দেশে এখন নৈরাজ্য নেই, অন্তর্বর্তী সময়ের চেয়ে অবস্থা ভালো: তথ্য উপদেষ্টা
- আপডেট সময়ঃ ০২:৩০:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৩৪ বার পড়া হয়েছে
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের তুলনায় বর্তমানে নৈরাজ্য কমে এসেছে বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, বর্তমানে আগের তুলনায় সহিংসতা অনেকটাই কমে এসেছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় সরকারের অগ্রগতি, কার্যক্রম ও সমসাময়িক ইস্যুতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, এই সরকার পুলিশ বাহিনীকে যে পরিস্থিতির মধ্যে পেয়েছে, সেটাকে বিবেচনায় নিয়ে আমি বলছি যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন। বাহিনী চেষ্টা করছে। তারা ভালো কাজ করছেন বলে আমরা মনে করি।
তবে এখনো কিছু ঘটনা ঘটছে বা কারো কারো দায়িত্ব অবহেলা রয়েছে বলে স্বীকার করেন তিনি। বলেন, যেখানে যেখানে ঘটনা ঘটছে, সেখানে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের চেয়ে বর্তমানে অপরাধের সংখ্যা কম বলে দাবি করেন ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের সঙ্গে তুলনা করছি।
কারণ হলো, ধ্বংসপ্রাপ্ত বা বিধ্বস্ত পুলিশ আমরা ৫ আগস্টের পর থেকে দেখছি।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এক নৈরাজ্য ছিল জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, আগে অ্যানার্কি মনে হতো। ধরুন দুটো লিডিং পত্রিকায় ঘোষণা দিয়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া যাবে, ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। একটা নিষ্ক্রিয় বাহিনী কিছুই করার চেষ্টা করেনি। কোনো পত্রিকার মতাদর্শ নিয়ে কারো দ্বিমত থাকতে পারে।
কিন্তু ঘোষণা দিয়ে কাজটা করলেন, আমরা নিষ্ক্রিয়তা দেখেছি।
তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আমরা মাজার ভাঙতে দেখেছি। ফুটবল খেলা যাবে না। ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, প্রকাশ্যে যে এখানে ফুটবল খেলা যাবে না। কোথাও নাটক মেলা অসংখ্য বন্ধ হয়েছে।
বর্তমান সরকারের সময়েও কিছু নৈরাজ্য হয়েছে স্বীকার করে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, এই সময় দুই-তিনটা ঘটনা ঘটেছে। এটা ঘটাও উচিত হয়নি। কিন্তু আমি বলছি, ওটার (অন্তর্বর্তী সরকার) সঙ্গে যদি তুলনা করি, মাচ বেটার ডিসিশন।
এলপিজি আমদানিকারক ও অপারেটদের বরাত দিয়ে ব্রিফিংয়ে তথ্য উপদেষ্টা জানান, দেশে এলপি গ্যাসের কোনো সংকট নেই। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক শক্তির সহযোগিতা চুক্তি, শান্তিপূর্ণ উপায়ে ব্যবহারে এগিয়ে যাবে।’
সাইবার সুরক্ষা আইন তৈরি হলে অপতথ্য অনেকটাই কমে আসবে বলে সরকার আশাবাদী বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা।



















