ঢাকা, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

বিরোধী দল রাজপথে আবারও নাটক শুরু করেছে: রিজভী

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০২:১২:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৯ বার পড়া হয়েছে

নিজেদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও ব্যর্থতা আড়াল করতেই বিরোধী দলগুলো রাজপথে আন্দোলনের নামে নতুন নাটক শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি অভিযোগ করেন, দেশ যখন বিভিন্ন সংকট মোকাবিলা করছে, তখন গঠনমূলক ভূমিকা পালনের পরিবর্তে বিরোধীরা জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে দেশজুড়ে আওয়ামী লীগের পরিকল্পিত নৈরাজ্য ও চক্রান্তের প্রতিবাদে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয়তাবাদী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (জেটেব) এ সমাবেশের আয়োজন করে।

বক্তব্যে রিজভী বলেন, সংবাদপত্র খুললেই বিরোধী দলগুলোর ‘নাই নাই’ জিকির চোখে পড়ে। দেশের উন্নয়ন ও জনকল্যাণের বিষয়ে তাদের কোনো মনোযোগ নেই। নিজেদের দলীয় কোন্দল ও ব্যর্থতা ঢাকতে তারা রাজপথে নামার অজুহাত খুঁজছে এবং বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে নাটক মঞ্চস্থ করছে।

স্বৈরাচারী শাসনের পরিণতি তুলে ধরে বিএনপির এই নেতা বলেন, অন্যায় ও অপশাসন চালিয়ে কোনো শাসকের পক্ষেই শেষ পর্যন্ত টিকে থাকা সম্ভব নয়। ইতিহাসে দেখা গেছে, জনগণ রাজপথে জেগে উঠলে অপরাধী শাসকদের পালিয়ে যেতে হয়। বাংলাদেশেও জোর করে ক্ষমতা আঁকড়ে রাখা স্বৈরাচারী শক্তিকে শেষ পর্যন্ত পালাতে হয়েছে।

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও উৎসবের পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়েও কথা বলেন রিজভী। তিনি জানান, সর্বোচ্চ নিরাপত্তা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন নিশ্চিত করতে বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে নির্বিঘ্নে পূজা পালন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে সারা দেশে দলের নেতাকর্মীরা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন।

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না। দেশে আর বেইমানি ও হত্যার রাজত্ব চলতে দেওয়া হবে না। আইন ও আদালতের মাধ্যমে প্রতিটি অপরাধের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জেটেবের সভাপতি প্রকৌশলী মো. ফখরুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রিয়াজ উদ্দিন মিশু, বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব জাহানারা সিদ্দীকা, জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের নেতা রকিবুল ইসলাম, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব কাজী সাখাওয়াত, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি ডা. জাহিদুর রহমান এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি ডা. তাওহিদুর রহমান আউয়ালসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

বিরোধী দল রাজপথে আবারও নাটক শুরু করেছে: রিজভী

আপডেট সময়ঃ ০২:১২:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

নিজেদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও ব্যর্থতা আড়াল করতেই বিরোধী দলগুলো রাজপথে আন্দোলনের নামে নতুন নাটক শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি অভিযোগ করেন, দেশ যখন বিভিন্ন সংকট মোকাবিলা করছে, তখন গঠনমূলক ভূমিকা পালনের পরিবর্তে বিরোধীরা জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে দেশজুড়ে আওয়ামী লীগের পরিকল্পিত নৈরাজ্য ও চক্রান্তের প্রতিবাদে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয়তাবাদী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (জেটেব) এ সমাবেশের আয়োজন করে।

বক্তব্যে রিজভী বলেন, সংবাদপত্র খুললেই বিরোধী দলগুলোর ‘নাই নাই’ জিকির চোখে পড়ে। দেশের উন্নয়ন ও জনকল্যাণের বিষয়ে তাদের কোনো মনোযোগ নেই। নিজেদের দলীয় কোন্দল ও ব্যর্থতা ঢাকতে তারা রাজপথে নামার অজুহাত খুঁজছে এবং বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে নাটক মঞ্চস্থ করছে।

স্বৈরাচারী শাসনের পরিণতি তুলে ধরে বিএনপির এই নেতা বলেন, অন্যায় ও অপশাসন চালিয়ে কোনো শাসকের পক্ষেই শেষ পর্যন্ত টিকে থাকা সম্ভব নয়। ইতিহাসে দেখা গেছে, জনগণ রাজপথে জেগে উঠলে অপরাধী শাসকদের পালিয়ে যেতে হয়। বাংলাদেশেও জোর করে ক্ষমতা আঁকড়ে রাখা স্বৈরাচারী শক্তিকে শেষ পর্যন্ত পালাতে হয়েছে।

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও উৎসবের পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়েও কথা বলেন রিজভী। তিনি জানান, সর্বোচ্চ নিরাপত্তা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন নিশ্চিত করতে বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে নির্বিঘ্নে পূজা পালন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে সারা দেশে দলের নেতাকর্মীরা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন।

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না। দেশে আর বেইমানি ও হত্যার রাজত্ব চলতে দেওয়া হবে না। আইন ও আদালতের মাধ্যমে প্রতিটি অপরাধের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জেটেবের সভাপতি প্রকৌশলী মো. ফখরুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রিয়াজ উদ্দিন মিশু, বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব জাহানারা সিদ্দীকা, জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের নেতা রকিবুল ইসলাম, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব কাজী সাখাওয়াত, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি ডা. জাহিদুর রহমান এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি ডা. তাওহিদুর রহমান আউয়ালসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা।