গাইবান্ধায় প্রাথমিক শিক্ষার হ-য-ব-র-ল অবস্থা নিয়ন্ত্রনে ব্যর্থ কর্তাব্যক্তিরা
- আপডেট সময়ঃ ০৬:৪৫:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
- / ২৯ বার পড়া হয়েছে
নুরুল ইসলাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি :
গাইবান্ধা ৭ উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষার আমুল পরিবর্তনে সম্প্রতি যোগদানকৃত জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার লক্ষন কুমার দাস,আপ্রান প্রচেষ্টা চালালেও উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষা কর্তাদের অবজ্ঞা, অবহেলা আর দায়িত্ব পালনে অনীহার কারনে নিয়ন্ত্রনহীন হয়ে পড়েছে প্রাথমিক শিক্ষা ও প্রশাসনিক কাঠামো।
গত ১৫ এপ্রিল /২৬ ইং বিকাল ৩ টায় অনুসন্ধানে গিয়ে দেখা যায়,সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের অন্তর্গত কিশামত ধোপাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি বন্ধ। প্রতিষ্ঠানের নৈশ প্রহরীর স্ত্রী ও এলাকাবাসী জানান,শিক্ষকরা জাতীয় পতাকা নামিয়ে স্কুল বন্ধ করে চলে গেছেন। নির্ধারিত সময়ের আগে কেন ছুটি দেয়া হয়েছে জানতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে জিজ্ঞাসা করলে তিনি তাচ্ছিল্য করে বলেন-পত্রিকায় লেখেন।উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মুকুল চন্দ্র আইনী ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।
সুত্রে জানা গেছে, গাইবান্ধার ৭ উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা “সরকারি নির্দেশনা /প্রজ্ঞাপন ও চাকুরী আচরন বিধিমালা অনুসরন করছেন না। জাতীয় দিবস ও সরকার ঘোষিত পরিপত্র এবং জাতীয় পতাকার অবমাননা সংক্রান্ত অহরহ অভিযোগসহ নির্ধারিত সময়ে আগমন/প্রস্থান না করে প্রতিষ্ঠান ছুটি দেয়ার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও তার অধীন্যস্ত কর্মকর্তাদের দ্বারস্থ হয়েও মিলছেনা কোন প্রতিকার। এমতাবস্থায় সম্প্রতি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হিসাবে যোগদান করেন- লক্ষন কুমার দাস।শিক্ষা ব্যবস্থার আমুল পরিবর্তনে সরকারি পদক্ষেপ সমুহ বাস্তবায়নে তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। চুষে বেড়াচ্ছেন একের পর এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।তার দিক নির্দেশনা গুলি ঠিকমত মানছেন না অধীন্যস্ত কর্মকর্তারা। ফলে ভেঙ্গে পড়েছে শিক্ষা ব্যবস্থা। সমাজের বিজ্ঞজন ও ভুক্তভোগী মহলের প্রশ্ন,,,,জাতী আদৌ কি পরিত্রাণ পাবে-এই ভঙ্গুর শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে।

















