ঢাকা, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

দুই বছরে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে অভিযুক্ত ২২৪৪ জন

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৯:০১:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২২
  • / ৫১৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে ২৬ মাসে মোট অভিযুক্ত হয়েছেন দুই হাজার ২৪৪ জন। মোট অভিযুক্ত আটক হয়েছেন ৮৪২ জন এবং মোট মামলার সংখ্যা ৮৯০টি। আজ শনিবার গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ওয়েবিনারে এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। ‘অন্তহীন দুঃস্বপ্ন- বাংলাদেশের ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট ২০১৮’ শীর্ষক এক ওয়েবিনারের আয়োজন করে সিজিএস। ওয়েবিনারে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ওপর একটি গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন গবেষণা কার্যক্রমের মুখ্য গবেষক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ডিস্টিংগুইসড প্রফেসর এবং সিজিএস’র উপদেষ্টাম-লীর সদস্য ড. আলী রীয়াজ। ওয়েবিনারে আলোচনায় অংশ নেন সাবেক নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)- এর সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর এবং আর্টিকেল নাইনটিন- এর বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক ফারুখ ফয়সল। গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করে গবেষণাটির মুখ্য গবেষক ড. আলী রীয়াজ বলেন, এ প্রতিবেদনটি ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সরকার অনুমোদিত প্রিন্ট এবং ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যম, অভিযুক্ত বা অভিযুক্তের পরিবার এবং তাদের নিকটজন, অভিযুক্তের আইনজীবী এবং থানা ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে করা। তিনি বলেন, এই গবেষণা প্রকল্পটি ন্যাশনাল এনডাউমেন্ট ফর ডেমোক্রেসির অর্থায়নে পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি- এই সময়ের মধ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে মোট অভিযুক্ত হয়েছেন ২ হাজার ২৪৪ জন, মোট আটক হয়েছেন ৮৪২ জন এবং মোট মামলার সংখ্যা ৮৯০টি। ২৬ মাসের গড় হচ্ছে প্রতিমাসে ৮৬ জনের বেশি অভিযুক্ত হন, গড়ে ৩২ জন আটক হন এবং গড়ে মামলা হয় ৩৪টির বেশি। ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের মার্চ পর্যন্ত অভিযুক্ত হয়েছেন ৯১৩ জন, আটক হয়েছেন ২৭৩ জন এবং মামলার সংখ্যা ৪২৬টি। মাসে গড়ে অভিযুক্ত হয়েছেন ৬০ দশমিক ৮৬ জন, আটক হয়েছেন ১৮ জন। ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অভিযুক্তের সংখ্যা ১ হাজার ৩৩১ জন, আটক হয়েছেন ৬০৯ জন এবং মামলার সংখ্যা ৪৬৪টি। মাসে গড়ে অভিযুক্ত হচ্ছেন ১৪৭ জন করে, আটক হচ্ছেন ৬৭ জন করে এবং মামলা হয় ৫১টির বেশি। অভিযুক্তদের পেশা সম্পর্কে তথ্য তুলে ধরে ড. আলী রীয়াজ বলেন, মোট পেশা পাওয়া গিয়েছে ৮২০ জনের। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পেশার মানুষ হচ্ছেন রাজনীতিবিদ (২৫৪ জন) এবং পরবর্তীতে আছেন সাংবাদিক (২০৭ জন)। অভিযুক্তদের বয়স বিবেচনায় উঠে আসে তরুণরাই এই মামলার দ্বারা সবচেয়ে বেশি হেনস্তার শিকার হন। ১৮ বছরের নিচে যাদের বয়স তাদেরও অভিযুক্ত করা হয়। আটকদের মধ্যে যাদের পেশা পাওয়া গিয়েছে সবচেয়ে বেশি আটক হয়েছেন রাজনীতিবিদরা (২৫.৪০ শতাংশ) এবং পরবর্তীতে আছেন সাংবাদিকরা (১৮.৭৩ শতাংশ)। আটকদের মধ্যে ছাত্রদের পরিমাণও উল্লেখযোগ্য হারে বেশি বলে তিনি গবেষণায় উল্লেখ করেন। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন- এর অধীনে সাংবাদিকদের অবস্থান তুলে ধরে ড. আলী রীয়াজ বলেন, এই আইনের আওতায় সবচেয়ে বেশি অভিযুক্ত এবং আটক হয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিকরা। তিনি বলেন, শিক্ষকরা এই আইনে অভিযুক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আটক হন। এমনকি সরকারি কর্মচারীরাও রয়েছেন ভুক্তভোগীর তালিকায়। এই আইনের অধীনে অভিযোগকারী কারা সেটি গবেষণার মাধ্যমে উঠে এসেছে। সবচেয়ে বেশি অভিযোগ করেন রাজনীতিবিদরা (৪০.৫৫ শতাংশ )। সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও মামলা করে থাকেন, যেমন- আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সরকারি কর্মকর্তা। সরকারের সমর্থন আছে এইরকম মামলার পরিমাণ ৩০ দশমিক ৩১ শতাংশ। ওয়েবিনারে সভাপতিত্ব করেন সিজিএস’র চেয়ারম্যান ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরী। ওয়েবিনার সঞ্চালনা করেন সিজিএস-এর নির্বাহী পরিচালক জিল্লুর রহমান।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

​জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের-এর বাসভবনে কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্র সমাজ’ ​ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি-এর রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে একদল দুষ্কৃতকারী কর্তৃক হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। ​ কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হীন ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর এক চরম আঘাত। এটি স্পষ্টতই রাজনীতিকে সহিংস করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ​জাতীয় ছাত্র সমাজ স্পষ্টভাবে জানাতে চান, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যাবে না। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জিএম কাদের-এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক সাক্ষাৎকারে ​দাবি ও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন : ১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ​যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে জাতীয় ছাত্র সমাজ দেশের ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

৬

দুই বছরে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে অভিযুক্ত ২২৪৪ জন

আপডেট সময়ঃ ০৯:০১:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক :
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে ২৬ মাসে মোট অভিযুক্ত হয়েছেন দুই হাজার ২৪৪ জন। মোট অভিযুক্ত আটক হয়েছেন ৮৪২ জন এবং মোট মামলার সংখ্যা ৮৯০টি। আজ শনিবার গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ওয়েবিনারে এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। ‘অন্তহীন দুঃস্বপ্ন- বাংলাদেশের ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট ২০১৮’ শীর্ষক এক ওয়েবিনারের আয়োজন করে সিজিএস। ওয়েবিনারে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ওপর একটি গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন গবেষণা কার্যক্রমের মুখ্য গবেষক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ডিস্টিংগুইসড প্রফেসর এবং সিজিএস’র উপদেষ্টাম-লীর সদস্য ড. আলী রীয়াজ। ওয়েবিনারে আলোচনায় অংশ নেন সাবেক নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)- এর সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর এবং আর্টিকেল নাইনটিন- এর বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক ফারুখ ফয়সল। গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করে গবেষণাটির মুখ্য গবেষক ড. আলী রীয়াজ বলেন, এ প্রতিবেদনটি ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সরকার অনুমোদিত প্রিন্ট এবং ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যম, অভিযুক্ত বা অভিযুক্তের পরিবার এবং তাদের নিকটজন, অভিযুক্তের আইনজীবী এবং থানা ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে করা। তিনি বলেন, এই গবেষণা প্রকল্পটি ন্যাশনাল এনডাউমেন্ট ফর ডেমোক্রেসির অর্থায়নে পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি- এই সময়ের মধ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে মোট অভিযুক্ত হয়েছেন ২ হাজার ২৪৪ জন, মোট আটক হয়েছেন ৮৪২ জন এবং মোট মামলার সংখ্যা ৮৯০টি। ২৬ মাসের গড় হচ্ছে প্রতিমাসে ৮৬ জনের বেশি অভিযুক্ত হন, গড়ে ৩২ জন আটক হন এবং গড়ে মামলা হয় ৩৪টির বেশি। ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের মার্চ পর্যন্ত অভিযুক্ত হয়েছেন ৯১৩ জন, আটক হয়েছেন ২৭৩ জন এবং মামলার সংখ্যা ৪২৬টি। মাসে গড়ে অভিযুক্ত হয়েছেন ৬০ দশমিক ৮৬ জন, আটক হয়েছেন ১৮ জন। ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অভিযুক্তের সংখ্যা ১ হাজার ৩৩১ জন, আটক হয়েছেন ৬০৯ জন এবং মামলার সংখ্যা ৪৬৪টি। মাসে গড়ে অভিযুক্ত হচ্ছেন ১৪৭ জন করে, আটক হচ্ছেন ৬৭ জন করে এবং মামলা হয় ৫১টির বেশি। অভিযুক্তদের পেশা সম্পর্কে তথ্য তুলে ধরে ড. আলী রীয়াজ বলেন, মোট পেশা পাওয়া গিয়েছে ৮২০ জনের। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পেশার মানুষ হচ্ছেন রাজনীতিবিদ (২৫৪ জন) এবং পরবর্তীতে আছেন সাংবাদিক (২০৭ জন)। অভিযুক্তদের বয়স বিবেচনায় উঠে আসে তরুণরাই এই মামলার দ্বারা সবচেয়ে বেশি হেনস্তার শিকার হন। ১৮ বছরের নিচে যাদের বয়স তাদেরও অভিযুক্ত করা হয়। আটকদের মধ্যে যাদের পেশা পাওয়া গিয়েছে সবচেয়ে বেশি আটক হয়েছেন রাজনীতিবিদরা (২৫.৪০ শতাংশ) এবং পরবর্তীতে আছেন সাংবাদিকরা (১৮.৭৩ শতাংশ)। আটকদের মধ্যে ছাত্রদের পরিমাণও উল্লেখযোগ্য হারে বেশি বলে তিনি গবেষণায় উল্লেখ করেন। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন- এর অধীনে সাংবাদিকদের অবস্থান তুলে ধরে ড. আলী রীয়াজ বলেন, এই আইনের আওতায় সবচেয়ে বেশি অভিযুক্ত এবং আটক হয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিকরা। তিনি বলেন, শিক্ষকরা এই আইনে অভিযুক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আটক হন। এমনকি সরকারি কর্মচারীরাও রয়েছেন ভুক্তভোগীর তালিকায়। এই আইনের অধীনে অভিযোগকারী কারা সেটি গবেষণার মাধ্যমে উঠে এসেছে। সবচেয়ে বেশি অভিযোগ করেন রাজনীতিবিদরা (৪০.৫৫ শতাংশ )। সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও মামলা করে থাকেন, যেমন- আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সরকারি কর্মকর্তা। সরকারের সমর্থন আছে এইরকম মামলার পরিমাণ ৩০ দশমিক ৩১ শতাংশ। ওয়েবিনারে সভাপতিত্ব করেন সিজিএস’র চেয়ারম্যান ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরী। ওয়েবিনার সঞ্চালনা করেন সিজিএস-এর নির্বাহী পরিচালক জিল্লুর রহমান।