এমবাপ্পেকে বাংলাদেশে আনার পরিকল্পনা করছে সরকার
- আপডেট সময়ঃ ০৪:৫৮:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
- / ২১ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশে বিশ্বকাপজয়ী অনেক ফুটবলারই এসেছেন। এ বছর ঘুরে গেছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা, জার্মানির ২০১৪ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার মেসুত ওজিল।লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা তো জাতীয় স্টেডিয়ামে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে একটা প্রীতি ম্যাচও খেলেছে।
শুরুটা হয়েছিল ২০০৬ সালে জিনেদিন জিদানের বাংলাদেশে আসার মধ্য দিয়ে। ১৯৯৮ বিশ্বকাপজয়ী ফ্রান্স মিডফিল্ডার ২ দিনের সফরে এসেছিলেন। ২০২২ বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে বাংলাদেশে এসেছিলেন জিজুরই বিশ্বকাপজয়ী সতীর্থ ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার ক্রিস্টিয়ান কারেম্বুও।এবার তাদেরই উত্তরসূরি কিলিয়ান এমবাপ্পেকে বাংলাদেশে নিয়ে আসার পরিকল্পনা করছে সরকার।
এমবাপ্পেকে নিয়ে আসার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। ‘প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ’ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতাকে সামনে রেখেই ২০১৮ বিশ্বকাপজয়ী ফ্রান্স স্ট্রাইকারকে দেশে নিয়ে আসার পরিকল্পনা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে টুর্নামেন্টটির সমাপনী অনুষ্ঠানে রিয়াল মাদ্রিদ তারকাকে দেখা যেতে পারে।আজ সোমবার (৩ আগস্ট) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সভাপতিত্বে স্টিয়ারিং কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের এমনটাই জানান মীর শাহে আলম। তিনি বলেছেন, ‘আমরা চাই সারা দেশে ফুটবল নিয়ে নতুন জোয়ার সৃষ্টি হোক। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষা মন্ত্রণালয় এই উদ্যোগ নিয়েছে। আমরা আশা করছি, প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপের সমাপনী অনুষ্ঠানে ফ্রান্সের আন্তর্জাতিক তারকা ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপ্পেকে ঢাকায় আনা সম্ভব হবে।’
এই টুর্নামেন্ট থেকে প্রতিভাবান ফুটবলার উঠে আসবে বলে মীর শাহে আলমের বিশ্বাস।প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ‘নিয়মিত খেলাধুলার মাধ্যমে মাঠ থেকেই প্রতিভাবান ফুটবলার উঠে আসবে। এজন্য প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে অবশ্যই ফুটবল দল গঠন করতে হবে। কোনো কারিগরি কলেজ, মাদ্রাসা, উচ্চবিদ্যালয় বা সাধারণ কলেজ যদি দল গঠন করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তাদের এমপিও স্থগিত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। ছাত্র কম থাকলেও বিকল্প উপায়ে দল গঠন নিশ্চিত করতে হবে। কোনো প্রতিষ্ঠান কেন দল গঠন করতে পারছে না, সেটিও খতিয়ে দেখা উচিত।’
টুর্নামেন্টটি আগামী সেপ্টেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে শুরু হবে। প্রতিযোগিতা সামনে রেখে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিনসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

















