ঢাকা, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬ | ই-পেপার

রামপুরায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার এক সপ্তাহ পর মারা গেলেন ‘কাইল্যা’ পলাশ

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০২:০৮:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
  • / ১৩ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর রামপুরায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার এক সপ্তাহ পর মারা গেছেন পুলিশের একসময়ের তালিকাভুক্ত ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ইয়াছিন খান পলাশ ওরফে ‘কাইল্যা’ পলাশ। গত ১২ জুন (শুক্রবার) দুপুর পৌনে ২টার দিকে রামপুরার বাসার কাছে গুলিবিদ্ধ হন পলাশ।

শুক্রবার রাত ১টার দিকে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান। মৃত্যুর পর মরদেহের ময়নাতদন্তসহ পরবর্তী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।

গত ১২ জুন দুপুরে রামপুরায় বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবনের উল্টো দিকে নিজের বাসার কাছে গুলিবিদ্ধ হন পলাশ। গুরুতর অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে দুই দিন চিকিৎসার পর অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় ১৪ জুন (রোববার) রাতে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন।

ঘটনার পর পলাশের স্ত্রী মাহমুদা খানম হাতিরঝিল থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেন। একসময় পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ছিলেন পলাশ। দীর্ঘদিন কারাগারে থাকার পর মাসখানেক আগে তিনি জামিনে বের হন।

হাতিরঝিল থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ভুক্তভোগীর স্ত্রী মাহমুদা খানম বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে পিচ্চি আল আমিন, মোল্লা জনি, ফারুক চাচা, তোতলা আল আমিন ও গলদা বাদশাসহ ১১ জনের নাম বলা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতপরিচয় আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

স্বজনের অভিযোগ, মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা শাহাজাদা গ্রুপের সদস্য। রামপুরা-খিলগাঁও এলাকার অপরাধ জগতের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

রামপুরায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার এক সপ্তাহ পর মারা গেলেন ‘কাইল্যা’ পলাশ

আপডেট সময়ঃ ০২:০৮:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

রাজধানীর রামপুরায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার এক সপ্তাহ পর মারা গেছেন পুলিশের একসময়ের তালিকাভুক্ত ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ইয়াছিন খান পলাশ ওরফে ‘কাইল্যা’ পলাশ। গত ১২ জুন (শুক্রবার) দুপুর পৌনে ২টার দিকে রামপুরার বাসার কাছে গুলিবিদ্ধ হন পলাশ।

শুক্রবার রাত ১টার দিকে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান। মৃত্যুর পর মরদেহের ময়নাতদন্তসহ পরবর্তী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।

গত ১২ জুন দুপুরে রামপুরায় বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবনের উল্টো দিকে নিজের বাসার কাছে গুলিবিদ্ধ হন পলাশ। গুরুতর অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে দুই দিন চিকিৎসার পর অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় ১৪ জুন (রোববার) রাতে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন।

ঘটনার পর পলাশের স্ত্রী মাহমুদা খানম হাতিরঝিল থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেন। একসময় পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ছিলেন পলাশ। দীর্ঘদিন কারাগারে থাকার পর মাসখানেক আগে তিনি জামিনে বের হন।

হাতিরঝিল থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ভুক্তভোগীর স্ত্রী মাহমুদা খানম বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে পিচ্চি আল আমিন, মোল্লা জনি, ফারুক চাচা, তোতলা আল আমিন ও গলদা বাদশাসহ ১১ জনের নাম বলা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতপরিচয় আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

স্বজনের অভিযোগ, মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা শাহাজাদা গ্রুপের সদস্য। রামপুরা-খিলগাঁও এলাকার অপরাধ জগতের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে।