ঢাকা, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

‘আপনার বাংলাদেশি বোন দিল্লিতে বসে আছে’, মোদিকে কড়া জবাব ওয়াইসির

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময়ঃ ০৫:৩৫:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ৪২১ বার পড়া হয়েছে

‘বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারী’ নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক মন্তব্যের কড়া জবাব দিয়েছেন অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন-এর প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি।

এক নির্বাচনী সভায় মোদি কংগ্রেস এবং রাষ্ট্রীয় জনতা দলের বিরুদ্ধে বিহারে অনুপ্রবেশকারীদের সহায়তা করার অভিযোগ তোলেন। এর পাল্টা জবাবে ওয়াইসি বলেন, বিহার ও সীমান্ত এলাকায় কোনো বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী নেই। বরং তিনি কটাক্ষ করে বলেন, “মোদিজি, আপনার এক ‘বাংলাদেশি বোন’ তো এখন দিল্লিতে বসে আছেন! আগে তাকেই বাংলাদেশে ফেরত পাঠান, দরকার হলে আমরাই তাকে পৌঁছে দেব।”

ওয়াইসির এই মন্তব্যের ইঙ্গিত ছিল বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিকে, যিনি ৫ আগস্ট ২০২৪-এ ব্যাপক জনরোষের মুখে ভারতে পালিয়ে যান এবং এখন দিল্লিতে অবস্থান করছেন।

এই মন্তব্য এসেছে এমন এক সময়ে, যখন বিজেপি বিহারের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে প্রচারণা জোরদার করেছে। বিশেষ করে মুসলিম-অধ্যুষিত সীমান্ত অঞ্চলে এই ইস্যুতে উত্তেজনা বাড়ানো হচ্ছে। ইতিমধ্যেই সরকার বিভিন্ন জায়গায় অবৈধ বাংলাদেশিদের শনাক্ত করতে অভিযান শুরু করেছে।

প্রধানমন্ত্রী মোদি একাধিকবার, এমনকি স্বাধীনতা দিবসের ভাষণেও, এই অনুপ্রবেশের ইস্যু উত্থাপন করেছেন এবং দাবি করেছেন যে, এর ফলে দেশের জনসংখ্যা ভারসাম্যে সমস্যা তৈরি হচ্ছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

​জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের-এর বাসভবনে কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্র সমাজ’ ​ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি-এর রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে একদল দুষ্কৃতকারী কর্তৃক হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। ​ কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হীন ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর এক চরম আঘাত। এটি স্পষ্টতই রাজনীতিকে সহিংস করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ​জাতীয় ছাত্র সমাজ স্পষ্টভাবে জানাতে চান, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যাবে না। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জিএম কাদের-এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক সাক্ষাৎকারে ​দাবি ও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন : ১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ​যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে জাতীয় ছাত্র সমাজ দেশের ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

৬

‘আপনার বাংলাদেশি বোন দিল্লিতে বসে আছে’, মোদিকে কড়া জবাব ওয়াইসির

আপডেট সময়ঃ ০৫:৩৫:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

‘বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারী’ নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক মন্তব্যের কড়া জবাব দিয়েছেন অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন-এর প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি।

এক নির্বাচনী সভায় মোদি কংগ্রেস এবং রাষ্ট্রীয় জনতা দলের বিরুদ্ধে বিহারে অনুপ্রবেশকারীদের সহায়তা করার অভিযোগ তোলেন। এর পাল্টা জবাবে ওয়াইসি বলেন, বিহার ও সীমান্ত এলাকায় কোনো বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী নেই। বরং তিনি কটাক্ষ করে বলেন, “মোদিজি, আপনার এক ‘বাংলাদেশি বোন’ তো এখন দিল্লিতে বসে আছেন! আগে তাকেই বাংলাদেশে ফেরত পাঠান, দরকার হলে আমরাই তাকে পৌঁছে দেব।”

ওয়াইসির এই মন্তব্যের ইঙ্গিত ছিল বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিকে, যিনি ৫ আগস্ট ২০২৪-এ ব্যাপক জনরোষের মুখে ভারতে পালিয়ে যান এবং এখন দিল্লিতে অবস্থান করছেন।

এই মন্তব্য এসেছে এমন এক সময়ে, যখন বিজেপি বিহারের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে প্রচারণা জোরদার করেছে। বিশেষ করে মুসলিম-অধ্যুষিত সীমান্ত অঞ্চলে এই ইস্যুতে উত্তেজনা বাড়ানো হচ্ছে। ইতিমধ্যেই সরকার বিভিন্ন জায়গায় অবৈধ বাংলাদেশিদের শনাক্ত করতে অভিযান শুরু করেছে।

প্রধানমন্ত্রী মোদি একাধিকবার, এমনকি স্বাধীনতা দিবসের ভাষণেও, এই অনুপ্রবেশের ইস্যু উত্থাপন করেছেন এবং দাবি করেছেন যে, এর ফলে দেশের জনসংখ্যা ভারসাম্যে সমস্যা তৈরি হচ্ছে।