ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

চট্টগ্রাম ইপিজেডে পোশাক কারখানায় ভয়াবহ আগুন

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময়ঃ ০৬:১৪:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫
  • / ৩৪০ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (সিইপিজেড) ৫নং রোডের অ্যাডামস ক্যাপ নামে এই পোশাক কারখানায় লাগা আগুনের ভয়াবহতা বেড়েছে। সাততলায় লাগা আগুন এখন পাঁচতলায় ছড়িয়ে পড়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিট।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর দুইটার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের সুত্রপাত হয়। তবে এতে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

অ্যাডামস ক্যাপ নামের এই কারখানায় তােয়ালেসহ হাসপাতালে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি তৈরি হয়।

সিইপিজেড এলাকার এক শ্রমিক জানান, ৫নং রোডের এই কারখানায় আগুন লাগলে অন্য কারখানার শ্রমিকরাও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। সবাই কাজ বন্ধ করে রাস্তা নেমে আসেন।

ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক জসিম উদ্দিন খবরের কাগজকে বলেন, ২টা ১০ মিনিটে আমরা খবর পেয়ে প্রথমে ৪টি ইউনিট কাজ শুরু করে। পরে আরও ১১টি ইউনিট যুক্ত হয়। বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন কর্মীরা। ভবনের উপরের তলায় আগুন লাগার কারণে নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হচ্ছে। আগুন সাততলা থেকে পাঁচতলায় ছড়িয়ে পড়েছে।

চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের নির্বাহী পরিচালক মো. আবদুস সোবহান বলেন, সাততলায় ওয়্যারহাউজ ছিল। সেখানে শ্রমিক ছিল না। তিন এবং চারতলায় পোশাক কারখানা ছিল। আগুনের খবর পাওয়ার পর সবাই নিরাপদে নেমে এসেছেন।

কোনো হতাহতের খবর তিনি পাননি বলে জানান।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

​জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের-এর বাসভবনে কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্র সমাজ’ ​ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি-এর রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে একদল দুষ্কৃতকারী কর্তৃক হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। ​ কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হীন ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর এক চরম আঘাত। এটি স্পষ্টতই রাজনীতিকে সহিংস করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ​জাতীয় ছাত্র সমাজ স্পষ্টভাবে জানাতে চান, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যাবে না। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জিএম কাদের-এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক সাক্ষাৎকারে ​দাবি ও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন : ১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ​যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে জাতীয় ছাত্র সমাজ দেশের ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

৬

চট্টগ্রাম ইপিজেডে পোশাক কারখানায় ভয়াবহ আগুন

আপডেট সময়ঃ ০৬:১৪:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (সিইপিজেড) ৫নং রোডের অ্যাডামস ক্যাপ নামে এই পোশাক কারখানায় লাগা আগুনের ভয়াবহতা বেড়েছে। সাততলায় লাগা আগুন এখন পাঁচতলায় ছড়িয়ে পড়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিট।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর দুইটার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের সুত্রপাত হয়। তবে এতে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

অ্যাডামস ক্যাপ নামের এই কারখানায় তােয়ালেসহ হাসপাতালে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি তৈরি হয়।

সিইপিজেড এলাকার এক শ্রমিক জানান, ৫নং রোডের এই কারখানায় আগুন লাগলে অন্য কারখানার শ্রমিকরাও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। সবাই কাজ বন্ধ করে রাস্তা নেমে আসেন।

ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক জসিম উদ্দিন খবরের কাগজকে বলেন, ২টা ১০ মিনিটে আমরা খবর পেয়ে প্রথমে ৪টি ইউনিট কাজ শুরু করে। পরে আরও ১১টি ইউনিট যুক্ত হয়। বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন কর্মীরা। ভবনের উপরের তলায় আগুন লাগার কারণে নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হচ্ছে। আগুন সাততলা থেকে পাঁচতলায় ছড়িয়ে পড়েছে।

চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের নির্বাহী পরিচালক মো. আবদুস সোবহান বলেন, সাততলায় ওয়্যারহাউজ ছিল। সেখানে শ্রমিক ছিল না। তিন এবং চারতলায় পোশাক কারখানা ছিল। আগুনের খবর পাওয়ার পর সবাই নিরাপদে নেমে এসেছেন।

কোনো হতাহতের খবর তিনি পাননি বলে জানান।