ঢাকা, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

নতুন বছরের শুরুতেই বই পাবে শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৭:২৫:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ নভেম্বর ২০২১
  • / ৭২০ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
ভুল-ভ্রান্তি শুধরে নতুন বছরে শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যবই তুলে দিতে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। তিনি বলেন, নতুন বছরে সঠিক সময়েই শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হবে। করোনাকালে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি, বইয়ে যেন ভুল-ভ্রান্তি না থাকে। এরপরেও কোথাও যদি কোনও অনিচ্ছাকৃত ভুল থেকে যায়, অবশ্যই তা সংশোধন করা হবে। শনিবার দুপুরে চাঁদপুর শহরতলীর বাবুরহাট এলাকায় সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের নতুন ভবন উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। মন্ত্রী আরও বলেন, পাঠ্যবইয়ের কিছু ভুল নিয়ে অতিসম্প্রতি একটি মামলা হয়েছে। যিনি মামলা করেছেন তিনি একগুচ্ছ শব্দের কথা বলেছেন, তবে যেটা ব্যবহার করা হয়েছে সেটাও যে খুব ভুল তা নয়। তারপরেও সংশোধনের সুযোগ থাকলে সেগুলো সংশোধন করা হবে। দীপু মনি আরও বলেন, নির্বাচনের বিষয়ে বিএনপির একটি নেতিবাচক ভূমিকা থাকে। দ্বিচারিতা তাদের চরিত্রের অংশ। বিএনপি সবসময়ই মুখে এক কথা বলে আর কাজে অন্যকিছু করে। এটি নতুন কিছু নয়। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশে একটি নির্বাচন কমিশন আছে এবং সেটি স্বাধীন। এ কমিশনের অধীনে যেভাবে নির্বাচন হওয়ার কথা ঠিক সেভাবেই অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপি ইতিহাস বিকৃতি ও মানুষ হত্যাসহ যত ধরনের অপকর্ম আছে তার সবকিছুতেই জড়িত থাকে। তারা সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করে এবং সেটা অপরাজনীতি। এজন্যই নির্বাচনের বিষয়ে সবসময় তাদের একটি নেতিবাচক ভূমিকা থাকে। তারা একদিকে বলছে নির্বাচনে অংশ নেবে না, অন্যদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তাদের কেউ না কেউ অংশ নিচ্ছে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিষয়ে তিনি বলেন, আগে নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হতো না। তখন অনেক প্রার্থী থাকতেন। এখন দলীয় প্রতীক হওয়ার পরে দলের ভেতর থেকে বিদ্রোহী যাতে না হয় সেজন্য সাংগঠনিকভাবে নানান শৃঙ্খলার ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এরপরও কোথাও কোথাও হয়তো দলীয় পদ নেই। কিন্তু সমর্থক আছেন অথবা দলীয় পদে আছেন এমন বিদ্রোহী প্রার্থী থাকে। আমরা সাংগঠনিকভাবে সেগুলোর ব্যবস্থা করছি। দু-একটি জায়গায় হয়তো বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। তবে আমি মনে করি না এটি ব্যাপকভাবে রাজনীতিতে কোনো খারাপ প্রভাব ফেলবে। তবে আমরা বিষয়টিকে সাংগঠনিকভাবে আরও শক্তভাবে দেখার চেষ্টা করছি। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ, পুলিশ সুপার মো. মিলন মাহমুদ, স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ডাক্তার সৈয়দ বদরুন নাহার চৌধুরী, চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাফাজ্জল হোসেন এসডু পাটোয়ারী, ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম রোমান, সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা শাহনাজ ও ভাইস চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী বেপারী, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবুল কালাম রুশদি ও মুক্তিযোদ্ধা সিরাজ বরকন্দাজ, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী ইউনুস হোসেন বিশ্বাস।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

​জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের-এর বাসভবনে কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্র সমাজ’ ​ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি-এর রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে একদল দুষ্কৃতকারী কর্তৃক হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। ​ কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হীন ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর এক চরম আঘাত। এটি স্পষ্টতই রাজনীতিকে সহিংস করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ​জাতীয় ছাত্র সমাজ স্পষ্টভাবে জানাতে চান, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যাবে না। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জিএম কাদের-এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক সাক্ষাৎকারে ​দাবি ও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন : ১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ​যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে জাতীয় ছাত্র সমাজ দেশের ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

৬

নতুন বছরের শুরুতেই বই পাবে শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময়ঃ ০৭:২৫:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ নভেম্বর ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক :
ভুল-ভ্রান্তি শুধরে নতুন বছরে শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যবই তুলে দিতে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। তিনি বলেন, নতুন বছরে সঠিক সময়েই শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হবে। করোনাকালে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি, বইয়ে যেন ভুল-ভ্রান্তি না থাকে। এরপরেও কোথাও যদি কোনও অনিচ্ছাকৃত ভুল থেকে যায়, অবশ্যই তা সংশোধন করা হবে। শনিবার দুপুরে চাঁদপুর শহরতলীর বাবুরহাট এলাকায় সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের নতুন ভবন উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। মন্ত্রী আরও বলেন, পাঠ্যবইয়ের কিছু ভুল নিয়ে অতিসম্প্রতি একটি মামলা হয়েছে। যিনি মামলা করেছেন তিনি একগুচ্ছ শব্দের কথা বলেছেন, তবে যেটা ব্যবহার করা হয়েছে সেটাও যে খুব ভুল তা নয়। তারপরেও সংশোধনের সুযোগ থাকলে সেগুলো সংশোধন করা হবে। দীপু মনি আরও বলেন, নির্বাচনের বিষয়ে বিএনপির একটি নেতিবাচক ভূমিকা থাকে। দ্বিচারিতা তাদের চরিত্রের অংশ। বিএনপি সবসময়ই মুখে এক কথা বলে আর কাজে অন্যকিছু করে। এটি নতুন কিছু নয়। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশে একটি নির্বাচন কমিশন আছে এবং সেটি স্বাধীন। এ কমিশনের অধীনে যেভাবে নির্বাচন হওয়ার কথা ঠিক সেভাবেই অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপি ইতিহাস বিকৃতি ও মানুষ হত্যাসহ যত ধরনের অপকর্ম আছে তার সবকিছুতেই জড়িত থাকে। তারা সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করে এবং সেটা অপরাজনীতি। এজন্যই নির্বাচনের বিষয়ে সবসময় তাদের একটি নেতিবাচক ভূমিকা থাকে। তারা একদিকে বলছে নির্বাচনে অংশ নেবে না, অন্যদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তাদের কেউ না কেউ অংশ নিচ্ছে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিষয়ে তিনি বলেন, আগে নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হতো না। তখন অনেক প্রার্থী থাকতেন। এখন দলীয় প্রতীক হওয়ার পরে দলের ভেতর থেকে বিদ্রোহী যাতে না হয় সেজন্য সাংগঠনিকভাবে নানান শৃঙ্খলার ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এরপরও কোথাও কোথাও হয়তো দলীয় পদ নেই। কিন্তু সমর্থক আছেন অথবা দলীয় পদে আছেন এমন বিদ্রোহী প্রার্থী থাকে। আমরা সাংগঠনিকভাবে সেগুলোর ব্যবস্থা করছি। দু-একটি জায়গায় হয়তো বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। তবে আমি মনে করি না এটি ব্যাপকভাবে রাজনীতিতে কোনো খারাপ প্রভাব ফেলবে। তবে আমরা বিষয়টিকে সাংগঠনিকভাবে আরও শক্তভাবে দেখার চেষ্টা করছি। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ, পুলিশ সুপার মো. মিলন মাহমুদ, স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ডাক্তার সৈয়দ বদরুন নাহার চৌধুরী, চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাফাজ্জল হোসেন এসডু পাটোয়ারী, ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম রোমান, সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা শাহনাজ ও ভাইস চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী বেপারী, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবুল কালাম রুশদি ও মুক্তিযোদ্ধা সিরাজ বরকন্দাজ, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী ইউনুস হোসেন বিশ্বাস।