ঢাকা, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬ | ই-পেপার

কপ সম্মেলনকে সামনে রেখে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নতুন ‘ক্লাইমেট উইং’

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৫:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • / ১৩ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন (কপ) সামনে রেখে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নতুন ‘ক্লাইমেট উইং’ বা জলবায়ু শাখা চালু করা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নতুন এই শাখা ইতোমধ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ শুরু করেছে।

আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত এক জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভ’ আয়োজিত ‘বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে ঋণ টেকসইকরণ’ শীর্ষক এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে যেন সবাই একক ও সমন্বিত কণ্ঠে (ইউনিফাইড ভয়েস) কথা বলতে পারেন, সে লক্ষ্যেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক ও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

দেশের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জন এবং পরিবেশবান্ধব প্রবৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে শামা ওবায়েদ বলেন, সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। ২০৪০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে নিশ্চিত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে কাজ চলছে।

সংলাপে দেশের জ্বালানি খাতের অর্থনৈতিক ঝুঁকি কমানো, টেকসই অর্থায়ন নিশ্চিত করা এবং সবুজ জ্বালানিতে রূপান্তরের বিভিন্ন দিক নিয়ে অন্য বক্তারাও নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

কপ সম্মেলনকে সামনে রেখে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নতুন ‘ক্লাইমেট উইং’

আপডেট সময়ঃ ০৫:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

আসন্ন বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন (কপ) সামনে রেখে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নতুন ‘ক্লাইমেট উইং’ বা জলবায়ু শাখা চালু করা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নতুন এই শাখা ইতোমধ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ শুরু করেছে।

আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত এক জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভ’ আয়োজিত ‘বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে ঋণ টেকসইকরণ’ শীর্ষক এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে যেন সবাই একক ও সমন্বিত কণ্ঠে (ইউনিফাইড ভয়েস) কথা বলতে পারেন, সে লক্ষ্যেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক ও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

দেশের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জন এবং পরিবেশবান্ধব প্রবৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে শামা ওবায়েদ বলেন, সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। ২০৪০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে নিশ্চিত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে কাজ চলছে।

সংলাপে দেশের জ্বালানি খাতের অর্থনৈতিক ঝুঁকি কমানো, টেকসই অর্থায়ন নিশ্চিত করা এবং সবুজ জ্বালানিতে রূপান্তরের বিভিন্ন দিক নিয়ে অন্য বক্তারাও নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।