বিসিবিতে পরিচ্ছন্নকর্মীদের টাকা নয়-ছয়, ক্ষুব্ধ তামিম
- আপডেট সময়ঃ ০৪:১২:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
- / ১১ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল এবার স্টেডিয়ামের টয়লেট ব্যবস্থাপনাতেই অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন। বিশেষ করে নারী পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা ন্যায্য পারিশ্রমিক পাচ্ছেন না বলে তিনি জানিয়েছেন। বিষয়টি দেখে তিনি স্পষ্ট ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
অনলাইন সংবাদপত্র সাবস্ক্রিপশন
সম্প্রতি মিরপুরে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ চলার সময় গ্যালারি ও ওয়াশরুম ঘুরে দেখেন তামিম। পরে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘কাল আমি বিসিবিতে গিয়েছিলাম। বিসিবিতে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম যে আমাদের যে ক্লিনিং সার্ভিস আছে, তাদের আমরা জনপ্রতি কত টাকা করে দিই। শুনে অবাকই হলাম যে ৬৫০ টাকা করে দিই। তো তখন আমি জিজ্ঞেস করলাম যে ৬৫০ টাকা করে দিই তাহলে এরা ৩০০ টাকা কেন পাচ্ছে? এ ধরনের দুর্নীতির কথা আপনারা জানেন। কিন্তু আমার কাছে কষ্ট হয় যে এই নারীরা যারা ৩০০ টাকা ৪০০ টাকা প্রতিদিন উপার্জন করেন, তাদের থেকেও টাকা খেতে হবে। মানে তাদের থেকেও টাকা চুরি করতে হবে। এটা একেবারে জঘন্য।’
মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম ২০০৭ সালে চালু হওয়ার পর থেকে টয়লেটে তেমন কোনো সংস্কার হয়নি বলেও দাবি করেন তামিম। তিনি বলেন, ‘আপনারা হয়তো শুনে অবাকই হবেন যে স্টেডিয়াম যখন ২০০৭ সালে তৈরি হয়েছিল, তারপর থেকে আর বাথরুম নিয়ে কোনো সংস্কার হয়নি। এটা ঠিক না। তো আমি এ কারণে যাওয়ার সময় সেখানে দেখেছিলাম। বাথরুম পরিষ্কারের দায়িত্বে থাকা খালাাম্মা আমাকে একটা কথা বলেছিলেন, যেটা হয়তোবা অনেকেই ভিডিওতে দেখেছেন। তিনি বলেছেন, ‘ভাইয়া আমরা প্রত্যেক দিন ৩০০ টাকা করে পাই। এই জিনিসটা যদি আপনি একটু দেখতেন।’’
বিদেশি এক দর্শনার্থীর কাছ থেকেও ওয়াশরুম নিয়ে অভিযোগ পেয়েছেন তামিম। তিনি বলেন, ‘এটা আমি নিজেই খুব অবাক হয়েছি। আপনি ভালো প্রশ্ন করেছেন। আমি আসলে সেদিন যখন গ্যালারিতে গিয়েছিলাম, তখন একজন ফিনল্যান্ড থেকে এক নারী সেদিন সকালেই বিমানবন্দরে এসে সোজা মাঠে খেলা দেখতে এসেছেন। তিনি আমাকে সুন্দর করে বললেন, ‘ভাইয়া যদি একটু ওয়াশরুমগুলা ঠিক করা যায়।’’
এই পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে কঠোর বার্তা দিয়েছেন তামিম। তিনি জানান, ‘আমি তাদের একটা বিল জমা দিতে বলেছি এই সিরিজে। আমি বলেছি যে আপনি ৩০ নারীকে ডাকবেন আমার সামনে তাদেরকে ৫০০ টাকা করে দেবেন। ১০০-১৫০ টাকা আপনার লাভ থাকতে পারে। কারণ, যদি কোনো কোম্পানি একটা কাজ নেয় তার অনেক কিছু কিনতে হয়, তার নিজস্ব কোম্পানি চালাতে হয়, তার একটু লাভ করবেই। সেটা ঠিক আছে। কিন্তু যে প্রতিশ্রুতি আপনি এই নারীদের দিয়েছেন, আমার সামনে আপনি ডেকে সবার সামনে দেবেন। তারপর থেকে যদি আপনারা চান, তাহলে চুক্তি গ্রহণ করতে পারি। তা না হলে চুক্তি তো বাতিল করবই। একইসঙ্গে ব্ল্যাকলিস্ট করে দেব যাতে ভবিষ্যতে কোনোদিন আপনি বিসিবিতে কাজ না করতে পারেন।’
























