ভারতীয় আগ্রাসনের বিষয়ে আরও বেশি সজাগ থাকব : পানিসম্পদ মন্ত্রী
- আপডেট সময়ঃ ০৩:৩২:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
- / ৪ বার পড়া হয়েছে
ভারতীয় পানি আগ্রাসনের বিষয়ে বাংলাদেশ আরও বেশি সজাগ থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেছেন, ভারতকে চিন্তা করতে হবে, বাংলাদেশ তাদের পাশের একটি বন্ধুত্বপ্রতিম দেশ। বন্ধুত্বের সম্পর্ক কতটুকু ইতিবাচক হওয়া দরকার, সেটি তাদের দেখা উচিত। আমরা আশা করছি, ভারত এ বিষয়ে সর্বোচ্চ সজাগ থাকবে এবং বন্ধুত্বপ্রতিম বাংলাদেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখবে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে ফেনীর পরশুরামের ঘাটঘর এলাকায় মুহুরী নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, কোনো ধরনের আগ্রাসনের শিকার যেন দেশের মানুষ না হন, সেজন্য আমরা আরও বেশি সজাগ থাকব। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশবাসীও সজাগ থাকবে।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও চ্যালেঞ্জ অব্যাহত থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর দুর্নীতি ও দুঃশাসনের একটি ধারা ছিল। এখন জনগণ আমাদের নির্বাচিত করেছে, আমরাও দায়িত্ব নিয়ে দেশ পরিচালনা করছি। এ মুহূর্তে জিরো টলারেন্সে চলে যাব—এ কথা বলব না। তবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও চ্যালেঞ্জ থাকবে।
তিনি বলেন, আমি নিজেও বৃহত্তর নোয়াখালীর সন্তান। সেই হিসেবে এ প্রকল্পসহ দেশের সব প্রকল্প যথাযথভাবে শেষ করা, দুর্নীতি প্রতিরোধ করা এবং দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করা আমার নিজেরও দায়িত্ব। দায়িত্বটি খুব সতর্কতার সঙ্গে পালন করছি।
একনেকে অনুমোদিত ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে জমি অধিগ্রহণের কারণে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তাকে প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। তবে প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন নেই। দ্বিতীয় পর্যায়ে কিছু জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন হলে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ দিয়েই কাজ করা হবে।
তিনি বলেন, সব মিলিয়ে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে নদীভাঙন, জলাবদ্ধতা, বাঁধের ভাঙন ও বন্যায় মানুষ যে ক্ষতির মুখে পড়েন, তা থেকে রক্ষা পাবেন। সামগ্রিকভাবে বৃহত্তর এ অঞ্চলের মানুষ প্রকল্পটির সুফল পাবেন।
আগামী মাসের যেকোনো সময় অথবা মাসের শেষ দিকে প্রধানমন্ত্রী ফেনীতে এসে প্রকল্পটির কাজের উদ্বোধন করবেন জানিয়ে পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী এ সময় স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ শেষ করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।
এ সময় ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক এমএ খালেক, জেলা প্রশাসক মনিরা হক, পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার, পানি উন্নয়ন বোর্ড ফেনীর নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলালসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।





















