ঢাকা, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

অনিয়মের দায়ে ডিএসসিসি’র সহকারী প্রকৌশলী চাকরিচ্যুত

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৭:১৫:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ মার্চ ২০২২
  • / ৩৯৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রায় ১২ কোটি টাকা আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির দায়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী (পুর) আ হ ম আব্দুল্লা হারুনকে চাকরি হতে অপসারণ করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সংস্থার মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস সই করা এক অফিস আদেশে তাকে চাকরি হতে অপসারণ করা হয়। অফিস আদেশে বলা হয়েছে, আ হ ম আব্দুল্লাহ হারুন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী (পুর) ও নিজ দায়িত্বসহ একই বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাজ চালিয়ে নেন। এ দায়িত্বে থাকাকালে অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী কাজ না করে ভৌতিক এবং অতিরিক্ত বিল পরিশোধ করে ডিএসসিসি আর্থিক ক্ষতিসাধন করেছেন। এ ছাড়া তিনি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর দায়িত্বে থাকাকালীন পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের ডিপোজিট ওয়ার্কের আওতায় কমলাপুর টিটিপাড়া থেকে দক্ষিণ কদমতলী পর্যন্ত ছয় কিলোমিটার রেললাইনের দুই পাশে জমানো বর্জ্য, মাটি ও রাবিশ অপসারণ এবং ডাম্পিং করার কাজটিকে তিন গ্রুপে ভাগ করে ২৮ কোটি টাকার টেন্ডার আহ্বান করেন। আহ্বান করা দরপত্রে বিভিন্ন অনিয়ম এবং কাজের পরিধি ও নির্ধারিত ব্যয়ের মাঝে বিস্তর অসামঞ্জস্যতা পরিলক্ষিত হয়। মোট বর্জ্য, মাটি ও রাবিশ ধরা হয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার টন। যার মধ্যে বর্জ্যরে পরিমাণ হবে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টন। অবশিষ্ট ১ লাখ ১৫ হাজার টন হবে মাটি ও রাবিশ যা বিক্রয়যোগ্য। অথচ মাটি ও রাবিশ ডাম্পিং বাবদ দরপত্রে ব্যয় ধরা হয়েছে ১১ কোটি ৮৮ লখ টাকা। প্রকৃতপক্ষে মাটি ও রাবিশ বিক্রয়যোগ্য হওয়ায় এ ক্ষেত্রে সরকারের কোনও অর্থ ব্যয় হওয়ার কথা নয়। দরপত্রের মাধ্যমে সংঘটিত অনিয়ম বিষয়ে দৈনিক পত্রপত্রিকায়ও নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এই কর্মকর্তা বিভিন্ন সময় অনিয়ম, দুর্নীতি এবং করপোরেশন ও জনস্বার্থবিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত হয়েছেন উল্লেখ করে আদেশে বলা হয়, ‘তার এমন কর্মকা-ের ফলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আর্থিক ক্ষতিসাধিত হয়েছে এবং ভাবমূর্তি ও সুনাম ক্ষুন্ণ হয়েছে। তাকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন কর্মচারী চাকরি বিধি অনুসারে জনস্বার্থ ও করপোরেশনের স্বার্থ রক্ষার্থে চাকরি হতে অপসারণ করা হলো। এতে আরও বলা হয় তিনি বিধি মোতাবেক ৯০ দিনের বেতন প্রাপ্য হবেন। তাকে এ করপোরেশনের হিসাব বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করে সকল দেনা-পাওনা বুঝে নেওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হলো। জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হলো এবং অবিলম্বে তা কার্যকর হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

​জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের-এর বাসভবনে কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্র সমাজ’ ​ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি-এর রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে একদল দুষ্কৃতকারী কর্তৃক হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। ​ কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হীন ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর এক চরম আঘাত। এটি স্পষ্টতই রাজনীতিকে সহিংস করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ​জাতীয় ছাত্র সমাজ স্পষ্টভাবে জানাতে চান, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যাবে না। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জিএম কাদের-এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক সাক্ষাৎকারে ​দাবি ও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন : ১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ​যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে জাতীয় ছাত্র সমাজ দেশের ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

৬

অনিয়মের দায়ে ডিএসসিসি’র সহকারী প্রকৌশলী চাকরিচ্যুত

আপডেট সময়ঃ ০৭:১৫:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ মার্চ ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রায় ১২ কোটি টাকা আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির দায়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী (পুর) আ হ ম আব্দুল্লা হারুনকে চাকরি হতে অপসারণ করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সংস্থার মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস সই করা এক অফিস আদেশে তাকে চাকরি হতে অপসারণ করা হয়। অফিস আদেশে বলা হয়েছে, আ হ ম আব্দুল্লাহ হারুন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী (পুর) ও নিজ দায়িত্বসহ একই বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাজ চালিয়ে নেন। এ দায়িত্বে থাকাকালে অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী কাজ না করে ভৌতিক এবং অতিরিক্ত বিল পরিশোধ করে ডিএসসিসি আর্থিক ক্ষতিসাধন করেছেন। এ ছাড়া তিনি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর দায়িত্বে থাকাকালীন পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের ডিপোজিট ওয়ার্কের আওতায় কমলাপুর টিটিপাড়া থেকে দক্ষিণ কদমতলী পর্যন্ত ছয় কিলোমিটার রেললাইনের দুই পাশে জমানো বর্জ্য, মাটি ও রাবিশ অপসারণ এবং ডাম্পিং করার কাজটিকে তিন গ্রুপে ভাগ করে ২৮ কোটি টাকার টেন্ডার আহ্বান করেন। আহ্বান করা দরপত্রে বিভিন্ন অনিয়ম এবং কাজের পরিধি ও নির্ধারিত ব্যয়ের মাঝে বিস্তর অসামঞ্জস্যতা পরিলক্ষিত হয়। মোট বর্জ্য, মাটি ও রাবিশ ধরা হয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার টন। যার মধ্যে বর্জ্যরে পরিমাণ হবে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টন। অবশিষ্ট ১ লাখ ১৫ হাজার টন হবে মাটি ও রাবিশ যা বিক্রয়যোগ্য। অথচ মাটি ও রাবিশ ডাম্পিং বাবদ দরপত্রে ব্যয় ধরা হয়েছে ১১ কোটি ৮৮ লখ টাকা। প্রকৃতপক্ষে মাটি ও রাবিশ বিক্রয়যোগ্য হওয়ায় এ ক্ষেত্রে সরকারের কোনও অর্থ ব্যয় হওয়ার কথা নয়। দরপত্রের মাধ্যমে সংঘটিত অনিয়ম বিষয়ে দৈনিক পত্রপত্রিকায়ও নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এই কর্মকর্তা বিভিন্ন সময় অনিয়ম, দুর্নীতি এবং করপোরেশন ও জনস্বার্থবিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত হয়েছেন উল্লেখ করে আদেশে বলা হয়, ‘তার এমন কর্মকা-ের ফলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আর্থিক ক্ষতিসাধিত হয়েছে এবং ভাবমূর্তি ও সুনাম ক্ষুন্ণ হয়েছে। তাকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন কর্মচারী চাকরি বিধি অনুসারে জনস্বার্থ ও করপোরেশনের স্বার্থ রক্ষার্থে চাকরি হতে অপসারণ করা হলো। এতে আরও বলা হয় তিনি বিধি মোতাবেক ৯০ দিনের বেতন প্রাপ্য হবেন। তাকে এ করপোরেশনের হিসাব বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করে সকল দেনা-পাওনা বুঝে নেওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হলো। জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হলো এবং অবিলম্বে তা কার্যকর হবে।