ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফকল্যান্ডের মালিকানা দাবি করল আর্জেন্টিনা
- আপডেট সময়ঃ ০৪:০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
- / ৩৭ বার পড়া হয়েছে
বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচ শেষের একদম শেষ মুহূর্তে জিতেছে তারা। এই জয়ের পর মাঠেই দর্শকদের সামনে উৎসব করেছেন আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা। উৎসবের সময় তাদের হাতে ছিল একটি বিশেষ পতাকা। এই পতাকা মালভিনাস দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে আর্জেন্টিনার পুরনো দাবির কথা মনে করিয়ে দেয়।
ইংলিশ খেলোয়াড়রা যখন মাঠ ছাড়ছিলেন, তখনও তারা এই হারের ধাক্কা সামলাতে পারছিলেন না। ঠিক সেই সময় আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা মাঠের অন্য প্রান্তে যান। সেখানে নিজেদের দর্শকদের সঙ্গে উৎসব করেন তারা।
সেখানেই লিসান্দ্রো মার্তিনেস এবং জিওভানি লো সেলসো একটি পতাকা নিয়ে হাজির হন। পতাকায় লেখা ছিল, ‘লাস মালভিনাস সন আর্জেন্তিনাস’, অর্থাৎ ‘মালভিনাস বা ফকল্যান্ড আর্জেন্টিনার’। এই দাবি অনেক পুরনো। ১৯৮২ সালে এই দ্বীপপুঞ্জ নিয়েই আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যে যুদ্ধ হয়েছিল।
ম্যাচের আগে অনেকেই বলেছিলেন, এটা শুধু একটা ফুটবল ম্যাচ, কোনো যুদ্ধ নয়। তবে খেলোয়াড়দের আচরণে বোঝা গেছে, বিষয়টি তাদের মাথায় ছিল। এমনকি মালভিনাস যুদ্ধের সাবেক সেনারাও এই নিয়ে কথা বলেছেন।
‘২ এপ্রিল যুদ্ধ-ফেরত সংগঠন’ এক বার্তায় বলেছে, এই ম্যাচকে যেন ‘প্রতিশোধ’ হিসেবে না দেখা হয়। বরং এটাকে ‘বিশ্বকে মালভিনাসের কথা মনে করিয়ে দেওয়ার একটা সেতু’ হিসেবে ব্যবহার করা উচিত। তাদের মতে, মালভিনাস নিয়ে আর্জেন্টিনার দাবি এখনও শেষ হয়ে যায়নি।
পতাকাটি তখনও আটলান্টার মাঠে পড়ে ছিল। ঠিক তখনই দর্শকরা চিৎকার করে বলতে থাকেন, ‘রোববার, যা-ই হোক না কেন, আমাদের জিততেই হবে’। মাঠে খেলোয়াড়রা তখন আনন্দে মেতে ছিলেন। গ্যালারিতে পরিবারগুলোও উৎসব করছিল। আর বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের এই উৎসব নিশ্চয়ই খেয়াল করছিল ফাইনালের অপর প্রতিপক্ষ দল স্পেন, রোববার রাতে হবে সেই লড়াই।






















