৬ নবজাতকের মৃত্যু: আদ্-দ্বীন হাসপাতালকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শোকজ
- আপডেট সময়ঃ ০৭:০৩:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
- / ১০ বার পড়া হয়েছে
আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গঠিত তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। দ্য মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজের বিধান লঙ্ঘন করায় কেন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হবে না তা জানতে চেয়ে এই নোটিশ দেওয়া হয়।
হাসপাতালের গেইটে নোটিশটি ঝুলানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নোটিশের উত্তর দেওয়ার জন্য ৭২ ঘণ্টা অর্থাৎ রোববার বিকাল ৫টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে।
আজ বুধবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গঠিত কমিটি তাদের রিপোর্ট জমা দেন। ২৭ মে ভোর ৬ থেকে ৯টার মধ্যে হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৬ নবজাতকের মৃত্যু হয়। ২৮ মে এই ঘটনায় মামলা হয়। তবে এই ঘটনায় এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।
তিন সদস্যের কমিটির প্রতিবেদনে যা আছে
১. ভবনটি হাসপাতাল পরিচালনার জন্য উপযুক্ত না
২. কক্ষতে অক্সিজেন কমে কার্বনডাই অক্সাইড বেড়েছে। অভিভাবকদের আহ্বানে নার্স সহযোগিতা করেনি
৩. ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি রোগী ছিল
৪. হাসতাপাতাল পরিচালনার জন্য কর্তৃপক্ষ উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি
৫. ভবিষ্যতে বেসরকারি হাসপাতাল লাইসেন্স দিতে ভবন পরিদর্শনের সুপারিশ
মৃত্যুর কারণ এসি বন্ধ, অক্সিজেন স্বল্পতা ও ছোট কক্ষ
চিকিৎসক না থাকা। নার্সের অসহযোগিতা, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলা প্রমাণিত হয়েছে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার বিকেলে হাসপাতালটিতে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সম্ভবত মৃত্যুর কারণ ছোট কক্ষে দীর্ঘ সময় এসি না থাকা। প্রয়োজনীয় এসি না থাকায় ঘটনাস্থলে অক্সিজেন স্বল্পতা হয়। যে কারণে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যায়। প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের দায়িত্বে অবহেলার কারণে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
তিনি বলেন, পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে অতিরিক্ত জনসংখ্যার উপস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়নি। ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলা স্পষ্ট প্রমাণিত হয়েছে। এ অনুযায়ী বিদ্যমান আইন অনুযায়ী শাস্তি হবে।










