ঢাকা, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ই-পেপার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ১২:২৩:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৩১ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ। তৎকালীন ১/১১ এর সেনাসমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে ২০০৭ সালের ৭ মার্চ ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিএনপির তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমানকে ওইদিন ভোররাতে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে কারান্তরীণ করা হয়। এরপর বিনা বিচারে প্রায় ১৮ মাস কারাবন্দী থাকতে হয় তাঁকে। টানা ৫৫৪ দিন কারাবন্দি থাকার সময় রিমান্ডের নামে তাঁর ওপর চলে অমানবিক নির্যাতন। নিষ্ঠুর নির্যাতনে তাঁর মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া হয়।

মুমূর্ষু অবস্থায় তারেক রহমানকে রাজধানীর তৎকালীন পিজি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পর ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তিনি জামিনে মুক্তি পান। এরপর থেকেই বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা দিনটিকে তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।

তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা সকল মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় জামিন পাওয়ার পর ২০০৮ সালে উচ্চ আদালতের নির্দেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়া হয় বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে। সঙ্গে যান তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও একমাত্র কন্যা জাইমা রহমান।

দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার পর ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে ফিরে আসেন তারেক রহমান। এরপর ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেয়। নির্বাচনে জনগণের রায় নিয়ে সরকার গঠনের পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনা করছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ

আপডেট সময়ঃ ১২:২৩:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ। তৎকালীন ১/১১ এর সেনাসমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে ২০০৭ সালের ৭ মার্চ ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিএনপির তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমানকে ওইদিন ভোররাতে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে কারান্তরীণ করা হয়। এরপর বিনা বিচারে প্রায় ১৮ মাস কারাবন্দী থাকতে হয় তাঁকে। টানা ৫৫৪ দিন কারাবন্দি থাকার সময় রিমান্ডের নামে তাঁর ওপর চলে অমানবিক নির্যাতন। নিষ্ঠুর নির্যাতনে তাঁর মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া হয়।

মুমূর্ষু অবস্থায় তারেক রহমানকে রাজধানীর তৎকালীন পিজি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পর ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তিনি জামিনে মুক্তি পান। এরপর থেকেই বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা দিনটিকে তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।

তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা সকল মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় জামিন পাওয়ার পর ২০০৮ সালে উচ্চ আদালতের নির্দেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়া হয় বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে। সঙ্গে যান তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও একমাত্র কন্যা জাইমা রহমান।

দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার পর ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে ফিরে আসেন তারেক রহমান। এরপর ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেয়। নির্বাচনে জনগণের রায় নিয়ে সরকার গঠনের পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনা করছেন।