ঢাকা, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

নির্বাচন এলে যারা টুপি, তসবিহ নিয়ে ঘুরে তারাই ধর্মকে ব্যবহার করে: জামায়াত আমির

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময়ঃ ০৫:২৭:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ২০৬ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সোমবার দুপুরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ঢাকাস্থ দূতাবাসে ৮ দেশের দূতদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে বললেন, জামায়াত ধর্মের ব্যবহার করে না, “ধর্মকে নিয়ে ব্যবসা করে না। নির্বাচনের সময় যারা বেশি বেশি নতুন করে নামাজ শুরু করেন, টুপি পরেন, তসবিহ হাতে নিয়ে ঘুরেন, ধর্মকে তারাই সম্ভবত ব্যবহার করে।”

ডা. শফিকুর রহমান ৮ দেশের রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে বলেন, “আমরা সকাল ১১টায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের অ্যাম্বাসেডরের দাওয়াতে এখানে এসেছিলাম। যেখানে ৮ দেশের রাষ্ট্রদূত ও তাদের সহযোগীরাও ছিলেন। তারা মূলত বাংলাদেশের বর্তমান পরিবেশ-পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন। আমাদের কাছ থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানতে চেয়েছেন। নির্বাচনের জন্য আমাদের প্রস্তুতি কেমন, সেটিও তারা জানতে চেয়েছেন।”

জামায়াতে আমির বলেন, “জাতীয় নির্বাচন পেছানো জামায়াতের কাম্য না। কোনো কারণে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন পেছালে দেশ গভীর সংকটে পড়বে।”

নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং একই দিনে নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে রাষ্ট্রদূতরা কোনো শঙ্কা প্রকাশ করেছে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তারা জানতে চেয়েছেন একই দিনে যদি সাধারণ নির্বাচন এবং রেফারেন্ডাম (গণভোট) হয় সেখানে কোনো প্রবলেম (সমস্যা) হবে কিনা। আমরা বলেছি, আমাদের দেশের মানুষ ততটা এখনো কনসাস (অবগত) না। এজন্য একই দিনে দু’টি নির্বাচন হলে দু’টি নির্বাচনই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা আছে।

এছাড়াও সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে (পিআর) নির্বাচন, রোহিঙ্গা সংকটসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান জামায়াত আমির।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

​জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের-এর বাসভবনে কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্র সমাজ’ ​ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি-এর রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে একদল দুষ্কৃতকারী কর্তৃক হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। ​ কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হীন ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর এক চরম আঘাত। এটি স্পষ্টতই রাজনীতিকে সহিংস করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ​জাতীয় ছাত্র সমাজ স্পষ্টভাবে জানাতে চান, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যাবে না। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জিএম কাদের-এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক সাক্ষাৎকারে ​দাবি ও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন : ১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ​যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে জাতীয় ছাত্র সমাজ দেশের ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

৬

নির্বাচন এলে যারা টুপি, তসবিহ নিয়ে ঘুরে তারাই ধর্মকে ব্যবহার করে: জামায়াত আমির

আপডেট সময়ঃ ০৫:২৭:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সোমবার দুপুরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ঢাকাস্থ দূতাবাসে ৮ দেশের দূতদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে বললেন, জামায়াত ধর্মের ব্যবহার করে না, “ধর্মকে নিয়ে ব্যবসা করে না। নির্বাচনের সময় যারা বেশি বেশি নতুন করে নামাজ শুরু করেন, টুপি পরেন, তসবিহ হাতে নিয়ে ঘুরেন, ধর্মকে তারাই সম্ভবত ব্যবহার করে।”

ডা. শফিকুর রহমান ৮ দেশের রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে বলেন, “আমরা সকাল ১১টায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের অ্যাম্বাসেডরের দাওয়াতে এখানে এসেছিলাম। যেখানে ৮ দেশের রাষ্ট্রদূত ও তাদের সহযোগীরাও ছিলেন। তারা মূলত বাংলাদেশের বর্তমান পরিবেশ-পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন। আমাদের কাছ থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানতে চেয়েছেন। নির্বাচনের জন্য আমাদের প্রস্তুতি কেমন, সেটিও তারা জানতে চেয়েছেন।”

জামায়াতে আমির বলেন, “জাতীয় নির্বাচন পেছানো জামায়াতের কাম্য না। কোনো কারণে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন পেছালে দেশ গভীর সংকটে পড়বে।”

নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং একই দিনে নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে রাষ্ট্রদূতরা কোনো শঙ্কা প্রকাশ করেছে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তারা জানতে চেয়েছেন একই দিনে যদি সাধারণ নির্বাচন এবং রেফারেন্ডাম (গণভোট) হয় সেখানে কোনো প্রবলেম (সমস্যা) হবে কিনা। আমরা বলেছি, আমাদের দেশের মানুষ ততটা এখনো কনসাস (অবগত) না। এজন্য একই দিনে দু’টি নির্বাচন হলে দু’টি নির্বাচনই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা আছে।

এছাড়াও সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে (পিআর) নির্বাচন, রোহিঙ্গা সংকটসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান জামায়াত আমির।