ঢাকা ১০:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনী হলফনামায় বিদেশী সম্পদের হিসাবও দিতে হবে: দুদক চেয়ারম্যান

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময়ঃ ০৪:০৭:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১৫২ বার পড়া হয়েছে

নির্বাচনী হলফনামায় দেশি সম্পদের পাশাপাশি বিদেশি সম্পদের হিসাব বিবরণীও দিতে হবে বলে জানিয়েছেন দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন। রোববার (২৩ নভেম্বর) সকালে দুদক সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘যে দলেরই হোক, সৎ লোককে নির্বাচিত করতে হবে। কে কোন দল করে, সেটা বড় ব্যাপার না, দেখতে হবে লোকটা সৎ কি না? দুদকের মামলার আসামি হতে পারে, এমন লোককে গ্রহণ করলে বিগত সময়ের মতোই পরিণতি হবে।’

দুদক চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘আমরা সম্পদের বিবরণী চাচ্ছি, সেখানে বিদেশি সম্পদের হিসাব না দিলে তা অন্যায় হবে।’ দুদকের কাজ নিয়ে কোনো ধরনের চাপ নেই বলেও জানান চেয়ারম্যান। তবে নানা সীমাবদ্ধতা আছে বলে তিনি স্বীকার করেছেন।

এ সময় দুদক চেয়ারম্যান দুদকের নানা সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে বলেন, ‘২০০৮ সালে শেখ হাসিনার কৃষি সম্পত্তি ছিল ৫.২১ একর; তবে আমরা অনুসন্ধান করে পাই ২৯ একর। সে সময় দুদক সেটি তদন্ত করে বের করলেও ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি।’ তিনি আরও বলেন, ‘দুদক বিচারক না। দুদকের দায়িত্ব মামলার তথ্য-উপাত্ত আদালতে উপস্থাপন করা আর বিচারের দায়িত্ব আদালতের।’ পরে তিনি দুদকের গণশুনানিতে অংশ নেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

নির্বাচনী হলফনামায় বিদেশী সম্পদের হিসাবও দিতে হবে: দুদক চেয়ারম্যান

আপডেট সময়ঃ ০৪:০৭:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

নির্বাচনী হলফনামায় দেশি সম্পদের পাশাপাশি বিদেশি সম্পদের হিসাব বিবরণীও দিতে হবে বলে জানিয়েছেন দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন। রোববার (২৩ নভেম্বর) সকালে দুদক সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘যে দলেরই হোক, সৎ লোককে নির্বাচিত করতে হবে। কে কোন দল করে, সেটা বড় ব্যাপার না, দেখতে হবে লোকটা সৎ কি না? দুদকের মামলার আসামি হতে পারে, এমন লোককে গ্রহণ করলে বিগত সময়ের মতোই পরিণতি হবে।’

দুদক চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘আমরা সম্পদের বিবরণী চাচ্ছি, সেখানে বিদেশি সম্পদের হিসাব না দিলে তা অন্যায় হবে।’ দুদকের কাজ নিয়ে কোনো ধরনের চাপ নেই বলেও জানান চেয়ারম্যান। তবে নানা সীমাবদ্ধতা আছে বলে তিনি স্বীকার করেছেন।

এ সময় দুদক চেয়ারম্যান দুদকের নানা সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে বলেন, ‘২০০৮ সালে শেখ হাসিনার কৃষি সম্পত্তি ছিল ৫.২১ একর; তবে আমরা অনুসন্ধান করে পাই ২৯ একর। সে সময় দুদক সেটি তদন্ত করে বের করলেও ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি।’ তিনি আরও বলেন, ‘দুদক বিচারক না। দুদকের দায়িত্ব মামলার তথ্য-উপাত্ত আদালতে উপস্থাপন করা আর বিচারের দায়িত্ব আদালতের।’ পরে তিনি দুদকের গণশুনানিতে অংশ নেন।