ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

মমতার পর এবার আটক দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৪:১৮:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৩৬ বার পড়া হয়েছে

ভারতের দিল্লিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এর মধ্যে দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার দিল্লির লোধি এস্টেটের বাইরে থেকে তাকে আটক করা হয় বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম উত্তরবঙ্গ সংবাদ জানিয়েছে।

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকা ‘যন্তর মন্তর ২.০’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এই বিক্ষোভ শুরু হয়। কর্মসূচিতে সিজেপির পাশাপাশি বামপন্থী ও অন্যান্য বিরোধী দলের নেতা-কর্মীরাও অংশ নেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিক্ষোভে যোগ দিতে দিল্লির বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা কর্মী-সমর্থক ও প্রতিবাদীদের আটক করছে পুলিশ। এ পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৭০০ জনকে আটক করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে দিল্লির কনট প্লেসের হনুমান লেন এলাকায় পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে অন্তত ছয়জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এর আগে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার, সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং দলের নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাসহ কয়েকজন শীর্ষ নেতাকে আটক করে দিল্লি পুলিশ।

এসআইআর প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ ও গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে সিজেপি। দলটির এই কর্মসূচিকে সমর্থন জানিয়েছে বিরোধী দলগুলোর জোট ইন্ডিয়া।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

​জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের-এর বাসভবনে কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্র সমাজ’ ​ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি-এর রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে একদল দুষ্কৃতকারী কর্তৃক হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। ​ কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হীন ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর এক চরম আঘাত। এটি স্পষ্টতই রাজনীতিকে সহিংস করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ​জাতীয় ছাত্র সমাজ স্পষ্টভাবে জানাতে চান, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যাবে না। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জিএম কাদের-এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক সাক্ষাৎকারে ​দাবি ও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন : ১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ​যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে জাতীয় ছাত্র সমাজ দেশের ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

১

মমতার পর এবার আটক দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল

আপডেট সময়ঃ ০৪:১৮:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের দিল্লিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এর মধ্যে দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার দিল্লির লোধি এস্টেটের বাইরে থেকে তাকে আটক করা হয় বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম উত্তরবঙ্গ সংবাদ জানিয়েছে।

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকা ‘যন্তর মন্তর ২.০’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এই বিক্ষোভ শুরু হয়। কর্মসূচিতে সিজেপির পাশাপাশি বামপন্থী ও অন্যান্য বিরোধী দলের নেতা-কর্মীরাও অংশ নেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিক্ষোভে যোগ দিতে দিল্লির বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা কর্মী-সমর্থক ও প্রতিবাদীদের আটক করছে পুলিশ। এ পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৭০০ জনকে আটক করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে দিল্লির কনট প্লেসের হনুমান লেন এলাকায় পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে অন্তত ছয়জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এর আগে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার, সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং দলের নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাসহ কয়েকজন শীর্ষ নেতাকে আটক করে দিল্লি পুলিশ।

এসআইআর প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ ও গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে সিজেপি। দলটির এই কর্মসূচিকে সমর্থন জানিয়েছে বিরোধী দলগুলোর জোট ইন্ডিয়া।