ঢাকা, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

২০২৭ সালের রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানাল আরব আমিরাত

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ১০:৩১:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৫০ বার পড়া হয়েছে

Ramadan Crescent Moon ushering in a Holy Month,Eid Mubarak Background,Night sky dark purple sky,cloudy with Waxing Crescent Moon.Concept for beginning of the month in the lunar Islamic calendar

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২০২৭ সালের পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি। দেশটির জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তবে রমজান শুরুর চূড়ান্ত তারিখ নির্ভর করবে চাঁদ দেখার ওপর। খবর গালফ নিউজের।ব্রেকিং নিউজ সতর্কতা

আমিরাত অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান এবং আরব ইউনিয়ন ফর অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড স্পেস সায়েন্সেসের সদস্য ইব্রাহিম আল জারওয়ান জানিয়েছেন, শনিবার সূর্যাস্তের পর নতুন চাঁদের জন্ম হবে।

‘আল খালিজ’ পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার সন্ধ্যায় খালি চোখে নতুন চাঁদ দেখা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে ১২ অক্টোবর থেকে হিজরি ১৪৪৮ সালের জমাদিউল আউয়াল মাস শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
জমাদিউল আউয়াল শুরু হলে রমজান আসতে বাকি থাকবে আর চারটি চান্দ্র মাস। জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি রমজান শুরু হতে পারে। তবে চাঁদ দেখার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার ওপরই চূড়ান্ত তারিখ নির্ভর করবে।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালের রমজান ২৯ অথবা ৩০ দিনের হতে পারে। সে হিসাবে ঈদুল ফিতর হতে পারে ৯ মার্চ অথবা ১০ মার্চ ।

আল জারওয়ান বলেন, ইসলামিক চন্দ্রবর্ষের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো বিশেষ কোনো যন্ত্রপাতি কিংবা জ্যোতির্বিজ্ঞানের জটিল হিসাব ছাড়াই চাঁদের অবস্থান পর্যবেক্ষণ করে মাসের অগ্রগতি বোঝা যায়।

চাঁদের আকৃতি ও দৃশ্যমান অবস্থার পরিবর্তন দেখে নতুন মাসের প্রথম চাঁদ, অর্ধচন্দ্র ও পূর্ণিমা শনাক্ত করা সম্ভব। এরপর চাঁদ ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে একসময় অদৃশ্য হয়ে যায়। চাঁদের এসব পর্যায় পর্যবেক্ষণ করেই চান্দ্র মাসের হিসাব রাখা যায়। ইসলামি বর্ষপঞ্জি মূলত এই চান্দ্র হিসাবের ওপর নির্ভরশীল।

এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন শারজাহ স্পেস অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোনমি হাব চাঁদ দেখার বিষয়ে ভিন্ন মূল্যায়ন দিয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব অনুযায়ী, ১১ অক্টোবর সূর্যাস্তের পর জমাদিউল আউয়ালের সূচনাকারী চাঁদ খালি চোখে কিংবা প্রচলিত টেলিস্কোপে দেখা যাবে না। তবে উন্নত অ্যাস্ট্রোফটোগ্রাফি প্রযুক্তি ব্যবহার করে সূর্যাস্তের আগেই চাঁদ শনাক্ত করা সম্ভব হতে পারে।

প্রতিষ্ঠানটির মতে, যেসব দেশ জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব অথবা হিসাবভিত্তিক পর্যবেক্ষণের ওপর নির্ভর করে, সেসব দেশে ১২ অক্টোবর সোমবার থেকে জমাদিউল আউয়াল শুরু হতে পারে।
অন্যদিকে যেসব দেশে সূর্যাস্তের পর খালি চোখে কিংবা অপটিক্যাল টেলিস্কোপে চাঁদ দেখা বাধ্যতামূলক, সেখানে মাসটি শুরু হতে পারে ১৩ অক্টোবর মঙ্গলবার।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

২০২৭ সালের রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানাল আরব আমিরাত

আপডেট সময়ঃ ১০:৩১:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২০২৭ সালের পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি। দেশটির জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তবে রমজান শুরুর চূড়ান্ত তারিখ নির্ভর করবে চাঁদ দেখার ওপর। খবর গালফ নিউজের।ব্রেকিং নিউজ সতর্কতা

আমিরাত অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান এবং আরব ইউনিয়ন ফর অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড স্পেস সায়েন্সেসের সদস্য ইব্রাহিম আল জারওয়ান জানিয়েছেন, শনিবার সূর্যাস্তের পর নতুন চাঁদের জন্ম হবে।

‘আল খালিজ’ পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার সন্ধ্যায় খালি চোখে নতুন চাঁদ দেখা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে ১২ অক্টোবর থেকে হিজরি ১৪৪৮ সালের জমাদিউল আউয়াল মাস শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
জমাদিউল আউয়াল শুরু হলে রমজান আসতে বাকি থাকবে আর চারটি চান্দ্র মাস। জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি রমজান শুরু হতে পারে। তবে চাঁদ দেখার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার ওপরই চূড়ান্ত তারিখ নির্ভর করবে।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালের রমজান ২৯ অথবা ৩০ দিনের হতে পারে। সে হিসাবে ঈদুল ফিতর হতে পারে ৯ মার্চ অথবা ১০ মার্চ ।

আল জারওয়ান বলেন, ইসলামিক চন্দ্রবর্ষের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো বিশেষ কোনো যন্ত্রপাতি কিংবা জ্যোতির্বিজ্ঞানের জটিল হিসাব ছাড়াই চাঁদের অবস্থান পর্যবেক্ষণ করে মাসের অগ্রগতি বোঝা যায়।

চাঁদের আকৃতি ও দৃশ্যমান অবস্থার পরিবর্তন দেখে নতুন মাসের প্রথম চাঁদ, অর্ধচন্দ্র ও পূর্ণিমা শনাক্ত করা সম্ভব। এরপর চাঁদ ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে একসময় অদৃশ্য হয়ে যায়। চাঁদের এসব পর্যায় পর্যবেক্ষণ করেই চান্দ্র মাসের হিসাব রাখা যায়। ইসলামি বর্ষপঞ্জি মূলত এই চান্দ্র হিসাবের ওপর নির্ভরশীল।

এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন শারজাহ স্পেস অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোনমি হাব চাঁদ দেখার বিষয়ে ভিন্ন মূল্যায়ন দিয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব অনুযায়ী, ১১ অক্টোবর সূর্যাস্তের পর জমাদিউল আউয়ালের সূচনাকারী চাঁদ খালি চোখে কিংবা প্রচলিত টেলিস্কোপে দেখা যাবে না। তবে উন্নত অ্যাস্ট্রোফটোগ্রাফি প্রযুক্তি ব্যবহার করে সূর্যাস্তের আগেই চাঁদ শনাক্ত করা সম্ভব হতে পারে।

প্রতিষ্ঠানটির মতে, যেসব দেশ জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব অথবা হিসাবভিত্তিক পর্যবেক্ষণের ওপর নির্ভর করে, সেসব দেশে ১২ অক্টোবর সোমবার থেকে জমাদিউল আউয়াল শুরু হতে পারে।
অন্যদিকে যেসব দেশে সূর্যাস্তের পর খালি চোখে কিংবা অপটিক্যাল টেলিস্কোপে চাঁদ দেখা বাধ্যতামূলক, সেখানে মাসটি শুরু হতে পারে ১৩ অক্টোবর মঙ্গলবার।