ঢাকা, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬ | ই-পেপার

বগুড়ায় প্রাইভেটকারের ধাক্কায় স্বামী-স্ত্রী নিহত

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৯:৪৫:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৪২ বার পড়া হয়েছে

জে এস সাহাদত হোসেন শাহীন (বিশেষ প্রতিনিধি): বগুড়ার সদর উপজেলার এরুলিয়ায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী এক দম্পতির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের সাত বছর বয়সী নাতি আহত হয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বগুড়া-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়কের এরুলিয়া বিমানবন্দরসংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন সদর উপজেলার আটাপাড়া এলাকার মৃত মোসলেম উদ্দিন মোল্লার ছেলে বাবুল হাসান (৫০) ও তার স্ত্রী জেসমিন বিবি (৪৫)। বাবুল হাসান পেশায় একজন স্বর্ণ ব্যবসায়ী ছিলেন। আহত শিশু জুলকার নাঈন বর্তমানে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বগুড়া সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বাবুল হাসান তার স্ত্রী ও নাতিকে নিয়ে মোটরসাইকেলে নওগাঁর দিকে যাচ্ছিলেন। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাদের মোটরসাইকেলকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই বাবুল হাসানের মৃত্যু হয়।পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় জেসমিন বিবি ও শিশু জুলকার নাঈনকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জেসমিন বিবিকে মৃত ঘোষণা করেন।দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা মিরাজুল মণ্ডল বলেন, প্রাইভেটকারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়।

মোটরসাইকেল আরোহী বাম পাশে সরে গিয়ে সংঘর্ষ এড়ানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত রক্ষা পাননি। তার দাবি, চালকের অসতর্কতাই দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ।বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহিম আলী জানান, দুর্ঘটনার পর প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয়েছে। তবে চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।উল্লেখ্য, একই দিন ভোরে এরুলিয়া এলাকায় বগুড়া-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারানো একটি যাত্রীবাহী বাস শ্রমিকদের ওপর উঠে গেলে সাতজন নিহত হন। সেই মর্মান্তিক ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর একই মহাসড়কের অদূরে আরেকটি প্রাণঘাতী দুর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু হওয়ায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়দের দাবি, মহাসড়কটিতে দুর্ঘটনা রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও তৎপর হতে হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

বগুড়ায় প্রাইভেটকারের ধাক্কায় স্বামী-স্ত্রী নিহত

আপডেট সময়ঃ ০৯:৪৫:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

জে এস সাহাদত হোসেন শাহীন (বিশেষ প্রতিনিধি): বগুড়ার সদর উপজেলার এরুলিয়ায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী এক দম্পতির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের সাত বছর বয়সী নাতি আহত হয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বগুড়া-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়কের এরুলিয়া বিমানবন্দরসংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন সদর উপজেলার আটাপাড়া এলাকার মৃত মোসলেম উদ্দিন মোল্লার ছেলে বাবুল হাসান (৫০) ও তার স্ত্রী জেসমিন বিবি (৪৫)। বাবুল হাসান পেশায় একজন স্বর্ণ ব্যবসায়ী ছিলেন। আহত শিশু জুলকার নাঈন বর্তমানে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বগুড়া সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বাবুল হাসান তার স্ত্রী ও নাতিকে নিয়ে মোটরসাইকেলে নওগাঁর দিকে যাচ্ছিলেন। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাদের মোটরসাইকেলকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই বাবুল হাসানের মৃত্যু হয়।পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় জেসমিন বিবি ও শিশু জুলকার নাঈনকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জেসমিন বিবিকে মৃত ঘোষণা করেন।দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা মিরাজুল মণ্ডল বলেন, প্রাইভেটকারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়।

মোটরসাইকেল আরোহী বাম পাশে সরে গিয়ে সংঘর্ষ এড়ানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত রক্ষা পাননি। তার দাবি, চালকের অসতর্কতাই দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ।বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহিম আলী জানান, দুর্ঘটনার পর প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয়েছে। তবে চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।উল্লেখ্য, একই দিন ভোরে এরুলিয়া এলাকায় বগুড়া-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারানো একটি যাত্রীবাহী বাস শ্রমিকদের ওপর উঠে গেলে সাতজন নিহত হন। সেই মর্মান্তিক ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর একই মহাসড়কের অদূরে আরেকটি প্রাণঘাতী দুর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু হওয়ায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়দের দাবি, মহাসড়কটিতে দুর্ঘটনা রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও তৎপর হতে হবে।