ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬ | ই-পেপার

বাংলাদেশ কারও কথার অধীনে থাকবে না: লন্ডনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • / ১০৫ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ আর কারও কথার অধীনে থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ তার নিজের ইচ্ছায় চলবে।

সোমবার (৯ মার্চ) যুক্তরাজ্যের পূর্ব লন্ডনের অট্রিয়াম হলে বিএনপি আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এ কথা বলেন।

ফ্যাসিবাদী আমলে পররাষ্ট্রনীতি অন্য একটি দেশের কাছে বন্ধক দেওয়া হয়েছিল উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির সবচেয়ে বড় প্রতিশ্রুতি এটিই। তারেক রহমান পরিষ্কারভাবে বলেছেন, সবার সঙ্গে বাংলাদেশ।

পররাষ্ট্রনীতিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা, বাংলাদেশের স্বার্থ ও মর্যাদা—এগুলো সবচেয়ে বড় নীতি বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

খলিলুর রহমান বলেন, এই নীতিগুলো শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির সবচেয়ে বড় ফিচার ছিল। সেই সময়ে আমি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জয়েন করেছিলাম। সেটা ছিল আমাদের পররাষ্ট্রনীতির সোনালি সময়। আমরা সেই জায়গাতে ফিরে যাচ্ছি।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতায় চার বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন বলেও জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ কারও কথার অধীনে থাকবে না: লন্ডনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশ আর কারও কথার অধীনে থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ তার নিজের ইচ্ছায় চলবে।

সোমবার (৯ মার্চ) যুক্তরাজ্যের পূর্ব লন্ডনের অট্রিয়াম হলে বিএনপি আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এ কথা বলেন।

ফ্যাসিবাদী আমলে পররাষ্ট্রনীতি অন্য একটি দেশের কাছে বন্ধক দেওয়া হয়েছিল উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির সবচেয়ে বড় প্রতিশ্রুতি এটিই। তারেক রহমান পরিষ্কারভাবে বলেছেন, সবার সঙ্গে বাংলাদেশ।

পররাষ্ট্রনীতিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা, বাংলাদেশের স্বার্থ ও মর্যাদা—এগুলো সবচেয়ে বড় নীতি বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

খলিলুর রহমান বলেন, এই নীতিগুলো শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির সবচেয়ে বড় ফিচার ছিল। সেই সময়ে আমি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জয়েন করেছিলাম। সেটা ছিল আমাদের পররাষ্ট্রনীতির সোনালি সময়। আমরা সেই জায়গাতে ফিরে যাচ্ছি।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতায় চার বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন বলেও জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।