ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

ইরান ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের দ্রুত অবসানের আশা ট্রাম্পের

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৩:৩৫:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • / ২৯ বার পড়া হয়েছে

ইরান যুদ্ধ এবং রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের শিগগিরই নিষ্পত্তি হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর মতে, আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতা কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের বিজয়ের মধ্য দিয়ে যুদ্ধ দুটির অবসান ঘটতে পারে। শুক্রবার নিউইয়র্কের সিরাকিউজে এক নির্বাচনী সমাবেশে এসব কথা বলেন ট্রাম্প। খবর আল-জাজিরার।

ইরান যুদ্ধের অবসান প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘যেকোনোভাবেই হোক, খুব দ্রুত এর সমাধান হবে।’ তেহরানের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি আরও বলেন, ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের সব শর্ত মেনে নিতে হবে, নতুবা দেশটির অস্তিত্ব থাকবে না।

ট্রাম্প বলেন, ‘একভাবে হোক বা অন্যভাবে-ইরান যুদ্ধের অবসান খুব দ্রুত হবে। হয় তারা আমাদের সবকিছু দেবে, নয়তো তাদের আর কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।’

তবে ‘সবকিছু’ বলতে ইরানকে ঠিক কোন কোন শর্ত মেনে নিতে হবে, সে বিষয়ে সমাবেশে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট। একইভাবে যুদ্ধের অবসানের নির্দিষ্ট সময়সীমা কিংবা সম্ভাব্য চুক্তির শর্ত সম্পর্কেও স্পষ্ট কোনো তথ্য দেননি তিনি।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গেও ট্রাম্প দাবি করেন, উভয় সংঘাতের নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া দ্রুত এগোচ্ছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হোক কিংবা সামরিক বিজয়ের মধ্য দিয়ে-দুই যুদ্ধেরই অবসান চান তিনি।

তবে ট্রাম্পের এই আশাবাদ সত্ত্বেও যুদ্ধ দুটি শেষ করার বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়েছে, এমন তথ্য তাঁর বক্তব্যে উঠে আসেনি। ফলে সংঘাতগুলোর অবসান কবে নাগাদ এবং কী শর্তে হবে, তা এখনো অনিশ্চিত।

সমাবেশে ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়া নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন ট্রাম্প। দক্ষিণ আফ্রিকার আইনজ্ঞ ও সাবেক জাতিসংঘ মানবাধিকারপ্রধান নাভি পিল্লাইকে এ পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাঁকেই নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া উচিত ছিল।

ইরান ও ইউক্রেনের যুদ্ধের অবসানে নিজের ভূমিকা তুলে ধরে ট্রাম্প দাবি করেন, আন্তর্জাতিক সংঘাত নিরসনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তবে তাঁর সর্বশেষ বক্তব্যের পরও যুদ্ধ দুটি কবে এবং কী শর্তে শেষ হবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

​জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের-এর বাসভবনে কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্র সমাজ’ ​ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি-এর রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে একদল দুষ্কৃতকারী কর্তৃক হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। ​ কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হীন ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর এক চরম আঘাত। এটি স্পষ্টতই রাজনীতিকে সহিংস করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ​জাতীয় ছাত্র সমাজ স্পষ্টভাবে জানাতে চান, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যাবে না। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জিএম কাদের-এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক সাক্ষাৎকারে ​দাবি ও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন : ১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ​যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে জাতীয় ছাত্র সমাজ দেশের ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

১

ইরান ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের দ্রুত অবসানের আশা ট্রাম্পের

আপডেট সময়ঃ ০৩:৩৫:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

ইরান যুদ্ধ এবং রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের শিগগিরই নিষ্পত্তি হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর মতে, আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতা কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের বিজয়ের মধ্য দিয়ে যুদ্ধ দুটির অবসান ঘটতে পারে। শুক্রবার নিউইয়র্কের সিরাকিউজে এক নির্বাচনী সমাবেশে এসব কথা বলেন ট্রাম্প। খবর আল-জাজিরার।

ইরান যুদ্ধের অবসান প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘যেকোনোভাবেই হোক, খুব দ্রুত এর সমাধান হবে।’ তেহরানের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি আরও বলেন, ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের সব শর্ত মেনে নিতে হবে, নতুবা দেশটির অস্তিত্ব থাকবে না।

ট্রাম্প বলেন, ‘একভাবে হোক বা অন্যভাবে-ইরান যুদ্ধের অবসান খুব দ্রুত হবে। হয় তারা আমাদের সবকিছু দেবে, নয়তো তাদের আর কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।’

তবে ‘সবকিছু’ বলতে ইরানকে ঠিক কোন কোন শর্ত মেনে নিতে হবে, সে বিষয়ে সমাবেশে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট। একইভাবে যুদ্ধের অবসানের নির্দিষ্ট সময়সীমা কিংবা সম্ভাব্য চুক্তির শর্ত সম্পর্কেও স্পষ্ট কোনো তথ্য দেননি তিনি।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গেও ট্রাম্প দাবি করেন, উভয় সংঘাতের নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া দ্রুত এগোচ্ছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হোক কিংবা সামরিক বিজয়ের মধ্য দিয়ে-দুই যুদ্ধেরই অবসান চান তিনি।

তবে ট্রাম্পের এই আশাবাদ সত্ত্বেও যুদ্ধ দুটি শেষ করার বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়েছে, এমন তথ্য তাঁর বক্তব্যে উঠে আসেনি। ফলে সংঘাতগুলোর অবসান কবে নাগাদ এবং কী শর্তে হবে, তা এখনো অনিশ্চিত।

সমাবেশে ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়া নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন ট্রাম্প। দক্ষিণ আফ্রিকার আইনজ্ঞ ও সাবেক জাতিসংঘ মানবাধিকারপ্রধান নাভি পিল্লাইকে এ পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাঁকেই নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া উচিত ছিল।

ইরান ও ইউক্রেনের যুদ্ধের অবসানে নিজের ভূমিকা তুলে ধরে ট্রাম্প দাবি করেন, আন্তর্জাতিক সংঘাত নিরসনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তবে তাঁর সর্বশেষ বক্তব্যের পরও যুদ্ধ দুটি কবে এবং কী শর্তে শেষ হবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।