ঢাকা, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

ধর্মীয় স্থান-মাজারে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সরকার

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৪:৩১:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • / ২৮৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

অন্তর্বর্তী সরকার বলেছে, ধর্মীয় উপাসনালয় ও সাংস্কৃতিক স্থাপনাগুলো রক্ষায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

শনিবার এক বিবৃতিতে এই নিন্দা জানানো হয়।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থান এবং সুফি মাজারগুলোতে যেকোনো ঘৃণামূলক বক্তব্য এবং হামলার তীব্র নিন্দা জানায়।’

এতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, একদল দুর্বৃত্ত গত কয়েকদিন ধরে দেশের সুফিদের পবিত্র মাজার এবং স্থানগুলো আক্রমণ করছে বলে তাদের নজরে এসেছে।

এতে বলা হয়, হামলার সাথে জড়িত অশুভ শক্তিকে আইনের আওতায় এনে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে সরকার তৎপর রয়েছে।

সরকার বলছে, বাংলাদেশ হাজার বছর ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সব ধর্মের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দেশ।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলছি, আমরা সম্প্রীতির দেশ হিসেবে থাকব এবং ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক সহিষ্ণুতা ও সম্প্রীতি বিঘ্নিত করার যেকোনো প্রচেষ্টা নির্দ্বিধায় কঠোরভাবে দমন করা হবে।’

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

​জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের-এর বাসভবনে কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্র সমাজ’ ​ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি-এর রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে একদল দুষ্কৃতকারী কর্তৃক হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। ​ কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হীন ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর এক চরম আঘাত। এটি স্পষ্টতই রাজনীতিকে সহিংস করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ​জাতীয় ছাত্র সমাজ স্পষ্টভাবে জানাতে চান, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যাবে না। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জিএম কাদের-এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক সাক্ষাৎকারে ​দাবি ও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন : ১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ​যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে জাতীয় ছাত্র সমাজ দেশের ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

৬

ধর্মীয় স্থান-মাজারে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সরকার

আপডেট সময়ঃ ০৪:৩১:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক:

অন্তর্বর্তী সরকার বলেছে, ধর্মীয় উপাসনালয় ও সাংস্কৃতিক স্থাপনাগুলো রক্ষায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

শনিবার এক বিবৃতিতে এই নিন্দা জানানো হয়।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থান এবং সুফি মাজারগুলোতে যেকোনো ঘৃণামূলক বক্তব্য এবং হামলার তীব্র নিন্দা জানায়।’

এতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, একদল দুর্বৃত্ত গত কয়েকদিন ধরে দেশের সুফিদের পবিত্র মাজার এবং স্থানগুলো আক্রমণ করছে বলে তাদের নজরে এসেছে।

এতে বলা হয়, হামলার সাথে জড়িত অশুভ শক্তিকে আইনের আওতায় এনে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে সরকার তৎপর রয়েছে।

সরকার বলছে, বাংলাদেশ হাজার বছর ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সব ধর্মের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দেশ।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলছি, আমরা সম্প্রীতির দেশ হিসেবে থাকব এবং ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক সহিষ্ণুতা ও সম্প্রীতি বিঘ্নিত করার যেকোনো প্রচেষ্টা নির্দ্বিধায় কঠোরভাবে দমন করা হবে।’