ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

‘আয়েশি’ বিচারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: আইনমন্ত্রী

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০২:৪৪:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১০ বার পড়া হয়েছে

বিচারকদের উদ্দেশে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘কোনো কোনো জায়গায় এমন অভিযোগ আছে, কেউ কেউ দুই-তিন ঘণ্টা কোর্ট করেন। বেলা ১১টায় আসেন, দেড়টা-দুটোর মধ্যে কাজ শেষ করে চলে যান। যদি এমন আয়েশি জুডিসিয়াল অফিসার কেউ থেকে থাকেন, আমরা অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। তাদের এমন জায়গায় পদায়ন করা হবে, যেখানে আয়েশ করে চাকরি করা যাবে।’

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকায় ই-পারিবারিক আপিল আদালত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে ৪৬ লাখের উপরে মামলা পেন্ডিং (বিচারাধীন) রয়েছে। এই বিশাল সংখ্যক মামলা নিষ্পত্তি করতে গিয়ে বিচারকদের ওপর অমানবিক চাপ পড়ে। এই চাপ কমানোর জন্য আমরা কাজ করছি। ন্যায় বিচারের ক্ষেত্রটাকে মানুষের আস্থা, বিশ্বাস ও ভরসার জায়গায় নিয়ে যেতে চাই।’

তরুণ বিচারকরা অনেক বেশি স্মার্ট উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ন্যায় বিচারের জায়গাটাকে যদি সত্যিকার অর্থে মানুষের আস্থা ও ভরসার জায়গায় পরিণত করতে হয়, তাহলে আমাদের যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবং ডিজিটাল সেক্টর। এআইকে মোকাবিলা করতে হলে, ডিজিটাল সেক্টরে আমাদের আরও বেশি পারদর্শী হতে হবে। বিশেষ করে আমাদের তরুণ বিচারকরা অনেক বেশি স্মার্ট। আমি বিশ্বাস করি, তারা এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করবে এবং এআইকে সামনে নিয়ে যাবে।

আসাদুজ্জামান বলেছেন, আমরা ইতোমধ্যেই ই-বেইল বন্ড চালু করেছি এবং এটার সুফল জনগণ পাওয়া শুরু করেছে। আমাদের একটা আইন আছে, সেটা হলো ডিজিটালি সাক্ষ্য নেওয়া এবং ডিজিটালি হাজিরা দেওয়া। আমরা চিন্তা করছি, এটাকেও কিভাবে ডিজিটালি আনা যায়। ইতোমধ্যেই আমাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে কোনো কোনো আসামির ক্ষেত্রে ডিজিটাল হাজিরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওনারা হাজিরা দেবেন, ধার্য তারিখে কারাগারে থাকবেন। ওখান থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তাকে হাজির করে কনফার্ম করছেন, আদালত তার ডিজিটাল হাজিরা কনফার্ম করে নিচ্ছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

‘আয়েশি’ বিচারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: আইনমন্ত্রী

আপডেট সময়ঃ ০২:৪৪:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

বিচারকদের উদ্দেশে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘কোনো কোনো জায়গায় এমন অভিযোগ আছে, কেউ কেউ দুই-তিন ঘণ্টা কোর্ট করেন। বেলা ১১টায় আসেন, দেড়টা-দুটোর মধ্যে কাজ শেষ করে চলে যান। যদি এমন আয়েশি জুডিসিয়াল অফিসার কেউ থেকে থাকেন, আমরা অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। তাদের এমন জায়গায় পদায়ন করা হবে, যেখানে আয়েশ করে চাকরি করা যাবে।’

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকায় ই-পারিবারিক আপিল আদালত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে ৪৬ লাখের উপরে মামলা পেন্ডিং (বিচারাধীন) রয়েছে। এই বিশাল সংখ্যক মামলা নিষ্পত্তি করতে গিয়ে বিচারকদের ওপর অমানবিক চাপ পড়ে। এই চাপ কমানোর জন্য আমরা কাজ করছি। ন্যায় বিচারের ক্ষেত্রটাকে মানুষের আস্থা, বিশ্বাস ও ভরসার জায়গায় নিয়ে যেতে চাই।’

তরুণ বিচারকরা অনেক বেশি স্মার্ট উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ন্যায় বিচারের জায়গাটাকে যদি সত্যিকার অর্থে মানুষের আস্থা ও ভরসার জায়গায় পরিণত করতে হয়, তাহলে আমাদের যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবং ডিজিটাল সেক্টর। এআইকে মোকাবিলা করতে হলে, ডিজিটাল সেক্টরে আমাদের আরও বেশি পারদর্শী হতে হবে। বিশেষ করে আমাদের তরুণ বিচারকরা অনেক বেশি স্মার্ট। আমি বিশ্বাস করি, তারা এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করবে এবং এআইকে সামনে নিয়ে যাবে।

আসাদুজ্জামান বলেছেন, আমরা ইতোমধ্যেই ই-বেইল বন্ড চালু করেছি এবং এটার সুফল জনগণ পাওয়া শুরু করেছে। আমাদের একটা আইন আছে, সেটা হলো ডিজিটালি সাক্ষ্য নেওয়া এবং ডিজিটালি হাজিরা দেওয়া। আমরা চিন্তা করছি, এটাকেও কিভাবে ডিজিটালি আনা যায়। ইতোমধ্যেই আমাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে কোনো কোনো আসামির ক্ষেত্রে ডিজিটাল হাজিরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওনারা হাজিরা দেবেন, ধার্য তারিখে কারাগারে থাকবেন। ওখান থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তাকে হাজির করে কনফার্ম করছেন, আদালত তার ডিজিটাল হাজিরা কনফার্ম করে নিচ্ছেন।