ঢাকা, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

ছাত্র প্রতিনিধিদের সরকারে আসাটা ঠিক হয়নি : সালাহউদ্দিন আহমদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময়ঃ ০২:২৩:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ২৩০ বার পড়া হয়েছে

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ছাত্র প্রতিনিধিদের সরকারের দায়িত্বে আসাটা তাদের সঠিক সিদ্ধান্ত বলে মনে হয় না। দায়িত্বে না এলে তারা প্রেশার গ্রুপ হিসেবে থাকতে পারতো।

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক চর্চায় পৃথিবীতে একইসাথে কেউ সরকারি দল ও বিরোধী দলে থাকতে পারে না। যেদিন ছাত্র প্রতিনিধিরা সরকারে গেলো, সেদিন আমি বুঝে গেলাম এরা রাষ্ট্র নির্মাণে আর ভূমিকা রাখতে পারবে না।

শনিবার রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে ‘তারুণ্যের রাষ্ট্রচিন্তা’র তৃতীয় সংলাপে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, আমি তাদের সরকার থেকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানালে তো হবে না, তাগিদটা তাদের অনুভব করতে হবে।

এসময় জামায়াত নেতাদের ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, পত্রিকায় দেখলাম, আপনাদের এক নেতা বললেন, কে সরকারি দল হবে, কে বিরোধী দল। তাহলে এটা আপনারা নিজেরা ঠিক করে নিয়েছেন, নাকি জনগণ ঠিক করবে? এতো কনফিডেন্স থাকলে নির্বাচনে আসেন না কেন? নানা বাহানায় নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে চাচ্ছেন কেন?

সালাহউদ্দিন বলেন, আলোচনার মধ্যে আপনারা রাস্তায় নামলেন। আলোচনার টেবিল ও আন্দোলন একসাথে চললে সেটা হবে স্ববিরোধীতা। জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নিয়েই তো আমরা আলোচনা করছি। আমরা আলোচনায় সমাধান চাই।

নতুন কোনো সংকট তৈরি না করি, ঐক্য ধরে রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো কোনো দল কোনো কোনো দাবি করতেই পারে, কিন্তু সেটা জাতির ওপর জবরদস্তি করা ঠিক নয়। আমরা যেন পরস্পর জবরদস্তি না করি। যে পরিবর্তন আমরা করতে চাই, সেটা রাতারাতি হবে না। আসুন আমরা নতুন কোনো সংকট তৈরি না করি, ঐক্য ধরে রাখি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

​জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের-এর বাসভবনে কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্র সমাজ’ ​ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি-এর রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে একদল দুষ্কৃতকারী কর্তৃক হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। ​ কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হীন ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর এক চরম আঘাত। এটি স্পষ্টতই রাজনীতিকে সহিংস করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ​জাতীয় ছাত্র সমাজ স্পষ্টভাবে জানাতে চান, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যাবে না। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জিএম কাদের-এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক সাক্ষাৎকারে ​দাবি ও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন : ১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ​যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে জাতীয় ছাত্র সমাজ দেশের ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

৬

ছাত্র প্রতিনিধিদের সরকারে আসাটা ঠিক হয়নি : সালাহউদ্দিন আহমদ

আপডেট সময়ঃ ০২:২৩:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ছাত্র প্রতিনিধিদের সরকারের দায়িত্বে আসাটা তাদের সঠিক সিদ্ধান্ত বলে মনে হয় না। দায়িত্বে না এলে তারা প্রেশার গ্রুপ হিসেবে থাকতে পারতো।

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক চর্চায় পৃথিবীতে একইসাথে কেউ সরকারি দল ও বিরোধী দলে থাকতে পারে না। যেদিন ছাত্র প্রতিনিধিরা সরকারে গেলো, সেদিন আমি বুঝে গেলাম এরা রাষ্ট্র নির্মাণে আর ভূমিকা রাখতে পারবে না।

শনিবার রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে ‘তারুণ্যের রাষ্ট্রচিন্তা’র তৃতীয় সংলাপে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, আমি তাদের সরকার থেকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানালে তো হবে না, তাগিদটা তাদের অনুভব করতে হবে।

এসময় জামায়াত নেতাদের ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, পত্রিকায় দেখলাম, আপনাদের এক নেতা বললেন, কে সরকারি দল হবে, কে বিরোধী দল। তাহলে এটা আপনারা নিজেরা ঠিক করে নিয়েছেন, নাকি জনগণ ঠিক করবে? এতো কনফিডেন্স থাকলে নির্বাচনে আসেন না কেন? নানা বাহানায় নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে চাচ্ছেন কেন?

সালাহউদ্দিন বলেন, আলোচনার মধ্যে আপনারা রাস্তায় নামলেন। আলোচনার টেবিল ও আন্দোলন একসাথে চললে সেটা হবে স্ববিরোধীতা। জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নিয়েই তো আমরা আলোচনা করছি। আমরা আলোচনায় সমাধান চাই।

নতুন কোনো সংকট তৈরি না করি, ঐক্য ধরে রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো কোনো দল কোনো কোনো দাবি করতেই পারে, কিন্তু সেটা জাতির ওপর জবরদস্তি করা ঠিক নয়। আমরা যেন পরস্পর জবরদস্তি না করি। যে পরিবর্তন আমরা করতে চাই, সেটা রাতারাতি হবে না। আসুন আমরা নতুন কোনো সংকট তৈরি না করি, ঐক্য ধরে রাখি।