ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা নেই: ইসি
- আপডেট সময়ঃ ০১:২২:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৬ বার পড়া হয়েছে

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি জানান, জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে। তাই অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আজ বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে উপনির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
নির্বাচনের সার্বিক পরিবেশ ও প্রস্তুতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে সানাউল্লাহ বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করছে কমিশন। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনার জানান, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং সেগুলোর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র্যাব ও আনসার সদস্যদের শরীরে সংযুক্ত ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে। যেকোনো পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতিও রয়েছে।
নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অভিযোগ তদন্ত ও নিষ্পত্তির জন্য ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। এখন পর্যন্ত পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে। বাকি দুটি অভিযোগ তদন্তাধীন রয়েছে।
নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে সানাউল্লাহ বলেন, ভোট শেষে ঠাকুরগাঁওবাসী একটি সুন্দর পরিবেশে নিরপেক্ষ নির্বাচনের অভিজ্ঞতা নিয়ে গর্বিত বোধ করবেন।
মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করা এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা বাস্তবায়নে ভিজিল্যান্স ও পর্যবেক্ষণ দলের কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়।
এ সময় স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি এবং নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



















