ঢাকা, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬ | ই-পেপার

তারেক রহমানের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত : দীনেশ ত্রিবেদী

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০১:১০:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৯ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমা‌নের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত ব‌লে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর খুব শিগগিরই হওয়া উচিত। শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক ও আলোচনার মাধ্যমেই যেকোনো সমস্যার সমাধান সম্ভব। বৈঠকের মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান করা যায়।

রোববার (১৬ আগস্ট) রাতে ঢাকার বারিধারায় আয়ারল্যান্ডের অনারারি কনসাল মাসুদ জামিল খান ও তার স্ত্রী কেট জারো খানের আয়োজিত এক নৈশভোজে দেওয়া বক্তব্যে এ মন্তব্য ক‌রেন তি‌নি।

হাইক‌মিশনার বলেন, আমি খুবই আশাবাদী। বাংলাদেশ ও ভারতের মানুষের হৃদয়ের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। বাংলাদেশ ও ভারত শুধু সীমান্ত ভাগাভাগি করে না, তারা একটি অভিন্ন স্বপ্নও ধারণ করে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত দুটি সার্বভৌম দেশ। আমাদের চ্যালেঞ্জ রয়েছে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। আর যদি কোনো চ্যালেঞ্জ না থাকে, সেটি গণতন্ত্র নয়। গণতন্ত্র যতই বিশৃঙ্খল মনে হোক না কেন, সেটির মধ্যেই আলোচনা ও সমাধানের পথ রয়েছে।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য আছে, বিতর্ক আছে, যুক্তি-তর্ক আছে-এটি স্বাভাবিক। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দুজনই জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত নেতা। তাদের লক্ষ্যও একই। আমি গণমাধ্যমে বহুবার বলেছি, যখন এমন দুই নেতা বৈঠক করেন ও আলোচনা করেন, তখন এমন কোনো সমস্যা নেই যা আলোচনা করে সমাধান করা সম্ভব নয়।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের যোগাযোগ ও পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

তারেক রহমানের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত : দীনেশ ত্রিবেদী

আপডেট সময়ঃ ০১:১০:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমা‌নের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত ব‌লে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর খুব শিগগিরই হওয়া উচিত। শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক ও আলোচনার মাধ্যমেই যেকোনো সমস্যার সমাধান সম্ভব। বৈঠকের মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান করা যায়।

রোববার (১৬ আগস্ট) রাতে ঢাকার বারিধারায় আয়ারল্যান্ডের অনারারি কনসাল মাসুদ জামিল খান ও তার স্ত্রী কেট জারো খানের আয়োজিত এক নৈশভোজে দেওয়া বক্তব্যে এ মন্তব্য ক‌রেন তি‌নি।

হাইক‌মিশনার বলেন, আমি খুবই আশাবাদী। বাংলাদেশ ও ভারতের মানুষের হৃদয়ের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। বাংলাদেশ ও ভারত শুধু সীমান্ত ভাগাভাগি করে না, তারা একটি অভিন্ন স্বপ্নও ধারণ করে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত দুটি সার্বভৌম দেশ। আমাদের চ্যালেঞ্জ রয়েছে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। আর যদি কোনো চ্যালেঞ্জ না থাকে, সেটি গণতন্ত্র নয়। গণতন্ত্র যতই বিশৃঙ্খল মনে হোক না কেন, সেটির মধ্যেই আলোচনা ও সমাধানের পথ রয়েছে।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য আছে, বিতর্ক আছে, যুক্তি-তর্ক আছে-এটি স্বাভাবিক। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দুজনই জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত নেতা। তাদের লক্ষ্যও একই। আমি গণমাধ্যমে বহুবার বলেছি, যখন এমন দুই নেতা বৈঠক করেন ও আলোচনা করেন, তখন এমন কোনো সমস্যা নেই যা আলোচনা করে সমাধান করা সম্ভব নয়।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের যোগাযোগ ও পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।