সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম আগামী সপ্তাহ থেকে শুরু: গভর্নর
- আপডেট সময়ঃ ০৩:০১:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
- / ৩১ বার পড়া হয়েছে
ইসলামী ধারার পাঁচ ব্যাংক নিয়ে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম আগামী সপ্তাহ থেকে শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। শনিবার (২৯ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর একটি হোটেলে চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থনৈতিক সম্মেলনে আহসান এইচ মনসুর বলেন, রমজানকে কেন্দ্র করে এখন পর্যন্ত কোনো শঙ্কা নেই আমদানিতে। প্রতিটি পণ্যের আমদানি বেশি হয়েছে। অর্থপাচার হওয়ার কারণে আগে আমদানির চিত্র উল্টো দেখানো হতো, তবে এখন বাড়ছে।
দেশে এই মুহূর্তে ডলার সংকট না থাকায় যত ইচ্ছা আমদানি করা যাবে জানিয়ে গভর্নর বলেন, মূল্যস্ফীতি কমাতে ডলার এক্সচেঞ্জ রেট বাজারভিত্তিক করা হয়েছে, এতে আমরা সফল হয়েছি৷ আমরা যত ইচ্ছে আমদানি করতে পারি, ব্যাংকিং খাতে আমদানিতে কোনো সমস্যা নেই। যদি কেউ আমদানি করতে না পারে; সেটা তার নিজের সমস্যা। আমদানি করার পর টাকা নিয়ে আসা ব্যবসায়ীদের দায়িত্ব।
আমাদের আশা ছিল ২০ শতাংশ হবে ঋণ খেলাপি, তবে ৩৫ শতাংশের বিষয়টি অকল্পনীয় মন্তব্য করে আহসান এইচ মনসুর বলেন, ধাপে ধাপে ব্যংকিং খাতের সব সমস্যা সমাধান করা হবে। ব্যাংকিং খাতের দুরবস্থার অন্যতম কারণ বন্ড মার্কেট এবং স্টক মার্কেট ঠিক নেই। আরও বেশি খারাপ অবস্থা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলোর। এসব আস্থাহীনতা থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। এতে ব্যাংকের ওপর চাপ কমে আসবে।
একীভূত হওয়া ৫ ব্যাংকের কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইসলামী ধারার ৫ ব্যাংক নিয়ে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম আগামী সপ্তাহ থেকে শুরু হবে।
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, বিএনপি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে সবসময় দেশের অর্থনীতি সচল রাখতে ভূমিকা রেখেছে। ওপেন ইকোনমি যুগের সূচনা করেছেন জিয়াউর রহমান। ক্ষমতায় এসে বিএনপি প্রতিবারই অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে কাজ করেছে।
বিএনপি অর্থনীতি ধ্বংস করেছে, এ কথা কেউ বলতে পারেনি দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, ব্যবসায়ীদের ব্যাপারে চিন্তাভাবনা পরিবর্তন করা দরকার। তাদের বিশ্বাস করতে হবে। লুটপাটে যারা জড়িত তাদের শাস্তি দেন। কিন্তু প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে কেনো বেকারত্ব তৈরি করছি? এগুলো ভাবতে হবে। শুধু অর্থনৈতিক পথরেখা নয়, রাজনৈতিক পথরেখাও তৈরি করতে হবে। সংস্কারের যেসব বিষয়ে বিএনপি সই করেছে, তার বহু আগেই দলটি এসব প্রস্তাব উত্থাপন করেছিল। এ সময় বিএনপি শুধু ‘নতুন বাংলাদেশ’ নয়, বরং একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চায়। যেখানে গণতন্ত্র ও অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে বলেও মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল।
এ সময় তিনি আরও বলেন, বিগত ১৫ বছরে যারা লুটপাটে জড়িত তাদের শাস্তি দিন। কিন্তু তাদের প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বেকারত্ব তৈরি করা কোনো সমাধান নয়।










