ঢাকা, বুধবার, ২০ মে ২০২৬ | ই-পেপার

পাকিস্তানকে ‘হোয়াইটওয়াশ’ করতে শেষ দিনে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৩ উইকেট

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৫:৫৮:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
  • / ১৭ বার পড়া হয়েছে

ঘরের মাঠে টেস্ট খেলতে নামার আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের কথা উঠেছিল। তবে প্রতিপক্ষকে তাদের মাটিতে ধবলধোলাই করা প্রসঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি ফিল সিমন্স।

বাংলাদেশি কোচ জানিয়েছিলেন, এবার ঘরের মাঠে নতুন আরেকটি ইতিহাস গড়তে চাই।
গুরুর চাওয়া প্রথম টেস্টে পূরণ করেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত-মমিনুল হকরা। পাকিস্তানকে ১০৪ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো দেশের মাটিতে টেস্ট জয়ের স্বাদ পেয়ে। এবার আরও বড় উপলক্ষের সামনে বাংলাদেশ।

ঘরের মাঠেও এবার পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করার দারুণ সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ। কেননা চতুর্থ দিন শেষেই সিলেট টেস্ট জয়ের সুবাস গায়ে মাখছেন মুশফিকুর রহিম-লিটন দাসরা। দ্বিতীয় টেস্ট জয়ের জন্য যে আর ৩ উইকেট প্রয়োজন স্বাগতিকদের। বলা ভালো প্রতিপক্ষের শেষ স্বীকৃত ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ানকে আউট করলেই কেল্লাফতে।

বিপরীতে পাকিস্তানকে সিরিজে সমতায় ফিরতে হলে দুর্গম পথ পাড়ি দিতে হবে। রেকর্ড ৪৩৭ রান তাড়া করে জেতার জন্য এখনো ১২১ রান প্রয়োজন তাদের। বোলারদের নিয়ে আগামীকাল শেষ দিনে সেই কাজটা কতদূর পর্যন্ত করতে পারবেন রিজওয়ান সেটাই এখন দেখার বিষয়। আজ ৭৫ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেছেন তিনি। তার সঙ্গে ৮ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছেড়েছেন অফস্পিনার সাজিদ খান।

চতুর্থ দিন শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ৩১৬ রান।
এর আগে বিনা উইকেটে শূন্যে রানে ব্যাটিংয়ে নেমে চতুর্থ দিনে শুরুটা ভালো হয়নি পাকিস্তানের। এই সিরিজ দিয়েই অভিষেক হওয়া দুই ওপেনার আজান ওয়াইস ও আব্দুল্লাহ ফজল দলীয় ৪১ রানের মধ্যে সাজঘরে ফেরেন। উইকেট দুটি ভাগাভাগি করে নেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও নাহিদ রানা।

সেখান থেকে পাকিস্তানকে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দেখান বাবর আজম ও শান মাসুদ। ওয়ানডে স্টাইলে তৃতীয় উইকেটে ১১৫ বলে ৯২ রানের জুটি গড়েন তারা। তবে পরে আর বেশি মাথা ব্যথার কারণ হতে দেননি তাইজুল ইসলাম। ব্যক্তিগত ৪৭ রানে বাবরকে লিটনের ক্যাচ বানিয়ে নিজের বাঁহাতি স্পিনের জাদুও দেখানো শুরু করেন তিনি।

দিনের শেষ তিন উইকেট নিয়ে পাকিস্তানকে পরাজয়ের করুণ সুরও শুনিয়ে দিচ্ছেন তাইজুল। তার স্পিন মায়াজালের আগে একটা প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন রিজওয়ান ও সালমান আলি আগা। ব্যক্তিগত ৭১ রানে সালমানকে আউট করে সেই প্রতিরোধও ভাঙেন বাঁহাতি স্পিনার। ভাঙার আগে ষষ্ঠ উইকেটে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৩৪ রানের জুটি গড়েন রিজওয়ান-সালমান। তার আগে সালমানের মতোই অধিনায়ক মাসুদকে ৭১ রানে ড্রেসিংরুমের পথ দেখান তাইজুল। সবমিলিয়ে ১১৩ রানে ৪ উইকেট নিয়ে দিনের সেরা বোলার তিনিই।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

পাকিস্তানকে ‘হোয়াইটওয়াশ’ করতে শেষ দিনে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৩ উইকেট

আপডেট সময়ঃ ০৫:৫৮:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

ঘরের মাঠে টেস্ট খেলতে নামার আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের কথা উঠেছিল। তবে প্রতিপক্ষকে তাদের মাটিতে ধবলধোলাই করা প্রসঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি ফিল সিমন্স।

বাংলাদেশি কোচ জানিয়েছিলেন, এবার ঘরের মাঠে নতুন আরেকটি ইতিহাস গড়তে চাই।
গুরুর চাওয়া প্রথম টেস্টে পূরণ করেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত-মমিনুল হকরা। পাকিস্তানকে ১০৪ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো দেশের মাটিতে টেস্ট জয়ের স্বাদ পেয়ে। এবার আরও বড় উপলক্ষের সামনে বাংলাদেশ।

ঘরের মাঠেও এবার পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করার দারুণ সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ। কেননা চতুর্থ দিন শেষেই সিলেট টেস্ট জয়ের সুবাস গায়ে মাখছেন মুশফিকুর রহিম-লিটন দাসরা। দ্বিতীয় টেস্ট জয়ের জন্য যে আর ৩ উইকেট প্রয়োজন স্বাগতিকদের। বলা ভালো প্রতিপক্ষের শেষ স্বীকৃত ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ানকে আউট করলেই কেল্লাফতে।

বিপরীতে পাকিস্তানকে সিরিজে সমতায় ফিরতে হলে দুর্গম পথ পাড়ি দিতে হবে। রেকর্ড ৪৩৭ রান তাড়া করে জেতার জন্য এখনো ১২১ রান প্রয়োজন তাদের। বোলারদের নিয়ে আগামীকাল শেষ দিনে সেই কাজটা কতদূর পর্যন্ত করতে পারবেন রিজওয়ান সেটাই এখন দেখার বিষয়। আজ ৭৫ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেছেন তিনি। তার সঙ্গে ৮ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছেড়েছেন অফস্পিনার সাজিদ খান।

চতুর্থ দিন শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ৩১৬ রান।
এর আগে বিনা উইকেটে শূন্যে রানে ব্যাটিংয়ে নেমে চতুর্থ দিনে শুরুটা ভালো হয়নি পাকিস্তানের। এই সিরিজ দিয়েই অভিষেক হওয়া দুই ওপেনার আজান ওয়াইস ও আব্দুল্লাহ ফজল দলীয় ৪১ রানের মধ্যে সাজঘরে ফেরেন। উইকেট দুটি ভাগাভাগি করে নেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও নাহিদ রানা।

সেখান থেকে পাকিস্তানকে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দেখান বাবর আজম ও শান মাসুদ। ওয়ানডে স্টাইলে তৃতীয় উইকেটে ১১৫ বলে ৯২ রানের জুটি গড়েন তারা। তবে পরে আর বেশি মাথা ব্যথার কারণ হতে দেননি তাইজুল ইসলাম। ব্যক্তিগত ৪৭ রানে বাবরকে লিটনের ক্যাচ বানিয়ে নিজের বাঁহাতি স্পিনের জাদুও দেখানো শুরু করেন তিনি।

দিনের শেষ তিন উইকেট নিয়ে পাকিস্তানকে পরাজয়ের করুণ সুরও শুনিয়ে দিচ্ছেন তাইজুল। তার স্পিন মায়াজালের আগে একটা প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন রিজওয়ান ও সালমান আলি আগা। ব্যক্তিগত ৭১ রানে সালমানকে আউট করে সেই প্রতিরোধও ভাঙেন বাঁহাতি স্পিনার। ভাঙার আগে ষষ্ঠ উইকেটে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৩৪ রানের জুটি গড়েন রিজওয়ান-সালমান। তার আগে সালমানের মতোই অধিনায়ক মাসুদকে ৭১ রানে ড্রেসিংরুমের পথ দেখান তাইজুল। সবমিলিয়ে ১১৩ রানে ৪ উইকেট নিয়ে দিনের সেরা বোলার তিনিই।