ঢাকা, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ | ই-পেপার

রামুর ওসিকে সরাতে কোটি টাকার মিশনে ইয়াবা গডফাদার সিন্ডিকেট

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৯:২৪:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৬৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: রামু উপজেলার মাদকবিরোধী ভিযানে ধারাবাহিক সাফল্যের জেরে এবার সরাসরি টার্গেটে রামু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া। অভিযোগ উঠেছে, তাকে পদচ্যুত করতে কোটি টাকার মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছে একটি প্রভাবশালী ইয়াবা গডফাদার সিন্ডিকেট।
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, “যে কোনো মূল্যে ওসিকে চেয়ার ছাড়া করতে হবে”—এমন ঘোষণা দিয়ে সক্রিয় হয়েছে চক্রটি। ইতোমধ্যে তারা বিভিন্ন মহলে তদবির, গোপন লবিং এবং প্রভাব খাটানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।

এমনকি প্রশাসনের ভেতরে বিভ্রান্তি তৈরি ও জনমনে সন্দেহ ছড়াতে পরিকল্পিত অপপ্রচারও চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সূত্রগুলো আরও জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে রামুতে একের পর এক ইয়াবা চালান উদ্ধার এবং মাদক সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে এই সিন্ডিকেট।
ফলে নিজেদের অবৈধ ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে তারা এখন প্রশাসনের মূল নেতৃত্বকে সরিয়ে দেওয়ার কৌশল নিয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, এটি শুধু একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে সরানোর বিষয় নয়, বরং মাদকবিরোধী চলমান অভিযানের গতি থামিয়ে দেওয়ার একটি সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টা।

তাদের মতে, যদি এই ধরনের অপতৎপরতা সফল হয়, তবে পুরো এলাকায় মাদক ব্যবসা আবারও শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারে।

রামু থানার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

রামুর ওসিকে সরাতে কোটি টাকার মিশনে ইয়াবা গডফাদার সিন্ডিকেট

আপডেট সময়ঃ ০৯:২৪:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: রামু উপজেলার মাদকবিরোধী ভিযানে ধারাবাহিক সাফল্যের জেরে এবার সরাসরি টার্গেটে রামু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া। অভিযোগ উঠেছে, তাকে পদচ্যুত করতে কোটি টাকার মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছে একটি প্রভাবশালী ইয়াবা গডফাদার সিন্ডিকেট।
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, “যে কোনো মূল্যে ওসিকে চেয়ার ছাড়া করতে হবে”—এমন ঘোষণা দিয়ে সক্রিয় হয়েছে চক্রটি। ইতোমধ্যে তারা বিভিন্ন মহলে তদবির, গোপন লবিং এবং প্রভাব খাটানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।

এমনকি প্রশাসনের ভেতরে বিভ্রান্তি তৈরি ও জনমনে সন্দেহ ছড়াতে পরিকল্পিত অপপ্রচারও চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সূত্রগুলো আরও জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে রামুতে একের পর এক ইয়াবা চালান উদ্ধার এবং মাদক সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে এই সিন্ডিকেট।
ফলে নিজেদের অবৈধ ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে তারা এখন প্রশাসনের মূল নেতৃত্বকে সরিয়ে দেওয়ার কৌশল নিয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, এটি শুধু একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে সরানোর বিষয় নয়, বরং মাদকবিরোধী চলমান অভিযানের গতি থামিয়ে দেওয়ার একটি সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টা।

তাদের মতে, যদি এই ধরনের অপতৎপরতা সফল হয়, তবে পুরো এলাকায় মাদক ব্যবসা আবারও শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারে।

রামু থানার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।