক্ষার পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা পালন করে আসছি। এ ছাড়াও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণ, অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আবাসন তৈরি এবং ইউনিয়ন ভূমি অফিসের মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা নির্মাণেও এলজিইডির সরাসরি তত্ত্বাবধান থাকে।

গ্রামীণ অবকাঠামোর পাশাপাশি পৌরসভা এলাকার রাস্তাঘাট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নত করতে এবং ঘাঘট লেকের মতো শহরের নান্দনিক সৌন্দর্যবর্ধন ও বিনোদন কেন্দ্র নির্মাণে আমি প্রকৌশলগত সহায়তা প্রদান করেছি। ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ রক্ষণাবেক্ষণ কাজের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে।গাইবান্ধা যতদিন আমি থাকবে ততদিন অক্লান্ত পরিশ্রম ও আন্তরিকতার সাথে উন্নয়ন মুলক কাজ করে যাব ইনশাআল্লাহ।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

গাইবান্ধা সদর উপজেলা উন্নয়নে উপজেলা প্রকৌশলী বাবলুর ভুমিকা অপরিসীম

আপডেট সময়ঃ ০৮:০৬:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

নুরুল ইসলাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গ্রামীণ ও নাগরিক অবকাঠামো উন্নয়নে যুগান্তকারী অবদান রেখে চলেছেন গাইবান্ধা সদর উপজেলা এলজিইডি (স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর) প্রকৌশলী মোঃ বাবলু মিয়া। এ উপজেলায় যোগদানের পর থেকে তিনি সড়ক নির্মাণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও জলসম্পদ ব্যবস্থাপনার মতো বিভিন্ন খাতে আর্থ-সামাজিক অবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন ঘটিয়েছেন। এক স্বাক্ষাতকারে তিনি বলেন-এলজিইডি’র আওতায় উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের সঙ্গে জেলা সদরের সংযোগ স্থাপনে শত শত কিলোমিটার পাকা সড়ক, কালভার্ট ও ব্রিজ নির্মাণ এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে যাতায়াত সহজতর করা হয়েছে।

বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নতুন ভবন নির্মাণ, ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ এবং মেরামত কাজের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ ও আধুনিক শিক্ষার পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা পালন করে আসছি। এ ছাড়াও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণ, অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আবাসন তৈরি এবং ইউনিয়ন ভূমি অফিসের মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা নির্মাণেও এলজিইডির সরাসরি তত্ত্বাবধান থাকে।

গ্রামীণ অবকাঠামোর পাশাপাশি পৌরসভা এলাকার রাস্তাঘাট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নত করতে এবং ঘাঘট লেকের মতো শহরের নান্দনিক সৌন্দর্যবর্ধন ও বিনোদন কেন্দ্র নির্মাণে আমি প্রকৌশলগত সহায়তা প্রদান করেছি। ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ রক্ষণাবেক্ষণ কাজের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে।গাইবান্ধা যতদিন আমি থাকবে ততদিন অক্লান্ত পরিশ্রম ও আন্তরিকতার সাথে উন্নয়ন মুলক কাজ করে যাব ইনশাআল্লাহ।