সম্প্রীতির ভলিবল টুর্নামেন্ট-উৎসবমুখর অনুষ্ঠিত
- আপডেট সময়ঃ ০৭:০১:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
- / ৫২ বার পড়া হয়েছে
মোঃ জুয়েল হোসাইন, বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি: বান্দরবান সেনা জোনের উদ্যোগে বুধবার ১০ মে বিকেল সাড়ে তিনটায় সময় বান্দরবান সেনা জোন মাঠে সম্প্রীতির ভলিবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়।
পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে বান্দরবান সেনা জোন দল এবং বান্দরবান সম্মিলিত ক্রীড়া পরিষদ দল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লে. কর্নেল মোহাম্মদ হুমায়ুন রশীদ, পিএসসি, জোন কমান্ডার, বান্দরবান সেনা জোন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেজর নাফিউ সিদ্দিকী রোমান, পিএসসি, জোন উপ-অধিনায়ক, বান্দরবান সেনা জোন এবং জেলা ক্রীড়া অফিসার, বান্দরবান জনাব মোঃ রেজাউল করিম। এছাড়াও বান্দরবান সেনা জোনের অন্যান্য কর্মকর্তা, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক ক্রীড়াপ্রেমী দর্শক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
খেলাটি অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। দুই দলের খেলোয়াড়দের নৈপুণ্য, দলগত সমন্বয় এবং খেলোয়াড়সুলভ মনোভাব উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে। মাঠজুড়ে ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ, যা সম্প্রীতি ও ঐক্যের এক অনন্য বার্তা বহন করে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মোহাম্মদ হুমায়ুন রশীদ, পিএসসি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী উভয় দলের খেলোয়াড়দের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, খেলাধুলা শুধু শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করে না, বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, নেতৃত্বের গুণাবলি, শৃঙ্খলা এবং সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি প্রতিযোগিতার সার্বিক আয়োজন ও খেলোয়াড়দের চমৎকার নৈপুণ্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের সম্প্রীতিমূলক আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে বান্দরবান সম্মিলিত ক্রীড়া পরিষদের ক্রীড়া কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও উৎসাহিত করার লক্ষ্যে তাদের হাতে ক্রীড়া সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। এ উদ্যোগের মাধ্যমে সেনাবাহিনী ও স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠনের মধ্যে বিদ্যমান সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
সম্প্রীতির এই আয়োজন উপস্থিত সকলের প্রশংসা কুড়ায় এবং খেলাধুলার মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতা, সম্প্রীতি ও সামাজিক বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
























