ঢাকা, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

শূন্য পদে নিয়োগের বিলম্ব এড়াতে নতুন নির্দেশনা

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ১০:২০:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১
  • / ৭৯৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
সরাসরি নিয়োগযোগ্য শূন্য পদ পূরণে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। অহেতুক বিলম্ব ও সময়ক্ষেপণ এবং বিভিন্ন ধরনের প্রশাসনিক জটিলতা এড়াতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব কে এম আলী আজম স্বাক্ষরিত একটি পরিপত্র সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোতে পাঠানো হয়। এতে বলা হয়, মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও এর অধীনস্থ দপ্তর, পরিদপ্তর, অধিদপ্তর, সংস্থা, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, কর্পোরেশনসমূহে বিদ্যমান রাজস্ব খাতভুক্ত সরাসরি নিয়োগযোগ্য শূন্য পদ পূরণের আগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ছাড়পত্র গ্রহণের বিধান ছিল। পরিপত্র থেকে জানা যায়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০১০ সালের ২৪ নভেম্বরের পরিপত্রে রাজস্ব খাতের শূন্য পদ পূরণে শর্ত সাপেক্ষে ছাড়পত্র প্রদানের দায়িত্ব স্ব স্ব প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় বা বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরিপত্রে নির্দেশনা দেওয়া হয়, সরাসরি নিয়োগযোগ্য শূন্য পদের ১০ শতাংশ পদ সংরক্ষণ করতে হবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০১৫ সালের ২৮ মে’র পরিপত্র অনুযায়ী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ছয় মাসের মধ্যে সংরক্ষিত শূন্য পদে উদ্বৃত্ত কর্মচারীকে আস্তীকরণের মাধ্যমে নিয়োগ প্রদান না করে, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ যথা সময়ে ওই পদে জনবল নিয়োগ করতে পারবে। তবে সংরক্ষিত শূন্য পদ পূরণের আগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ছাড়পত্র গ্রহণ করতে হবে। কিন্তু এই ছাড়পত্রের কারণে শূন্য পদ পূরণে অহেতুক বিলম্ব ঘটে ও সময়ক্ষেপণে বিভিন্ন ধরনের প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি হয় বলে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়। পরিপত্রে বলা হয়, প্রশাসনিক জটিলতা এড়ানোর জন্য এবং প্রশাসনকে গতিশীল করতে রাজস্ব খাতভুক্ত সরাসরি নিয়োগযোগ্য শূন্য পদ পূরণে ছাড়পত্র আদেশ সংগ্রহের পর যেসব প্রক্রিয়া অনুরসন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবশ্যিকভাবে শূন্য পদ পূরণ করতে হবে:
ক. সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয়ের মাধ্যমে পূরণীয় পদসমূহের ক্ষেত্রে ছাড়পত্রের বৈধতার মেয়াদ সর্বোচ্চ দুই বছর হবে। তবে সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় যদি কোন কারণে সুবিধাজনক সময়সীমার মধ্যে সুপারিশ পাঠাতে অসমর্থ হয়, তবে সুপারিশ পাঠানোর পর থেকে এক বছরের মধ্যে পদসমূহ পূরণ করতে হবে।
খ. মন্ত্রণালয়/বিভাগ ও অধীনস্থ দপ্তর/পরিদপ্তর/অধিদপ্তর/বিভাগ/জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা এবং করপোরেশন কর্তৃক সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে ছাড়পত্রের বৈধতার মেয়াদ সর্বোচ্চ এক বছর।
গ. ছাড়পত্রের বৈধতার মেয়াদের মধ্যে নিয়োগ প্রদানের সব প্রকার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে চূড়ান্ত নিয়োগ প্রদান করতে হবে।
ঘ. নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে শূন্য পদ পূরণে অসমর্থ হলে নতুন করে ছাড়পত্র গ্রহণ করতে হবে। তবে এ ক্ষেত্রে সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয়ের সুপারিশ পুনরায় গ্রহণের প্রয়োজন হবে না।
ঙ. মন্ত্রণালয়/বিভাগ ও অধীন দপ্তর/অধিদপ্তর/পরিদপ্তর/সংস্থা/স্বায়ত্তশাসিত/আধা-স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা এবং কর্পোরেশনের রাজস্ব খাতের সরাসরি নিয়োগযোগ্য শূন্য পদে জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে ছাড়পত্র প্রদানের নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে পদ পূরণে অসমর্থ হলে, এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান থাকলে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চলমান নিয়োগ কার্যক্রম শেষ করার জন্য ছাড়পত্র প্রদানকারী প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়/বিভাগ ছাড়পত্রের মেয়াদ ছয় মাসের পরিবর্তে এক বছর পর্যন্ত বাড়াতে পারবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

​জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের-এর বাসভবনে কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্র সমাজ’ ​ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি-এর রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে একদল দুষ্কৃতকারী কর্তৃক হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। ​ কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হীন ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর এক চরম আঘাত। এটি স্পষ্টতই রাজনীতিকে সহিংস করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ​জাতীয় ছাত্র সমাজ স্পষ্টভাবে জানাতে চান, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যাবে না। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জিএম কাদের-এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক সাক্ষাৎকারে ​দাবি ও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন : ১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ​যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে জাতীয় ছাত্র সমাজ দেশের ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

৬

শূন্য পদে নিয়োগের বিলম্ব এড়াতে নতুন নির্দেশনা

আপডেট সময়ঃ ১০:২০:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক :
সরাসরি নিয়োগযোগ্য শূন্য পদ পূরণে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। অহেতুক বিলম্ব ও সময়ক্ষেপণ এবং বিভিন্ন ধরনের প্রশাসনিক জটিলতা এড়াতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব কে এম আলী আজম স্বাক্ষরিত একটি পরিপত্র সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোতে পাঠানো হয়। এতে বলা হয়, মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও এর অধীনস্থ দপ্তর, পরিদপ্তর, অধিদপ্তর, সংস্থা, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, কর্পোরেশনসমূহে বিদ্যমান রাজস্ব খাতভুক্ত সরাসরি নিয়োগযোগ্য শূন্য পদ পূরণের আগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ছাড়পত্র গ্রহণের বিধান ছিল। পরিপত্র থেকে জানা যায়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০১০ সালের ২৪ নভেম্বরের পরিপত্রে রাজস্ব খাতের শূন্য পদ পূরণে শর্ত সাপেক্ষে ছাড়পত্র প্রদানের দায়িত্ব স্ব স্ব প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় বা বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরিপত্রে নির্দেশনা দেওয়া হয়, সরাসরি নিয়োগযোগ্য শূন্য পদের ১০ শতাংশ পদ সংরক্ষণ করতে হবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০১৫ সালের ২৮ মে’র পরিপত্র অনুযায়ী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ছয় মাসের মধ্যে সংরক্ষিত শূন্য পদে উদ্বৃত্ত কর্মচারীকে আস্তীকরণের মাধ্যমে নিয়োগ প্রদান না করে, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ যথা সময়ে ওই পদে জনবল নিয়োগ করতে পারবে। তবে সংরক্ষিত শূন্য পদ পূরণের আগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ছাড়পত্র গ্রহণ করতে হবে। কিন্তু এই ছাড়পত্রের কারণে শূন্য পদ পূরণে অহেতুক বিলম্ব ঘটে ও সময়ক্ষেপণে বিভিন্ন ধরনের প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি হয় বলে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়। পরিপত্রে বলা হয়, প্রশাসনিক জটিলতা এড়ানোর জন্য এবং প্রশাসনকে গতিশীল করতে রাজস্ব খাতভুক্ত সরাসরি নিয়োগযোগ্য শূন্য পদ পূরণে ছাড়পত্র আদেশ সংগ্রহের পর যেসব প্রক্রিয়া অনুরসন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবশ্যিকভাবে শূন্য পদ পূরণ করতে হবে:
ক. সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয়ের মাধ্যমে পূরণীয় পদসমূহের ক্ষেত্রে ছাড়পত্রের বৈধতার মেয়াদ সর্বোচ্চ দুই বছর হবে। তবে সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় যদি কোন কারণে সুবিধাজনক সময়সীমার মধ্যে সুপারিশ পাঠাতে অসমর্থ হয়, তবে সুপারিশ পাঠানোর পর থেকে এক বছরের মধ্যে পদসমূহ পূরণ করতে হবে।
খ. মন্ত্রণালয়/বিভাগ ও অধীনস্থ দপ্তর/পরিদপ্তর/অধিদপ্তর/বিভাগ/জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা এবং করপোরেশন কর্তৃক সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে ছাড়পত্রের বৈধতার মেয়াদ সর্বোচ্চ এক বছর।
গ. ছাড়পত্রের বৈধতার মেয়াদের মধ্যে নিয়োগ প্রদানের সব প্রকার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে চূড়ান্ত নিয়োগ প্রদান করতে হবে।
ঘ. নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে শূন্য পদ পূরণে অসমর্থ হলে নতুন করে ছাড়পত্র গ্রহণ করতে হবে। তবে এ ক্ষেত্রে সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয়ের সুপারিশ পুনরায় গ্রহণের প্রয়োজন হবে না।
ঙ. মন্ত্রণালয়/বিভাগ ও অধীন দপ্তর/অধিদপ্তর/পরিদপ্তর/সংস্থা/স্বায়ত্তশাসিত/আধা-স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা এবং কর্পোরেশনের রাজস্ব খাতের সরাসরি নিয়োগযোগ্য শূন্য পদে জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে ছাড়পত্র প্রদানের নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে পদ পূরণে অসমর্থ হলে, এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান থাকলে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চলমান নিয়োগ কার্যক্রম শেষ করার জন্য ছাড়পত্র প্রদানকারী প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়/বিভাগ ছাড়পত্রের মেয়াদ ছয় মাসের পরিবর্তে এক বছর পর্যন্ত বাড়াতে পারবে।