ঢাকা, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

বিচারপ্রার্থীরা ১০০ বছর পরও সাহাবুদ্দীনের রায়ের সুফল পাবেন: প্রধান বিচারপতি

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৭:২৮:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ মার্চ ২০২২
  • / ৩৮৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
এখন থেকে একশ বছর পরও বিচারপ্রার্থীরা সাবেক প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের রায়ের সুফল পাবেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। তিনি বলেন, পুরো জাঁতি বিশেষ করে বিচার অঙ্গনের সবাই তাকে (সাবেক প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ) মনে রাখবেন। আজ রোববার জাতীয় ঈদগাহ মাঠে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের দ্বিতীয় জানাজার আগে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধান বিচারপতি বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ ছিলেন আমাদের বিচার অঙ্গনের উজ্জ্বল নক্ষত্র। আমাদের স্বর্ণযুগের যে কয়েকজন বিচারপতিকে আমরা পেয়েছি তার মধ্যে সাহাবুদ্দীন আহমদ একজন। আজ আমরা তাকে বিদায় জানাচ্ছি। বিচার অঙ্গনে পদচারণাকারী সবার জন্য আজ শোকের দিন। হাসান ফয়েজ বলেন, যারা বিচার অঙ্গনে চলাফেরা করেন তারা জানেন বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের অবদান সম্পর্কে। তিনি বেঁচে থাকবেন তার দেওয়া রায়ের মাধ্যমে। সংবিধানের অষ্টম সংশোধনীসহ তার দেওয়া অনেকগুলো ঐতিহাসিক রায় রয়েছে। এখন থেকে ৫০-১০০ বছর পরও বিচারপ্রার্থীরা তার রায়ের সুফল পাবেন। পুরো জাঁতি বিশেষ করে বিচার অঙ্গনের সবাই তাকে মনে রাখবেন। জানাজা শেষে সাবেক এই রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতির কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে তার সামরিক সচিব ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এরপর প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি ও সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিরা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এরপর একে একে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়সহ ব্যক্তি পর্যায় থেকে কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। গত শনিবার বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে নেত্রকোণার কেন্দুয়ার পেমই গ্রামে সাহাবুদ্দীন আহমদের প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এদিন সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) সাহাবুদ্দীন আহমদ মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ফেব্রুয়ারিতে তাকে সিএমএইচে ভর্তি করা হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

​জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের-এর বাসভবনে কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্র সমাজ’ ​ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি-এর রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে একদল দুষ্কৃতকারী কর্তৃক হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। ​ কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হীন ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর এক চরম আঘাত। এটি স্পষ্টতই রাজনীতিকে সহিংস করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ​জাতীয় ছাত্র সমাজ স্পষ্টভাবে জানাতে চান, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যাবে না। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জিএম কাদের-এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক সাক্ষাৎকারে ​দাবি ও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন : ১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ​যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে জাতীয় ছাত্র সমাজ দেশের ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

৬

বিচারপ্রার্থীরা ১০০ বছর পরও সাহাবুদ্দীনের রায়ের সুফল পাবেন: প্রধান বিচারপতি

আপডেট সময়ঃ ০৭:২৮:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ মার্চ ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক :
এখন থেকে একশ বছর পরও বিচারপ্রার্থীরা সাবেক প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের রায়ের সুফল পাবেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। তিনি বলেন, পুরো জাঁতি বিশেষ করে বিচার অঙ্গনের সবাই তাকে (সাবেক প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ) মনে রাখবেন। আজ রোববার জাতীয় ঈদগাহ মাঠে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের দ্বিতীয় জানাজার আগে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধান বিচারপতি বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ ছিলেন আমাদের বিচার অঙ্গনের উজ্জ্বল নক্ষত্র। আমাদের স্বর্ণযুগের যে কয়েকজন বিচারপতিকে আমরা পেয়েছি তার মধ্যে সাহাবুদ্দীন আহমদ একজন। আজ আমরা তাকে বিদায় জানাচ্ছি। বিচার অঙ্গনে পদচারণাকারী সবার জন্য আজ শোকের দিন। হাসান ফয়েজ বলেন, যারা বিচার অঙ্গনে চলাফেরা করেন তারা জানেন বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের অবদান সম্পর্কে। তিনি বেঁচে থাকবেন তার দেওয়া রায়ের মাধ্যমে। সংবিধানের অষ্টম সংশোধনীসহ তার দেওয়া অনেকগুলো ঐতিহাসিক রায় রয়েছে। এখন থেকে ৫০-১০০ বছর পরও বিচারপ্রার্থীরা তার রায়ের সুফল পাবেন। পুরো জাঁতি বিশেষ করে বিচার অঙ্গনের সবাই তাকে মনে রাখবেন। জানাজা শেষে সাবেক এই রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতির কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে তার সামরিক সচিব ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এরপর প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি ও সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিরা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এরপর একে একে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়সহ ব্যক্তি পর্যায় থেকে কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। গত শনিবার বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে নেত্রকোণার কেন্দুয়ার পেমই গ্রামে সাহাবুদ্দীন আহমদের প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এদিন সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) সাহাবুদ্দীন আহমদ মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ফেব্রুয়ারিতে তাকে সিএমএইচে ভর্তি করা হয়।